কয়েক দিনের টানা মৃদু শৈত্যপ্রবাহ কাটিয়ে সারা দেশে বাড়তে শুরু করেছে তাপমাত্রার পারদ। বিভিন্ন এলাকায় দেখা মিলেছে সূর্যের। কেটে গেছে বৃষ্টি পরিস্থিতিও। তবে আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, দিনের তাপমাত্রা বাড়বে। কমতে পারে রাতের তাপমাত্রা।
শুক্রবার (১৯ জানুয়ারি) ভোরের দিকে ঘন কুয়াশা থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কমতে থাকে। এতে দৃশ্যমান হয় চারপাশ। দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলে দেখা গেছে ঝলমলে রোদ। শীতের আড়মোড়া ভেঙে অনেকেই ফিরছেন কাজে। তবে এখনও ঝিরিঝিরি বাতাস থাকায় দুর্ভোগ কমেনি শ্রমজীবী ও ছিন্নমূল মানুষের।
সকালে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে বেড়ে শুক্রবার সকালে হয়েছে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান জানান, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী-অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগে সাময়িকভাবে বিঘ্ন ঘটতে পারে।
সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে। দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের কোথাও কোথাও দিনে ঠান্ডা পরিস্থিতি বিরাজ করতে পারে বলেও জানান তিনি।
শনিবার সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। রোববার সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।
এদিকে কয়েক দিনের টানা শীতে ঠান্ডাজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েছেন বয়স্ক ও শিশুরা। হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ বাড়ায় মেঝেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে অনেককে।