সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ১২:৩৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
সপ্তাহের প্রথম দিনে দরপতনের শীর্ষে আলিফ ম্যানুফ্যাকচারিং সপ্তাহের প্রথম দিনে দর বৃদ্ধিতে শীর্ষে সিটি ইন্স্যুরেন্স সপ্তাহের প্রথম দিনে ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে সিটি ব্যাংক বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা প্লাজায় শনিবার (৭ মার্চ) অনুষ্ঠিত হয়েছে দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী সাংবাদিক সংগঠন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি (বাচসাস)-এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল নারীদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত সভ্য ও মানবিক রাষ্ট্র গঠন সম্ভব নয় নারী শ্রমিকদের অধিকার, নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিতের দাবিতে সমাবেশ ও র‌্যালী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ১৬ মার্চ দিনাজপুরে খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত ভৈরবে ​মা, বোন ও ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে বাবার সম্পত্তি ও ব্যবসার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ​ আইএফআইসি ব্যাংকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬ উদযাপন

ডেসটিনির মানিলন্ডারিং মামলার রায় আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১২ মে, ২০২২
  • ১৩২ Time View

অর্থ আত্মসাৎ ও অর্থপাচারের মামলায় ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল আমীনসহ অপর আসামিদের বিরুদ্ধে করা মামলার রায় ঘোষণা করা হবে আজ।

বৃহস্পতিবার (১২ মে) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল এ রায় ঘোষণা করবেন।

গত ২৭ মার্চ রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামি পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য ১২ মে দিন ধার্য করেন আদালত। মামলায় ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির চেয়ারম্যান সাবেক সেনাপ্রধান হারুন-অর-রশিদও আসামি।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপ-পরিচালক মো. মোজাহার আলী সরদার ও সহকারী পরিচালক মো. তৌফিকুল ইসলাম ২০১২ সালের ৩১ জুলাই রাজধানীর কলাবাগান থানায় মানি লন্ডারিং আইনে মামলা দুটি করেন।

২০১৪ সালের ৪ মে দুদকের উপ-পরিচালক মো. মোজাহার আলী সরদার গ্রাহকদের চার হাজার ১১৯ কোটি ২৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে পাচারের অভিযোগে ডেসটিনির ৫১ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। এর মধ্যে ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির মামলায় ৪৬ জন এবং ডেসটিনি ট্রি প্লানটেশন লিমিটেডে দুর্নীতির মামলায় ১৯ জনকে আসামি করা হয়। দুই মামলাতেই আসামি হারুন-অর-রশিদ ও রফিকুল আমিন।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, ২০০৮ সাল থেকে মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ প্রোজেক্টের নামে ডেসটিনি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করেছিল ১ হাজার ৯০১ কোটি টাকা। সেখান থেকে ১ হাজার ৮৬১ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয় বলে দুদকের অনুসন্ধানে ধরা পড়ে। ওই অর্থ আত্মসাতের ফলে সাড়ে ৮ লাখ বিনিয়োগকারী ক্ষতির মুখে পড়েন।

ডেসটিনি ট্রি প্লান্টেশন প্রোজেক্টের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ২ হাজার ৪৪৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। এর মধ্যে ২ হাজার ২৫৭ কোটি ৭৮ লাখ ৭৭ হাজার টাকা আত্মসাৎ করা হয়। এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হন সাড়ে ১৭ লাখ বিনিয়োগকারী।

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়েছে, ডেসটিনি গ্রুপের নামে ২৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেশ কয়েকটি ছিল নামসর্বস্ব। আসামিরা প্রথমে প্রোজেক্টের টাকা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হিসাবে জমা করতেন। তারপর বিভিন্ন ব্যাংকের হিসাবে তা স্থানান্তর করা হতো। দুদক ৩৪টি ব্যাংকে এমন ৭২২টি হিসাবের সন্ধান পায়, যেগুলো পরে জব্দ করা হয়।

২০১৬ সালের ২৪ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। মামলায় চার্জশিটভুক্ত ৩০৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ২০২ জনের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS