বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট ভেঙে যাওয়ায় শরিকদের নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন জোট গঠন করছে দলগুলো। এরই মধ্যে ১২ দলের সমন্বয়ে একটি রাজনৈতিক জোটের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। ছয় দল নিয়ে আরও একটি মোর্চা হচ্ছে খুব শিগগিরই।
নির্বাচন ও আন্দোলন সামনে রেখে ছোট ছোট দলের এমন জোট গঠনের নেপথ্যে বিএনপির প্রেসক্রিপশন দেখছেন অনেকে। দীর্ঘদিনের জোটের শরিকরা যেন বিচ্ছিন্ন না হয়ে যায়, সে কারণে বিএনপির এমন পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।
জামায়াত নিয়ে বিতর্ক এড়াতে জোট ভাঙাগড়ার কৌশল হিসেবে মনে করেন সমমনা দলের নেতারা। যদিও ১২ দলীয় জোটের নেতারা বলছেন, কৌশল নয়, যুগপৎ আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখতেই এ পদক্ষেপ।
বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মোহাম্মদ ইবরাহিম বলেন, ‘যুগপৎ আন্দোলনে আমাদের পদক্ষেপ যেন বলিষ্ঠ হয়। একা একা পদক্ষেপ নিলে সেটা দুর্বল থাকবে, সম্মিলিত পদক্ষেপ নিলে সেটা সবল থাকবে।’
জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সভাপতি ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান বলেন, ‘১২ দলীয় জোট কারো সম্পূরক বা পরিপূরক নয় এবং কারো বিরুদ্ধে নয়। আমাদের একটাই লক্ষ্য–গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে থাকা।’
বিএনপি নেতারা বলছেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে সরকারবিরোধী সব দলের জন্য খোলা তাদের দরজা।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের আন্দোলনে সবাইকে স্বাগত জানানো হচ্ছে। আমরা সবাই মিলে একটি লক্ষ্যমাত্রার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি, এটার সফলতা না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।’
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু বলেন, ‘এতদিন আমরা আন্দোলন করিনি, এখন দ্বিতীয় পর্যায়ে যাচ্ছি, সেটা হবে আন্দোলন। এই আন্দোলন হবে সরকার পতনের আন্দোলন, মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধারের আন্দোলন।’
১০ দফার দাবিতে ৩০ ডিসেম্বর ঢাকায় গণমিছিলে সরকারবিরোধী সব দলের নেতাকর্মীরা মাঠে থাকবেন বলেও জানান বিএনপি নেতারা।
Design & Developed By: ECONOMIC NEWS
Leave a Reply