শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৩৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
হাদীর হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে চুয়াডাঙ্গায় বিএনপির বিক্ষোভ তফসিল ঘোষণার আগে অবৈধ, লুট করা অস্ত্র উদ্ধার করা উচিৎ ছিল – বাবুল সরদার চাখারী আপগ্রেডেড অরিজিন ওএস ৬ এর সাথে ভিভো এক্স৩০০ প্রো প্রার্থীদের জানমালের নিরাপত্তা না দিতে পারলে পদত্যাগ করুন: মোর্ত্তজা হাদি গুলিকাণ্ডে অভিযুক্তকে ধরতে যে কোনো তথ্য দিতে অনুরোধ ডিএমপির চুয়াডাঙ্গা জাফরপুর মোড়ে সেনা পুলিশের অবৈধ মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে অভিযান জাতীয়তাবাদী কৃষকদলের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক এর শোকবার্তা মোতাহার মাস্টার আর আমাদের মাঝে নেই বাংলাদেশের অস্তিত্বে আঘাত—হাদি হামলা নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার মন্তব্য সাংবাদিক জাহাঙ্গীর কিরণকে হত্যার হুমকির ঘটনায় ডিআরইউ’র নিন্দা

সংসদে মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল বিল পেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২৮ জুন, ২০২২
  • ২৩৯ Time View

জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে নির্বাচিত এমএনএ এবং এমপিএদের একটি তালিকা তৈরি করবে- মুক্তিযুদ্ধের সময় যারা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পক্ষে ছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণের কারণে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার কর্তৃক শূন্য ঘোষণা করা আসনের উপ-নির্বাচনে এমএনএ এবং এমপিএ নির্বাচিত ব্যক্তিদের নামও এতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

তালিকাগুলো গেজেট আকারে প্রকাশের জন্য সরকারের কাছে সুপারিশ করবে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল।

সোমবার সংসদে পেশ করা জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল বিল ২০২২-এর প্রতিবেদনে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

কমিটির সভাপতি শাহজাহান খান প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন।

গত ৫ জুন পেশ করা জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল বিল অনুযায়ী কাউন্সিলের প্রাথমিকভাবে রাজাকার, আলবদর ও আল শামস, মুজাহিদ বাহিনী ও শান্তি কমিটির সদস্যদের তালিকা তৈরি করার কথা ছিল, যারা দেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল এবং বিভিন্ন জঘন্য কর্মকাণ্ডে জড়িত থেকে পাকিস্তানি দখলদার সেনাদের সহযোগিতা করে।

বিল অনুযায়ী, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল নামে একটি কাউন্সিল থাকবে; যার প্রধান কার্যালয় ঢাকায় হবে। এটি সরকারের পূর্বানুমতি নিয়ে দেশের যে কোনো স্থানে শাখা স্থাপন করতে পারে।

পরিষদের চেয়ারম্যান থাকবেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী। তবে মন্ত্রণালয়ের কোনো প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রী থাকলে তিনি সিনিয়র ভাইস চেয়ারপারসন হবেন। এছাড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব ভাইস চেয়ারপারসন হিসেবে থাকবেন, উপদেষ্টা পরিষদের মহাপরিচালক মনোনীত আটজন এবং কাউন্সিলের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে প্রধানমন্ত্রী থাকবেন।

কাউন্সিল প্রতি দুই মাসে অন্তর একটি সভা করবে।

কাউন্সিলের অন্যতম প্রধান কাজ হবে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে হত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ বা মুক্তিযুদ্ধে বিরোধিতাসহ স্বাধীনতাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত রাজাকার, আলবদর ও আল শামসদের তালিকা তৈরি করা।

উপদেষ্টা পরিষদের নেতৃত্বে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী। উপদেষ্টা পরিষদের অন্য সদস্যরা হবেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রী, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রধান উপদেষ্টা ও সচিব কর্তৃক মনোনীত পাঁচজন।

উপদেষ্টা পরিষদের মেয়াদ হবে তিন বছর।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2025 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS