1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৫৪ পূর্বাহ্ন
Title :
দারাজ বাংলাদেশে কোনো অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই দেশজুড়ে চালু হলো ফাস্ট ডেলিভারি ভুলতা, রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জে ট্রাস্ট ব্যাংকের ১২৬তম শাখার উদ্বোধন আইএফআইসি ব্যাংকের ঢাকা অঞ্চলের অর্ধ-বার্ষিক ব্যবসায়িক সম্মেলন-২০২৬ অনুষ্ঠিত স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক-এর ‘বার্ষিক ঝুঁকি সম্মেলন-২০২৬’ অনুষ্ঠিত তিন শহরে নারীদের জন্য বাস সার্ভিসে ই-টিকিটিং সেবা দেবে সহজ; ঢাকা, চট্টগ্রাম ও বগুড়া শহরে চালু হচ্ছে নারীদের জন্য বাস সার্ভিস টেকনো মেগাপ্যাড ২ এখন বাংলাদেশের বাজারে, বড় ডিসপ্লে, এআই ফিচার ও মাল্টি-ডিভাইস কানেক্টিভিটির উন্নত অভিজ্ঞতা নিয়ে এক চার্জে ৬০ ঘণ্টা পর্যন্ত কল করা যাবে রিয়েলমি সি১০০এক্স স্মার্টফোনে বেকার যুবকদের উদ্যোক্তা করতে নতুন ঋণ কর্মসূচি বাংলাদেশ ব্যাংকের মশাখালীতে যমুনা এক্সপ্রেস আটকা, যাত্রাবিরতির দাবিতে স্থানীয়দের অবস্থান হামের উপসর্গে সিলেটে প্রাণ গেল আরও দুই শিশুর

‘আগামী ৫ বছর উৎসে কর না বাড়ানোর দাবি’

  • আপডেট : সোমবার, ১৩ জুন, ২০২২, ৮.২৪ পিএম
  • ৩১২ Time View

আগামী ৫ বছর উৎসে কর না বাড়িয়ে দশমিক ৫০ শতাংশ রাখার দাবি জানিয়েছে পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ। এছাড়া সোলার প্যানেলে শুল্ক আরোপ না করার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

সোমবার (১৩ জুন) রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটেলে ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট এবং সমসাময়িক বিষয়গুলো নিয়ে বিজিএমইএ এর সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সভাপতি ফারুক হাসান এ দাবি জানান। এসময় সংগঠনের অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

গত (০৯ জুন) বৃহষ্পতিবার প্রস্তাবিত ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটে পোশাক শিল্পের উৎসে কর দশমিক ৫০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১ শতাংশ করার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, ‘প্রস্তাবিত বাজেটে পোশাক রপ্তানির উপর উৎসে কর ০.৫০% থেকে বৃদ্ধি করে ১.০০% করার প্রস্তাব করা হয়েছে, যা বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে শিল্পের জন্য অত্যন্ত দুরুহ হবে। যখন কিনা শিল্প মহামারি থেকে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে, আমরা মনে করি কর বাড়ানোর জন্য এটি সঠিক সময় নয়। বর্তমানে অস্থিরতাময় বিশ্ব বাণিজ্য পরিস্থিতি আমাদের পোশাক শিল্পের জন্যও বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে এই উৎসে কর বৃদ্ধির প্রস্তাব পোশাক শিল্পের টিকে থাকার সংগ্রামটি আরও কঠিন করে তুলবে।’

তিনি বলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে একদিকে যেমন জ্বালানি তেলসহ খাদ্যের মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে, অন্যদিকে ইউরোপসহ বিশ্বের বেশ কিছু দেশে অর্থনৈতিক মন্দার আশংকাও বাড়ছে। ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যষ্ফীতি তীব্র আকার ধারণ করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের জন্য দেশগুলো সুদের হার বাড়াচ্ছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে আমাদের পন্যের চাহিদা ও ক্রয় ক্ষমতা কমেছে এবং সামনে আরও কমে আসার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে পোশাক শিল্পে উৎসে কর বর্তমানে যে অবস্থায় রয়েছে, সে অবস্থায় রাখার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী সুবিবেচনায় রাখবেন। আমাদের একান্ত অনুরোধ, রফতানির বিপরীতে প্রযোজ্য উৎসে কর দশমিক ৫০ শতাংশ আগামী ৫ বছর পর্যন্ত কার্যকর রাখলে শিল্পটি বর্তমান সংকটকালীন সময়ে স্বস্তিতে থাকবে। শিল্প টিকে থাকলে রাজস্ব আসবে, নতুন নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে।

তিনি বলেন, ২০১৯-২০ অর্থবছরে আমাদের পোশাক রফতানি ছিল ২৭.৯৫ বিলিয়ন ডলার, ৮৩.৪৫ টাকা এক্সচেঞ্জ রেট হিসেবে টাকার অংকে রফতানি আয় হয়েছিল ২ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা, অর্থাৎ দশমিক ৫০ শতাংশ হারে উৎসে ১ হাজার ১৬৬ কোটি টাকা উৎসে কর প্রদান করা হয়। ২০২০-২১ অর্থবছরে রফতানি ছিল ৩১.৪৫ বিলিয়ন ডলার, ৮৩.৯৫ টাকা এক্সচেঞ্জ রেট হিসেবে টাকার অংকে রপ্তানি আয় হয়েছিল ২ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা, অর্থাৎ দশমিক ৫০ শতাংশ হারে ১ হাজার ৩২০ কোটি টাকা উৎসে কর প্রদান করা হয়। আর চলতি অর্থবছর ২০২১-২২ শেষে রফতানি ৪১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে বলে আশা করছি, ৮৭ টাকা এক্সচেঞ্জ রেট হিসেবে টাকার অংকে রফতানি আয় হবে ৩ লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা, অর্থাৎ দশিমিক ৫০ শতাংশ হারে উৎসে ১ হাজার ৭৮৩ কোটি টাকা উৎসে কর প্রদান করা হবে। আর সামনের অর্থবছর ২০২২-২৩ এ আমরা যদি ৪৫ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি করতে পারি তবে ৯২ টাকা এক্সচেঞ্জ রেট হিসেবে টাকার অংকে রফতানি হবে ৪ লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা, অর্থাৎ দশমিক ৫০ শতাংশ হারে উৎসে ২ হাজার ৭০ কোটি টাকা উৎসে কর প্রদান করা হবে। অর্থাৎ আমরা যদি প্রতিযোগী সক্ষমতা বাড়ানোর মাধ্যমে রফতানি বাড়াতে পারি, তাহলে কর হার না বাড়িয়েও রাজস্ব বাড়ানো সম্ভব হবে। এতে করে সামষ্টিক অর্থনীতি উপকৃত হবে।

বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, পরিবেশবান্ধব কারখানা তৈরির অন্যতম উপাদান সোলার প্যানেল আমদানিতে শুল্কহার শুন্য থেকে বাড়িয়ে ১ শতাংশ করা হয়েছে। শিল্পে পরিবেশগত টেকসই উন্নয়নের ক্ষেত্রে যে অগ্রগতি সূচিত হয়েছে, তার ধারা অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে আমাদের অনুরোধ, সোলার প্যানেল আমদানিতে শুল্কহার শুন্য করা হোক।

বিজিএমইএ সভাপতি আরও বলেন, অর্থনীতিতে পোশাক শিল্পের সামগ্রিক অবদানের কথা বিবেচনা পোশাক শিল্পে উৎসে কর বর্তমানের ন্যায় দশমিক ৫০ শতাংশ করা হলে অর্থনীতি উপকৃত হবে। আমরা আশা করছি সরকার এই সুপারিশটি সদয়ভাবে বিবেচনা করবে।

সেইসঙ্গে নন-কটন খাতে বিনিয়োগ ও রপ্তানি উৎসাহিত করতে নন-কটন পোশাক রপ্তানির উপর ১০ শতাংশ হারে বিশেষ প্রনোদনা প্রদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীকে অনুরোধ জানান তিনি।

রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটেলে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বিজিএমইএ সহাসভাপতি শহীদউল্লাহ আজিমসহ সংগঠনের অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com