1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪৭ অপরাহ্ন
Title :
সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দর বৃদ্ধির শীর্ষে উঠে এসেছে ওরিয়ন ইনফিউশন সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দরপতনের শীর্ষে বিডি থাই ফুড ডিজিটাল টিকিটিংয়ে স্বচ্ছতা ও পরিবহন পরিকল্পনায় নতুন সুযোগ ইসলামী ব্যাংকের ৪৩তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত নতুন ব্যবসায় ১০ লাখ ঋণের সঙ্গে ১০ লাখ টাকা অনুদান পাবেন তরুণ উদ্যোক্তারা আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজারে আসতে কোম্পানিগুলোকে বিএসইসির আহ্বান শাওমি নিয়ে এলো রেডমি নোট ১৭ সিরিজ প্রতিদিনের লাইফস্টাইলে পারফেক্ট ফিট ভিভো ভি৮০ লাইট ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়তে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ডাস্টবিন ও গাছের চারা বিতরণ করলেন বরিশাল সদর উপজেলা প্রশাসন নবীনগর বাজার থেকে ইয়াবাসহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার ১

গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের সিলেট টিটিসির প্রতারক ড্রাইভার বিল্লাল আটক, ২ ঘন্টার পর মুছলেকা দিয়ে মুক্তি

  • আপডেট : রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ২.৩৪ পিএম
  • ১৯৯ Time View

সিলেট প্রতিনিধি: দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের সিলেট- ৩ আসনের এমপি মালেকের নাম বাঙিয়ে বেপরোয়া সিলেট টিটিসি ড্রাইভার বিল্লাল হোসেন কে আটক করেছে বুধবার সন্ধ্যায় সিলেটের মোগলাবাজার থানা পুলিশ। সূত্রে জানা যায়, পুলিশ টানা ২ ঘন্টা থানায় আটক রেখে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে থাকে,এবং বিভিন্ন তথ্যে মিল পাওয়াতে তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ওই সময় বিল্লাল হোসেন নানা ভুল তথ্য দেওয়াতে পুলিশের আরও বেশি সন্দেহ হয়।

বিল্লাল হোসেন পুলিশের হাত থেকে বাচতে ফেঞ্চুগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ এম.এ রহিমকে ফোন করে থানা থেকে রক্ষার আকুতি জানান। অধ্যক্ষ এম.এ রহিম তাৎক্ষণিক এমপি এম. মালেককে ফোন দিয়ে সমাঝোতার মাধ্যমে ক্ষমা চেয়ে থাকেন। অধ্যক্ষ এম.এ. রহিমের বিশেষ অনুরোধে এমপি মালেক থানায় ফোন করে মুক্তির ব্যবস্থা করে দিলে আলোচিত সেই ড্রাইভার বিল্লাল হোসেন মুছলেকার মাধ্যমে মুক্তি পান বলে জানা গেছে।

এ ব্যাপারে ফেঞ্চুগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ এম.এ রহিম এর সাথে কথা বলে তিনি জানান, ড্রাইভার বিল্লাল হোসেন মুলত সিলেটস্থ আলমপুর সরকারি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষের ড্রাইভার হিসেবে কর্মরত আছে, থানায় আটক হওয়ার পর তার কর্মস্থলত অধ্যক্ষ সহযোগীতা না করায় আমাকে ফোনে কান্নাকাটি করার পর, আমি বর্তমান এমপি মহোদয়কে বিশেষ অনুরোধ করে থাকি তাকে মুক্ত করে দেওয়ার জন্য,এমপি মহোদয় আমার অনুরোধে থানায় ফোন করে ছাড়িয়ে দিয়ে থাকেন।

এ ব্যাপারে মোগলাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে কয়েক ফোন করা হলে তাকে ফোনে পাওয়া যায় নাই। এদিকে আলমপুরস্থ সিলেট টিটিসির অধ্যক্ষ নাহিদ নিয়াজকে ফোন দিলে তিনি এ বিষয়য়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।

উল্লেখ্য অভিযোগে জানা যায়, বিগত কয়েক দিন ধরে সিলেট টিটিসিতে কর্মরত ড্রাইভার বিল্লাল হোসেন সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম. মালেকের একজন নিকট আত্মিয়ের পরিচয়ের দিয়ে নানা জায়গায় ক্ষমতার অপব্যবহার করার অভিযোগ উঠে থাকে। ইতিপূর্বে  সিলেট টিটিসিতে ২০ বছর ধরে কর্মরত দুনীর্তিবাজ কোটি টাকার ড্রাইভার কাজি বিল্লাল হোসেন বদলীর দাবিতে প্রবাসী মন্ত্রীর কাছে স্বারকলিপি প্রদান করা হয়। সামাজিক সংগঠন সিলেট নাগরিক অধিকার পরিষদের পক্ষ  থেকে ৮ জুন ২০২৬ইং (সোমবার) সকাল ১১ টায় সংগঠনের সদস্যরা সিলেট জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্বারকলিপি প্রেরণ  করেন কিন্তু তাতে কোন লাভ হয়নি এখনও স্বপদে বহাল। স্বারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা গুরুত্ব প্রবাসী অধ্যুষিত সিলেট জেলার বেকারত্ব দূরীকরণে বিশেষ করে সিলেট সরকারি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি’র) অবদান অতুলনীয়। কিন্তু কিছু সংখ্যক সিলেট বিদ্বেষী,দুনীতিবাজ কর্মকর্তা,কর্মচারীরা আওয়ামী স্বৈরাচারী মনোভাব নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে সিলেট টিটিসিতে আধিপত্য বিস্তার করে দখল করে রেখেছেনে। বিগত আওয়ামীলীগ সরকার আমল থেকে সিলেট টিটিসিতে ড্রাইভার কাজি বিল্লাল হোসেন দলীয় ভাবে আদিপত্য বিস্তার ও ক্ষমতার ধাপট লাগামহীন ভাবে ধরে রেখে ছিলেন। তিনি বিগত ২০০৬ সালের নভেম্বর হতে অদ্যবদি পর্যন্ত বহাল তাবিয়তে রয়েছেন। বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে স্থানীয় এমপি ও মন্ত্রীদের সুপারিশ কাজে লাগিয়ে টানা ২০ বছর ধরে টিটিসিতে কর্মরত আছেন। দীর্ঘ দিন একই প্রতিষ্ঠানে কমর্রত থাকার ফলে নানা ভাবে দুর্নীতি, সিলেটের স্থানীয় জনসাধাণের সাথে দূর্ব্যবহার, সিলেটের আঞ্চলিক ভাষা নিয়ে বিরূপ হাসি-টাট্টা, দেশী-বিদেশী পুরুষ, মহিলা তরুণীদের চরিত্র নিয়ে কটাক্ক করে থাকনে। সিলেটে তিনি দীর্ঘ দিন কমর্রত থাকার সুবাধে সিলেটে টিটিসির আশ-পাশ এলাকা ও অফিসে কর্মকর্তা, কর্মচারীদের রয়েছে বিশাল এক সিন্ডিকেট। তার রয়েছে সিলেটের দক্ষিণ সুরমা এলাকার গোঠাটিকরে করেছেন ১ কোটি টাকার বাড়ি, রয়েছে সিলেটি নাম্বারের ১০ টি অটো রিক্সা সিএনজি, আর রয়েছে নামে বেনামে নানা ব্যবসা বাণিজ্য। সিলেট টিটিসিতে ভর্তি বাণিজ্য থেকে শুররু করে সর্ব ক্ষেত্রে তাকে দিতে হয় ভাগ বাটোয়োরা। বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের আমালে সিলেট টিটিসিতে আসা প্রবাসী কল্যাণ মান্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সচিব ও মন্ত্রীদের অনুসারিদের নিয়ে আগমনে তার গাড়ি দিয়ে সিলেটের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র ঘুরিয়ে দেখাতেন ওই ড্রাইভার কাজি বিল্লাল এবং সেই সুযোগে এসব বড় কর্তাদের ঘনিষ্ট হয়ে বিগত ২০ বছরে আঙ্গুল ফুলে কালা গাছ হয়ে উঠেছেন। নিরবে তিনি টাকার পাহাড় গড়ে তুলেছেন। একই প্রতিষ্ঠানে ২০ বছর ধরে কমর্রত তার স্ত্রী (ডিজেল/অটো) ওয়ার্কসপ এটেনডেন্ট ফাতেমা আক্তার। আরো উল্লেখ করা হয়, সিলেট নাগরিক অধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের আহমদ গত ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫ইং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় বরাবরে ড্রাইভার কাজি বিল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করিলে সম্প্রতি চলতি বছরের এপ্রিল ২০২৬ইং একজন তদন্ত কমিটি প্রতিনিধি সিলেট টিটিসিতে আসেন। দুর্নীতিবাজ কাজি বিল্লাল হোসেন পূর্ব পরিকল্পতি তার মনোনিত টিটিসি থেকে ৪ জনকে স্বাক্ষী দিয়ে তার পক্ষে সাফাই গিয়ে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে আগত উপ পরিচালক (প্রশিক্ষণ পরিচালনা) দায়িত্বরত প্রকৌ. বি.এম. শরিফুল ইসলাম  ১লক্ষ টাকা ঘুষের বিনিমিয়ে তার পক্ষে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ করে ওই দিন কাজী বিল্লাল হোসেন উপ পরিচালক (প্রশিক্ষণ পরিচালনা) দায়িত্বরত প্রকৌ. বি.এম. শরিফুল ইসলাম কে যে কয় দিন সিলেটে থেকে বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র ঘুরে দেখেছেন সম্পূর্ণ খরচ কাজি বিল্লাল হোসেন বহন করেছেন। ওই দুনীতিবাজ ড্রাইভার কাজি বিল্লাল হোসেনকে সিলেট থেকে বদলীর দাবিতে সিলেটবাসীর পক্ষে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর কাছে স্বারকলিপির মাধ্যমে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com