1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ০২:৪৫ অপরাহ্ন
Title :
রাঙ্গামাটি বাঘাইছড়ি উপজেলায় বিজিবির বিশেষ অভিযান ৯০ হাজার টাকার অবৈধ সিগারেট জব্দ মাধবপুরে গলায় ফাঁস লাগানো এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ চট্টগ্রামে সোনার বাংলা এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে গেল অটোরিকশা; চালক আহত সুনামগঞ্জে মোছাঃ শোবি বেগমের চেক ও স্ট্যাম্প ছিনতাই, উল্টো মিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগে আইজিপি বরাবর আবেদন মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত পরোয়ানাভুক্ত একজন আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০ সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দরপতনের শীর্ষে এপেক্স স্পিনিং অ্যান্ড নিটিং মিলস সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দর বৃদ্ধির শীর্ষে কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে লেনদেনের শীর্ষে মেঘনা ইন্স্যুরেন্স ক্যাশব্যাক, বিশেষ অফার ও উপহার নিয়ে গ্র্যান্ড ঈদুল আজহা ক্যাম্পেইন শুরু করেছে রিয়েলমি   আইএফআইসি ব্যাংক ও ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর

সুনামগঞ্জে মোছাঃ শোবি বেগমের চেক ও স্ট্যাম্প ছিনতাই, উল্টো মিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগে আইজিপি বরাবর আবেদন

  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ১১.৫০ এএম
  • ৫৪ Time View

মোঃ রফিকুল ইসলাম সোহাগ, সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে জোরপূর্বক চেক ও স্ট্যাম্প ছিনিয়ে নিয়ে মিথ্যা মানব পাচার মামলা দিয়ে হয়রানির বিরুদ্ধে গত ২৮/০৪/২০২৬ইং তারিখে এক নারী লিখিত আবেদন দাখিল করেছেন। ভুক্তভোগী মোছাঃ শোবি বেগম নামের ওই নারী তার এবং তার পরিবারের নিরাপত্তা ও মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে পুলিশ সুপার, জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ মহাপরিদর্শক বা আইজিপি বরাবর এই আবেদন জানান।

লিখিত আবেদনে আবেদনকারী মোছাঃ শোবি বেগম জানান যে তিনি একজন আইনপ্রতিজ্ঞ অসহায় মহিলা এবং তার স্বামী ইতালি প্রবাসী। বিবাদী এলাকার বাসিন্দা এলাখ মিয়া তার মেয়ের জামাই ইমরান হোসেন আদিলকে ইতালি পাঠানোর জন্য শোবি বেগমের কাছ থেকে ধার হিসেবে টাকা চান। আত্মীয়তার সুবাদে শোবি বেগম বিভিন্ন জায়গা থেকে সুদে ঋণ নিয়ে এলাখ মিয়ার মেয়ের জামাইকে ইতালি পাঠানোর জন্য ১৭,০০,০০০ টাকা দেন। উক্ত টাকা দিয়ে ইমরান হোসেন আদিল ইতালি পৌঁছানোর পর এলাখ মিয়া এবং তার পরিবারের সদস্যরা শোবি বেগমের পাওনা টাকা ফেরত না দিয়ে উল্টো ঝগড়া ফাসাদ শুরু করেন এবং শত্রুতা পোষণ করতে থাকেন।

পরবর্তীতে শোবি বেগম তার পাওনা ১৭,০০,০০০ টাকা ফেরত চাইলে বিবাদীগণ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। গত ২৪/০৪/২০২৬ইং তারিখে বিবাদী এলাখ মিয়া, কাউছার মিয়া, দিলদার মিয়া এবং সজুনা আক্তার খাদিজা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে শোবি বেগমের সাদিপুরস্থ বসতঘরে অনধিকার প্রবেশ করেন। তারা ঘরের মালামাল তছনছ করেন এবং শোবি বেগমের নামে থাকা ইসলামী ব্যাংক জগন্নাথপুর শাখার চেক বই থেকে তার স্বাক্ষর করা পরপর নাম্বারের ৩টি চেক বল প্রয়োগ করে ছিঁড়ে নিয়ে যান। একই সাথে বিবাদীগণ তাকে ১০০ টাকার ৩টি নন জুডিশিয়াল অলিখিত স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করার জন্য অস্ত্র উঁচিয়ে ভয় দেখান। শোবি বেগম স্বাক্ষর করতে অস্বীকার করলে এলাখ মিয়া তাকে লোহার পাইপ দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে চোখে ও মাথায় আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। অন্যান্য বিবাদীগণ লাঠি, লোহার রড এবং কারেন্টের তার দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি মারপিট করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্ত জমাট ও ফুলা জখম সৃষ্টি করেন। একপর্যায়ে শোবি বেগম নিজের জীবন রক্ষার্থে বিবাদীদের কথা মতো ৩টি স্ট্যাম্পের ওপর স্বাক্ষর করতে বাধ্য হন। এরপর এলাখ মিয়া উক্ত স্ট্যাম্পগুলো নিজের কাছে নিয়ে নেন এবং ঘটনাটি নিয়ে মামলা বা স্থানীয়ভাবে বিচার চাইলে তাকে খুন করার হুমকি দেন।

ভুক্তভোগী নারী আরও জানান যে উক্ত ঘটনার পর তিনি গুরুতর আহত হলেও বিবাদীদের বাধার কারণে সরকারি হাসপাতালে গিয়ে পুলিশ কেস ডায়েরি করতে পারেননি এবং বিবাদীগণ তাকে ডাক্তার দেখানোর সুযোগও দেয়নি। এর পরপরই বিবাদীগণ আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে এবং শোবি বেগম ও তার পরিবারকে জেলের ভাত খাওয়ানোর উদ্দেশ্যে একটি সাজানো নাটক সাজান। বিবাদীগণ জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে জগন্নাথপুর থানার বাইরে অন্য কোনো স্থান থেকে অন্যের নামে নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ক্রয় করে নিজেদের মতো মনগড়া বিবরণ লিখে শোবি বেগম এবং তার পিতা, স্বামী ও ভাইয়ের বিরুদ্ধে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে সুনামগঞ্জ মানব পাচার আদালতে একটি মিথ্যা পিটিশন মামলা দায়ের করেন যার নাম্বার ০৬/২০২৬ইং। উক্ত মামলায় আদালত জগন্নাথপুর থানাকে এফআইআর এর নির্দেশ দিলে শোবি বেগম পূর্বে ছিনতাই হওয়া ৩টি চেক এবং ৩টি স্ট্যাম্প উদ্ধারের জন্য সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি পিটিশন মামলা দায়ের করেন যার নাম্বার ১৬০/২০২৬ইং।

শোবি বেগম তার আবেদনে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন যে বিবাদীগণ নিজেদের অপরাধ লুকাতে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে তাদের ফাঁসিয়েছে। মামলার বিবরণীতে বিবাদীগণ উল্লেখ করেছেন যে শোবি বেগমের আপন ২ ভাই লিবিয়াতে মানুষ আটকে রেখে প্রায় ৭০,০০,০০০ টাকা আত্মসাৎ করেছে এবং সেখানে লিবিয়ায় নির্যাতন চালিয়েছে। অথচ শোবি বেগম জানান যে তার ২ ভাই লিবিয়ায় জীবিত আছে নাকি মারা গেছে সে বিষয়ে তারা দীর্ঘদিন ধরে কোনো খবর বা তথ্য পাননি। ভাইয়ের শোকে তারা যখন স্তব্ধ, তখন তাদের ওপর এই মিথ্যা মামলা দিয়ে চরম হয়রানি করা হচ্ছে। তাছাড়া উক্ত মিথ্যা মামলায় ১নং সাক্ষী হিসেবে মোঃ সোমন হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে দেখানো হয়েছে যার কাছ থেকে শোবি বেগম টাকা ধার নিয়েছিলেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। শোবি বেগম স্পষ্ট করেন যে তিনি ব্যাংক মারফতে উক্ত সোমন হোসেনের কাছ থেকে টাকা নিলেও তা পরবর্তীতে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে ফেরত দিয়েছেন। অথচ সেই ব্যাংকের ডকুমেন্টস জালিয়াতি করে এই মিথ্যা মামলায় ব্যবহার করা হয়েছে।

এই জঘন্য জালিয়াতি, মারধর, জোরপূর্বক চেক ও স্ট্যাম্প ছিনতাই এবং মিথ্যা মানব পাচার মামলার হাত থেকে বাঁচতে এবং সত্য রহস্য উদঘাটনের লক্ষ্যে মোছাঃ শোবি বেগম পুলিশ সুপার, জেলা প্রশাসক এবং আইজিপি বরাবর সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের আবেদন জানিয়েছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে একটি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে বিবাদীদের আসল চেহারা উন্মোচিত হবে এবং তিনি ও তার পরিবার এই মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়ে ন্যায়বিচার পাবেন।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com