মেটলাইফ বিল্ডিংয়ে ১০৪ কিলোওয়াট অন-গ্রিড সোলার পাওয়ার সিস্টেম স্থাপন সম্পন্ন করেছে সেনা কল্যাণ সংস্থার বিজনেস ডিভিশন-৪ ঢাকা: পরিবেশবান্ধব ও টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে সেনা কল্যাণ সংস্থার বিজনেস ডিভিশন-৪ সফলভাবে মেটলাইফ বিল্ডিংয়ে ১০৪ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন আধুনিক অন-গ্রিড সোলার পাওয়ার সিস্টেম স্থাপন ও কমিশনিং সম্পন্ন করেছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি, জাতীয় গ্রিডের উপর নির্ভরতা হ্রাস এবং কার্বন নিঃসরণ কমানোর ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। প্রকল্পটির আওতায় সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ করে সোলার পিভি মডিউল, অন-গ্রিড ইনভার্টার, প্রোটেকশন সিস্টেম, মনিটরিং ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক অবকাঠামো স্থাপন করা হয়েছে। সিস্টেমটি জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডের সাথে সমন্বিতভাবে পরিচালিত হবে এবং মেটলাইফ বিল্ডিংয়ের দৈনন্দিন বিদ্যুৎ চাহিদার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানির মাধ্যমে সরবরাহ করবে। সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা জানান, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের প্রতিটি ধাপে গুণগত মান, নিরাপত্তা এবং কার্যকারিতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা, ডিজাইন, ইন্সটলেশন, টেস্টিং ও কমিশনিং কার্যক্রম দক্ষ জনবল ও অভিজ্ঞ প্রকৌশলীদের তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন করা হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে নিরবচ্ছিন্ন ও কার্যকর বিদ্যুৎ উৎপাদন নিশ্চিত করতে উন্নত মনিটরিং ব্যবস্থাও সংযুক্ত করা হয়েছে। সেনা কল্যাণ সংস্থার বিজনেস ডিভিশন-৪ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি সময়ের দাবি। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় অবদান রাখতে প্রতিষ্ঠানটি ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে যাচ্ছে। মেটলাইফ বিল্ডিংয়ের এই ১০৪ কিলোওয়াট অন-গ্রিড সোলার প্রকল্প সেই ধারাবাহিক প্রচেষ্টারই একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতিবছর উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের পাশাপাশি কার্বন নিঃসরণ হ্রাস পাবে, যা পরিবেশ সংরক্ষণ এবং সবুজ জ্বালানি ব্যবস্থার উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে এটি কর্পোরেট পর্যায়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধিতে একটি অনুকরণীয় উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা, প্রকৌশলী ও অংশীজনদের আন্তরিক সহযোগিতার মাধ্যমে প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে। সেনা কল্যাণ সংস্থা ভবিষ্যতেও দেশের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়ক এ ধরনের আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।