1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০২:৫৭ অপরাহ্ন
Title :
নির্দিষ্ট ব্যবহারকারীদের চাহিদা মাথায় রেখে স্মার্টফোন পোর্টফোলিও সাজাচ্ছে ইনফিনিক্স প্রেমের টানে কথিত চাইনিজ প্রেমিক চীন থেকে নবীনগর শীঘ্রই চালু হচ্ছে সিলেটে ২৫০ শয্যার হাসপাতাল ক্যালিফোর্নিয়ায় বোমারু বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৮ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে গুলাগুলি, গুলিবিদ্ধ ১ যুবককে অপহরণের অভিযোগ  স্কুলে ধাক্কাধাক্কিকে কেন্দ্র করে ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত-১, আটক ৪  চিফ জুডিসিয়ালে রায় চুয়াডাঙ্গায় পৃথক ৩ মামলায় নারীসহ ৪ জনের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড ইরান সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত, শিগগিরই প্রকাশ : ট্রাম্প ইসলামী ব্যাংককে আগের মর্যাদায় ফিরিয়ে আনতে কাজ করবে নতুন প্রতিনিধি ১৬ জুন চার্টার্ড সেক্রেটারী দিবস ২০২৬ উদযাপন করবে আইসিএসবি

পদ্মা সেতুতে ৬ মাসে ২৮ লাখ যানবাহন পারাপার

  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৫ জানুয়ারী, ২০২৩, ৬.৩১ পিএম
  • ২৭৬ Time View

নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত পদ্মা সেতু বাংলাদেশের সাহসের প্রতীক। সব বাধা-বিপত্তি দূরে সরিয়ে গত বছরের ২৫ জুন উদ্বোধন হয় স্বপ্নের এ সেতুর। তার আগেই নির্ধারণ করা হয় সেতু কেন্দ্র করে সম্ভাব্য মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি। সেতুর ডিটেইলড ইকোনমিক অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিস প্রতিবেদন অনুযায়ী, টোল আদায়ের লক্ষ্যমাত্রাও নির্ধারণ করা হয় বছরে ১৬শ কোটি টাকার কিছু বেশি। তবে প্রথম ছয় মাস ৯ দিনে টোল আদায় হয়েছে ৪১০ কোটি টাকা, যা লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেক। এই সময়ে যানবাহন পারাপার হয়েছে ২৮ লাখের অধিক।

জানা যায়, পদ্মা সেতু দেশের জিডিপির প্রবৃদ্ধিতে এক দশমিক ২৩ শতাংশ অবদান রাখার কথা। আর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জিডিপি বাড়ার কথা ২ দশমিক ৩ শতাংশ। সেতু চালুর মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পিছিয়ে পড়া ২১টি জেলা সবচেয়ে বেশি সুবিধা পাচ্ছে। অর্থনৈতিকভাবে চাঙা হচ্ছে এসব জেলা। পণ্য পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা হয়েছে সহজ। শীত ও বর্ষা মৌসুমে ফেরি পারাপার নিয়ে নেই বিড়ম্বনা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অদম্য মনোভাব, দৃঢ়তায় দেশের মানুষ শেষ পর্যন্ত এই সেতুর সুফল ভোগ করতে পারছে।

সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) পর্যন্ত পদ্মা সেতুতে মোট টোল আদায় হয়েছে ৪০৯ কোটি ৮৭ লাখ ১০ হাজার ১৫০ টাকা। এই সময়ে স্বপ্নের পদ্মা সেতু দিয়ে ২৮ লাখ ৩৫ হাজার ৯৪১টি যানবাহান পার হয়েছে।

বর্তমানে পদ্মা সেতু দিয়ে দৈনিক যানবাহন পারাপার হচ্ছে গড়ে ১৪ হাজার ৭১৮টি। প্রতিদিন গড়ে টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি সাড়ে ১২ লাখ টাকার মতো। এভাবে চলতে থাকলে বছরপূর্তিতে প্রায় ৮শ কোটি টাকার কিছু কম-বেশি টোল আদায় হতে পারে। এখন পর্যন্ত পূর্বাভাসের চেয়ে প্রতিদিন যানবাহন কম চলেছে ৯ হাজারের মতো। বছরপূর্তিতে আয়ও কম হতে পারে পূর্বাভাসের চেয়ে ৮শ কোটি টাকার মতো কম।

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী কাজী মো. ফেরদাউস জাগো নিউজকে বলেন, আমরা লক্ষ্য অনুযায়ী পদ্মা সেতুতে টোল আদায় করছি। যে রেটে টোল আদায় হচ্ছে এভাবে চলতে থাকলে কোনো সমস্যা হবে না। তবে টোল আদায় নির্ভর করে যানবাহন পারাপারের ওপর।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পদ্মা সেতু থেকে মাসে টোল আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় বছরে ১৩৩ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। বছরের হিসাবে যা ১ হাজার ৬০৩ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। এ টাকা দিয়ে সেতুর রক্ষণাবেক্ষণ ছাড়াও নির্মাণ খরচের ঋণ পরিশোধ করার কথা বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের। কোনো উন্নয়ন সহযোগী বা প্রতিষ্ঠানকে নয়, স্বয়ং বাংলাদেশ সরকারকে ৩৫ বছরে সুদসহ ৩৬ হাজার কোটি টাকা পরিশোধ করবে সেতু কর্তৃপক্ষ।

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা ব্যয়ে পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মিত। এর পুরোটাই সরকারের কাছ থেকে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ঋণ হিসেবে নেয়। চুক্তির অনুচ্ছেদ ২ মোতাবেক ঋণের অর্থ প্রকল্প সমাপ্তির পর বার্ষিক ১ শতাংশ হারে সুদসহ ৩৫ বছরে ১৪০ কিস্তিতে পরিশোধ করতে হবে। এছাড়া নকশা প্রণয়নের সময় নেওয়া ২১১ কোটি টাকার বিপরীতে পরিশোধ করতে হবে ৩৪০ কোটি টাকা।

এর আগে পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ২০১০ সালে দাখিল করা পদ্মা সেতুর ডিটেইলড ইকোনমিক অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিস সম্বলিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২২ সালের ট্রাফিক ফোরকাস্ট অনুযায়ী ফেরির টোল হারের দেড়গুণ হিসাবে মাসে টোল আদায় হওয়ার কথা ১৩৩ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। এ প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই সরকার আশা করেছিল বছরে ১ হাজার ৬০৩ কোটি ৯৭ লাখ টাকা টোল আদায় হবে।

সূত্র জানায়, অর্থ বিভাগ ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের মধ্যে সম্পাদিত ঋণচুক্তিতে উল্লিখিত ৩৫ বছর মেয়াদি লোন রিপেমেন্ট শিডিউল অনুযায়ী, সেতুতে যানবাহন চলাচলের প্রথম বছরেই ৫৯৬ কোটি ৮৮ লাখ টাকা ঋণ পরিশোধ করতে হবে। এটা ধীরে ধীরে বেড়ে কোনো কোনো বছর ১ হাজার ৪৭৫ কোটি টাকা পর্যন্ত পরিশোধ করতে হবে। তাছাড়া সেতুর রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালন ব্যয়, নদীশাসন, ভ্যাট ও ট্যাক্স পরিশোধ সবই করতে হবে টোলের টাকা থেকে। টোল আদায়ের ক্ষেত্রে এসব বিষয় বিবেচনা করা হয়েছে।

মোটরসাইকেলের টোল ১০০ টাকা (বর্তমানে চলাচল বন্ধ), বড় বাসের টোল ২ হাজার ৪শ টাকা, মাঝারি ধরনের বাসের টোল ২ হাজার টাকা, কার ও জিপের ৭৫০ টাকা, চার এক্সেল ট্রেইলার ৬ হাজার টাকা, মাইক্রোবাস ১৩শ টাকা এবং মিনিবাসের (৩১ সিট বা তার কম) টোল নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪শ টাকা।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৯ সালে পদ্মা সেতুর টোল থেকে আয় হওয়ার কথা ১ হাজার ৮০৪ কোটি টাকা। আর ২০৫০ সালে এই সেতু থেকে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৩ হাজার ৩৭৯ কোটি টাকা।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com