1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন
Title :
প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ করেছে বিএটি প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ করেছে ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ করেছে ইস্টার্ন ব্যাংক প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ করেছে প্রাইম ইন্স্যুরেন্স প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ করেছে বিজিআইসি কক্সবাজারের ব্যবসায়ী ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট পাঁচ সংগঠনের সাথে হামদর্দের মতবিনিময় ও সমঝোতা চুক্তি সম্পন্ন ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল ল্যাবরেটরির উদ্যোগে হামের প্রতিরোধ ও সচেতনতা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের পাবজি দলের জন্য এয়ারটেলের থিম সং সব অপারেটরের গ্রাহকরা স্থানীয় রিটেইলারদের মাধ্যমে নিতে পারবেন টফি সাবস্ক্রিপশন নবযোগদানকারী ইউএনও মো. আব্দুল মালেকের সঙ্গে নালিতাবাড়ী উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদারকিতে বাঁচবে তো আইসিইউতে থাকা ব্যাংকগুলো?

  • আপডেট : বুধবার, ১৭ আগস্ট, ২০২২, ৯.৩৭ পিএম
  • ২৪০ Time View

ব্যাংক খাতের সুরক্ষায় ১০টি দুর্বল ব্যাংককে নিবিড় তত্ত্বাবধানে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংকগুলো হচ্ছে–ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, পদ্মা, জনতা, ন্যাশনাল, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন, সোনালী, রূপালী, অগ্রণী, বাংলাদেশ কৃষি ও এক্সিম ব্যাংক। খেলাপি ঋণ, আমানতের বিপরীতে নিরাপত্তা সঞ্চিতি ও মূলধন ঘাটতি বিবেচনায় এই ব্যাংকগুলোকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

সম্প্রতি এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, ব্যাংক খাতে সুশাসন আনতে ১০টি ব্যাংককে নিবিড় তত্ত্বাবধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে এই দশটি ব্যাংক তিন বছর মেয়াদি চুক্তি করবে। যেখানে ব্যাংকগুলো তাদের আগামী তিন বছরের কর্মপরিকল্পনা জানাবে। সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাজের অগ্রগতি তদারকি করবে বাংলাদেশ ব্যাংক।

তবে বিষয়টিকে ‘ভুল সিদ্ধান্ত’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন বিশ্লেষকরা। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘শুধু ১০ টি ব্যাংককে নিবিড় তত্ত্বাবধানে রেখে সুশাসন ফিরিয়ে আনা যাবে না। সব ব্যাংকেই তদারকির প্রয়োজন রয়েছে। এসব ব্যাংকে আগে থেকেই পর্যবেক্ষক নিয়োগ দেওয়া ছিল। কিন্তু তারা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেননি। শুধু ঘোষণা দিলেই হবে না, আর্থিক খাতের সংকট নিরসনে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে আরও জোরালো ভূমিকা পালন করতে হবে। যেসব আইন আছে, সেগুলো যথাযথভাবে প্রয়োগের কোনো বিকল্প নেই।‘

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, নিবিড় তত্ত্বাবধান শুরু হতে যাওয়া এসব ব্যাংকের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় রয়েছে বিদেশি ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান। ব্যাংটির বিতরণকৃত মোট ঋণের ৯৯ শতাংশই খেলাপি। টাকার অঙ্কে যা ১ হাজার ৩৬৯ কোটি টাকা।

এরপরই রয়েছে পদ্মা ব্যাংক (সাবেক ফারমার্স ব্যাংক)। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী চলতি বছরের জুন শেষে ব্যাংকটির খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৯৫০ কোটি টাকা, যা বিতরণকৃত মোট ঋণের ৬৮ শতাংশ। ব্যাংকটির ঋণ আমানত অনুপাত (এডিআর) ৯৮ শতাংশের ঘরে। কিন্তু আইন অনুয়ায়ী, ব্যাংকের মোট আমানতের শতকরা ৮৭ টাকার বেশি বিনিয়োগ করতে পারে না। এ ছাড়া ব্যাংটির মূলধন ঘাটতি ১০৫ কোটি টাকা।

সরকারি ব্যাংকগুলোর মধ্যে, জনতা ব্যাংকের ২৫ ভাগই জুন শেষ খেলাপি হয়ে পড়েছে। টাকার অংকে যা ১৭ হাজার ২৬৩ কোটি টাকা। আর ৬৪০ কোটি টাকা প্রভিশন ঘাটতিতে রয়েছে ব্যাংকটি। মার্চভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী ৯১৫ কোটি টাকার মূলধন ঘাটতিতে রয়েছে জনতা ব্যাংক।

ন্যাশনাল ব্যাংকের মোট খেলাপি ঋণ ৯ হাজার ৩৯৪ কোটি। বিতরণকৃত ঋণের যা ২৩ শতাংশ। ব্যাংকটির প্রভিশন ঘাটতির পরিমাণ ৭ হাজার ১১৬ কোটি টাকা। ব্যাংকটির ঋণ আমানত অনুপাতের হার ৯১ শতাংশ, যা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত সীমার চেয়ে ৪ শতাংশ বেশি।

সরকারি মালিকানাধীন বিশেষায়িত রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের বর্তমান খেলাপির পরিমাণ ১ হাজার ৪৩০ কোটি টাকা, যা বিতরণকৃত মোট ঋণের ২১ শতাংশ। ব্যাংকটির মূলধন ঘাটতি ১ হাজার ৭৬৮ কোটি টাকা।

সোনালী ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ১৮ শতাংশ। টাকার অঙ্কে যা ১২ হাজার ১২৬ কোটি টাকা। ৮২৯ কোটি টাকা মূলধন ঘাটতি রয়েছে ব্যাংকটির।

রূপালী ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ৬ হাজার ৪৬৬ কোটি,  যা বিতরণকৃত মোট ঋণের ১৭ শতাংশ। এ মুহূর্তে ব্যাংকটির ২ হাজার ৯৬২ কোটি টাকা প্রভিশন ঘাটতি এবং ১ হাজার ৯৮৪ কোটি টাকা মূলধন ঘাটতি রয়েছে। অগ্রণী ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ১০ হাজার ৫৯৮ কোটি টাকা, যা বিতরণকৃত মোট ঋণের ১৭ শতাংশ। ব্যাংকটির ২ হাজার ৯৭৩ কোটি টাকার প্রভিশন ঘাটতি এবং ১ হাজার ৯৬৮ কোটি টাকার মূলধন ঘাটতি রয়েছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ২ হাজার ৬২৫ কোটি টাকা। ব্যাংকটির মূলধন ঘাটতি ১২ হাজার ৮৭৭ কোটি টাকা। বেসরকারি খাতের এক্সিম ব্যাংককেও রাখা হয়েছে নিবিড় তত্ত্বাবধানের এ তালিকায়। কারণ ২৭ জানুয়ারি ২০২২ এর তথ্য অনুযায়ী ব্যাংকটির ঋণ আমানত অনুপাতের (এডিআর) হার ৯৭ শতাংশ, যা কেন্দ্রীয় ব্যাংকে নির্ধারিত সীমার অনেক ওপরে। এ ছাড়া এক্সিম ব্যাংকের বর্তমান খেলাপির পরিমাণ ১ হাজার ৭১০ কোটি টাকা।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com