1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২২ পূর্বাহ্ন
Title :
বাংলাদেশের দুর্গম চরাঞ্চলে ৮ লাখের বেশি রোগীকে স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছে লাইফবয় ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল চুয়াডাঙ্গায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের ছাত্রশিবিরের সংবর্ধনা নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে সাঁওতাল কিশোরী রিয়াস সরেনের রহস্যজনক মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ঢাকায় মানববন্ধন শিক্ষার্থীর শেখার ফলই হবে প্রাথমিক শিক্ষার সাফল্যের মূল মাপকাঠি: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ গ্রামীণ অর্থনীতিতে প্রাণচাঞ্চল্য এনেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়- আসাদুল হাবিব দুলু এমপি কুমিল্লায় এসআরবি-১১ এর অভিযানে ২৩৫০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট’সহ আটক-১ বিওয়াইডি (BYD) গাড়ি ক্রয়ে গ্রাহকদের বিশেষ অটোলোন সুবিধা দেবে আইএফআইসি ব্যাংক গোলাপগঞ্জ প্রেসক্লাব নির্বাচনে ১৭ পদে, ৪৭ জনের মনোনয়নপত্র গ্রহণ নবীনগরের গোলাপীকে শাহবাগের ফুটপাট থেকে নিয়ে নিজ গ্রামে ঘর করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নবীনগর পশ্চিমাঞ্চল প্রেসক্লাবের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

রাস্তাবিহীন ৫৭ লাখ টাকার সেতু—নয় বছরেও সংযোগ সড়ক নেই, গোবর শুকানোর মাঠে পরিণত ব্রিজ

  • আপডেট : শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৫, ৫.২৩ পিএম
  • ১৯৫ Time View

মোঃ আব্দুল্লাহ হক, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি: চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার কুমার নদের ওপর নির্মিত ৫৭ লাখ টাকার সেতুটি নয় বছরেও মানুষের কোনো কাজে আসছে না। সংযোগ সড়ক না থাকায় সেতুর ওপর বর্তমানে শুকানো হচ্ছে গরুর গোবর। ফলে স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

কালিদাসপুর ইউনিয়নের আসাননগর ও বকশিপুর গ্রামের সংযোগ স্থাপনের লক্ষ্য নিয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের কালভার্ট কর্মসূচির আওতায় ৬০ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতুটি নির্মাণ করা হয়। প্রায় ৫৬ লাখ ৮৯ হাজার টাকা ব্যয়ে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর মাসে কাজ শুরু হয়ে ২০১৭ সালের জুনে প্রায় ৯০ শতাংশ কাজ শেষ হয়। তবে সেতুর দুই প্রান্তের সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়নি। ফলে সেতুটি দীর্ঘদিন ধরে ‘অব্যবহৃত কাঠামো’ হিসেবেই পড়ে আছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সেতুর দুই পাশে রাস্তা না থাকায় স্থানীয়রা এখনো ৫–১০ কিলোমিটার ঘুরে আলমডাঙ্গা শহরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। অথচ সেতুটি চালু হলে ১০টি গ্রামের মানুষ কয়েক মিনিটেই যাতায়াত করতে পারতেন। আশপাশের বৃদ্ধাশ্রম, মাদরাসা, স্কুল–কলেজের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন প্রতিনিয়ত।

স্থানীয় কৃষক নজরুল ইসলাম বলেন, “সেতু আছে, কিন্তু রাস্তা নেই। ফসল মাঠ থেকে আনতে কষ্ট হয়, খরচও বাড়ে।”

আসাননগর গ্রামের বাবুল হোসেন জানান, “সংযোগ সড়ক থাকলে দুই পাশের মানুষের যাতায়াত সহজ হতো। এখন সেতুটি গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে।”

প্রকাশ নামে আরেক বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “মনে হচ্ছে ৫৭ লাখ টাকা খরচ করে গোবর শুকানোর জায়গা বানানো হয়েছে।”

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মৌদুদ আলম খাঁ জানিয়েছেন, তিনি সম্প্রতি দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন এবং সমস্যাটি পূর্বে জানতেন না। তিনি বলেন, “সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। দ্রুত সেতুটিকে চলাচলের উপযোগী করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

সংযোগ সড়ক না হওয়ায় প্রায় এক দশক ধরে অব্যবহৃত পড়ে থাকা এ সেতুটি এখন এলাকার মানুষের ভোগান্তির অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয়দের আশা—অতি দ্রুত সড়ক নির্মাণ করে এই সেতুটিকে পূর্ণাঙ্গভাবে কাজে লাগানো হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com