নিজস্ব প্রতিবেদক: নিজের ক্রয়কৃত জমি ভোগ দখল করতে গিয়ে প্রভাবশালীদের দাপটে একের পর এক হুমকী আর প্রাননাশের ভয় দেখিয়ে কোনঠাসা করে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে বরিশাল নগরীর ২১ নং ওয়ার্ডে সিএন্ডবি রোডস্থ ৪৬.৫২ শতাংশ ক্রয় সুত্রে জমির মালিক বরিশাল সিটি করপোরেশনের ২৯ নং ওয়ার্ডের বাঘিয়া মুখার্জী লেন মরহুম পানজেত আলী হাং এর ছেলে মালিক এম.এ মোতালেব হাওলাদার গং তার ক্রয়কৃত জমির চৌহদ্দি মধো পুকুরের উওর পাশে সীমানা থেকে অবৈধভাবে দখলের পায়তারা চালাচ্ছে সিএন্ডবি রোডস্থ উকিল বাড়ির সৈয়দ আবুল খায়ের শফিউল্লাহ সহ তার ছেলে বরকত ও মেয়ে শায়লা আক্তার জুর্থি ও তার স্বামী সুরুজ মোল্লা সহ আরো ২০-২৫ জনের বিরুদ্ধে জোর করে অবৈধভাবে ভাবে পুকুরপাড়ে কখনো ইট দিয়ে দেয়াল তৈরি করে আবার কখনো সাইনবোর্ড দিয়ে অন্যর জমি দখল করার পায়তারা চালাচ্ছে তারা ।
এম.এ মালেক হাওলাদার গং অভিযোগ করে বলেন, আমারা ক্রয় সুত্রে এই জমির মালিক তবে আমার ক্রয়কৃত জমি ঠিক ভাবে ভোগদখল করতে দেয় না এখানে সিএন্ডবি রোডস্থ উকিল বাড়ির সৈয়দ আবুল খায়ের শফিউল্লাহ সহ তার ছেলে বরকত ও মেয়ে শায়লা আক্তার জুর্থি ও তার স্বামী সুরুজ সহবেশ কিছু ব্যক্তি বিভিন্ন সময় আমার ক্রয়কৃত জমির ভিতরে এসে জোর করে দখল করার চেষ্টা করে কখনো ইট দিয়ে দেওয়াল তৈরি করার চেষ্টা করে আবার কখনো সাইনবোর্ড দিয়ে পুকুরপাড় এর মধো দখল করার চেষ্টা করে।
এরা বিভিন্ন সময় মানুষকে জিন্মি করে সন্ত্রাসী বাহীনি নিয়ে অসহায় মানুষদের জমি দখল করে। এদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতে গেলে তাদের বিভিন্ন মামলা ও হামলার স্বিকার হতে হয়।
তাদের অবৈধভাবে দখলে পায়তারা বিষয়ে বিভিন্ন সময় নিষেধ করলেও তারা না মেনে
এ ছাড়াও আমাদের ক্রয়কৃত জমির রক্ষার্থে গেলে তাদের লোকজন নিয়ে আমাদের লোক জনের উপরে বিভিন্ন সময় হামলা চালায়।
সর্বশেষ এখন আমরা এমন কার্যক্রম দেখে সত্যি আতর্কিত আইনের মাধ্যমে আমরা এই বিষয়টি শুধু ভাবে তদন্ত সাপেক্ষে আমার ক্রয়কৃত জমি সুষ্ঠুভাবে ভোগদখল করতে চাই।
এম.এ মালেক হাওলাদার গং অভিযোগে উল্লেখ করে, বরিশাল সিটি করপোরেশনের ২৯ নং ওয়ার্ডে সিএন্ডবি রোডস্থ ৪৬.৫২ শতাংশ ক্রয় সুত্রে জমির মালিক এম মালেক গং জমির প্রকৃত বিষ্যান্ত মৌজা বগুড়া আলেকান্দা, জে.এল-৫০, সি-৭৬৬,১০৯৫,১৭৫৬ ও ১২৩৩ নং খতিয়ানের- ৪১০৮,৪১৫৯,৪১১০,৪১৯১, ৪১০৭, ৪১০৫ দাগের রেকর্ডি ও মালিক ছিলেন সৈয়দ ওহাব আলী। তাহার লোকান্তরে পৈত্রিক ওয়ারীশ সূত্রে সৈয়দ কাসেম আলী মালিক ও দখিলকার থাকায় তাহার নামে আর এম-২২৬০, ২২১৫, ২১৭২, ১৩২৫,৮৮৮, তথা এম,এ ২৩৭,২৪০,২৪১,২৪২,২৫৩,২৫৮ খতিয়ানের ৬৮৭২, ৬৮৭৩, ৬৮৭৪, ৬৮৭৫, ৬৮৪৪ দাগে শুদ্ধ মতে রেকার্ড হয়।
তিনি উল্লেখ করেন, পরবর্তীতে তাহার লোকান্তরে পৈত্রিক ওয়ারীশ সূত্রে মালিক সৈয়দ আনিছ আলম, সৈয়দ ফরিদ আলম, সৈয়দা রোকেয়া বেগম, হাছিনা বেগম হিরু, স্ত্রী সৈয়দুন্নেছা খাতুন তাহার ওয়ারীশ কায়েম মোকদ্দমার আদেশ বলে।
তিনি আরো উল্লেখ করেন, এস এ রেকর্ড সৃজিত করে নামজারী ১৯৭০৪, ১৯৭০৫, ২০৪৮৯, ১৮৭৫৫ নং খতিয়ানে রেকর্ডীয় মালিক ও দাখিলকার থাকা অবস্থায় তাহাদের নিকট থেকে সাব কবলা দলিলমূলে মালিক এম.এ মোতালেব হাওলাদার গং তাহাদের নামে এস,এ সৃজিত- ২২০৮১,২১৮৬৩, ২১৮৬২ খতিয়ানের এস,এ রেকর্ড মূলেও বি,এস ২৩৬১,২৩৬১/১ খতিয়ানে বিএম ১৩৯০৫, ১৩৯০৬ ১৩৯০৭, ৪৬. ৫২ শতাংশ রেকর্ডমূলে মালিক ও দখিলকার বিদ্যমান।
বরিশাল কোওয়ালী থানায় ৩ জন এএসআই ফরিদ ও মেহেদী সহ ঘটনা পরিদর্শন করেছেন। বরিশাল কোওয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আজিমুল করিম জানান, বেশ কয়েকবার দুই পক্ষের মধো এই ঘটনার সমাধান করা হয়েছে। তবে এখন নতুন করে আমাদের কাছে মৌখিক ভাবে অভিযোগ এসেছে আমরা পুলিশ পাঠিয়েছি তদন্ত করার জন্য ঘটনা তদন্ত সাপেক্ষে আইন গত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Design & Developed By: ECONOMIC NEWS
Leave a Reply