বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
গাইবান্ধায় এতিম শিক্ষার্থীদের জন্য কম্বল বরাদ্দ চেয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন সৃষ্টির রহস্য; নাইমুর রহমান সোহাগ বাগীশিক চট্টগ্রাম মহানগর সংসদের বার্ষিক গীতা ও নৈতিক শিক্ষা পরীক্ষা সম্পন্ন গীতার শিক্ষা শুধু ধর্মীয় চর্চার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, মানবকল্যাণের পথ দেখায়- আবু সুফিয়ান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে সরস্বতীপূজা উপলক্ষে টানানো শুভেচ্ছা ব্যানার, খুলে ফেলার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানান ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আল্লামা ইমাম হায়াত কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ট্রাকের পেছনে স্লিপার বাসের ধাক্কায় নিহত-১ কুমিল্লায় শীতার্ত মানুষের মাঝে সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের কম্বল বিতরন খুলনা শিশু হাসপাতালে মাত্র ৮ দিনের শি*শু’র ভুল চিকিৎসায় মৃ-ত্যু’র অ/ভি/যো/গ উলিপুর ভুট্টার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা ঠাকূরগাঁও -৩ আসনের সংসদ সদস্য আশা মনি মনোয়ন বৈধ ঘোষণা ভৈরবে সরিষা ফুল থেকে মধু আহরণে ব্যস্ত, চাহিদা অনুযায়ী মধু পাচ্ছে না চাষীরা

শিক্ষক নিয়োগে প্রতিবন্ধী কোটায় ১১৪ পদ সংরক্ষণের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ২০০ Time View

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রতিবন্ধী কোটায় প্রতি উপজেলায় ১১৪ সহকারী শিক্ষক পদ সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে প্রতিবন্ধী কোটায় কেন তাদের নিয়োগ দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়েও রুল জারি করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১৭ জানুয়ারি) বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া।

এর আগে ১১৪ শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তির সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোটার ভিত্তিতে নিয়োগের নির্দেশনা চেয়ে রিটটি দায়ের করেন অ্যাডভোকেট ছিদ্দিক উল্লাহ। তিনি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের পক্ষে বিনা পারিশ্রমিকে মামলাটি পরিচালনা করছেন।

রিটে সম্প্রতি ৩৭ হাজার ৫৭৪ জনকে নিয়োগে প্রতিবন্ধী কোটা থেকে নিয়োগ না দেয়ার বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করা হয়। 

এদিকে গত ১৪ ডিসেম্বর দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এতে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৩৭ হাজার ৫৭৪ জন।

প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের জন্য ২০২০ সালে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তির অনুমোদিত পদ অনুসারে ৩২ হাজার ৫৭৭ পদে শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার কথা থাকলেও এটি বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। চলতি বছরের মার্চে মন্ত্রণালয়ের এক সভায় সাংবাদিকদের বলা হয়েছিল, ৪৫ হাজার সহকারী শিক্ষক নেয়া হবে। অবসরের কারণে ১০ হাজারের বেশি পদ খালি হওয়ায় পদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল।

কিন্তু লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা শেষে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের আগে পদসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে সংশয় তৈরি হয়। পদ বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলন করেন চাকরিপ্রার্থীরা। চলমান নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সর্বোচ্চ সংখ্যক শূন্যপদে নিয়োগ এবং পদসংখ্যা বাড়ানোর দাবিতে ৬১ জেলায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে স্মারকলিপিও দেন চাকরিপ্রার্থীরা। গত ২৮ নভেম্বর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছিল, প্রকৃত শূন্যপদ যাচাই-বাছাই শেষে ১৪ ডিসেম্বর চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হবে। পরে বিজ্ঞপ্তির অনুমোদিত পদের সঙ্গে পাঁচ হাজার পদ বাড়ানো হয়।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রমের ইতিহাসে এটিই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি। ২০২০ সালের ২৫ অক্টোবর অনলাইনে আবেদন শুরু হয়। আবেদন করেন ১৩ লাখ ৯ হাজার ৪৬১ প্রার্থী। নিয়োগে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা তিন ধাপে নেয়া হলেও চূড়ান্ত ফলাফল একবারেই প্রকাশ করা হয়েছে। প্রথম ধাপের লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন ৪০ হাজার ৮৬২ জন, দ্বিতীয় ধাপে ৫৩ হাজার ৫৯৫ এবং তৃতীয় ধাপে ৫৭ হাজার ৩৬৮ জন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS