দেশে ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের জনপ্রিয়তা ব্যাপক হারে বাড়ছে। অনেকেই এখন বিভিন্ন আর্থিক সেবা পেতে কম্পিউটার ও মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করছে। চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জানুয়ারি-মে) মোবাইল ব্যাংকিংয়ে লেনদেন হয়েছে ১
দেশে নিত্যপণ্যসহ প্রায় সব ধরনের খাদ্যের দাম বেড়েছে। বাজারের ঊর্ধ্বগতিতে চাপ বাড়ছে নিম্ন ও মধ্যবিত্তের ওপর। সরকারি সংস্থা পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্যই বলছে, মার্চে গড় মূল্যস্ফীতির হার বৃদ্ধি পেয়ে ৯
কার্ডের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেন চলতি বছরের মে মাসে সর্বকালের সর্বোচ্চ ৬৬০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতির মধ্যে বিদেশ ভ্রমণ ও চিকিৎসার
সব এলাকায় ব্যাংকের শাখা না থাকলেও এখন সারা দেশের মানুষ ব্যাংকিং সেবা পাচ্ছে। ব্যাংকগুলো শাখার পরিবর্তে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মতো বিকল্প সেবার মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে সারাদেশে। এর ফলে ব্যাংকগুলোর পরিচালন ব্যয়
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ গণনায় আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ হিসাব পদ্ধতি বাস্তবায়ন করলো বাংলাদেশ ব্যাংক। এর ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৩৫৬ কোটি ডলারে। বৃহস্পতিবার (১৩
টাকা লেনদেন ও পাঠানোর সুবিধার কারণে দেশে মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। এর ফলে এই ব্যাংকিংয়ে দেশে প্রতিদিনই বাড়ছে গ্রাহক। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে লেনদেনের পরিমাণও। চলতি
টাকা ও রুপিতে লেনদেন নিশ্চিতে চলতি বছরই বাংলাদেশ ও ভারত ডুয়েল কারেন্সি কার্ড চালু করবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার। ভারতের সাথে আন্তঃবাণিজ্যের ক্ষেত্রে রুপিতে লেনদেন শুরু
বেসরকারি খাতের ইসলামী ব্যাংকের মালিকানা থেকে সরে গেছে তিনটি কোম্পানি। কোম্পানিগুলো হলো আরমাডা স্পিনিং মিলস, কিংসওয়ে এনডেভরস এবং ইউনিগ্লোবস বিজনেস রিসোর্সেস। গত জুন মাসেই প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যাংকটির শেয়ার বিক্রি করে দেয়
করোনার সময় থেকেই দেশের অর্থনীতিতে অস্থিরতা বিরাজ করছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ সংকট আরও বাড়িয়ে তুলেছে। অর্থনীতির নানা চাপ সামাল দিতে ব্যাংক খাত থেকে রেকর্ড পরিমাণ ঋণ নিয়েছে সরকার। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে
চলতি জুলাই মাসের প্রথম ৭ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ৪৬ কোটি ৫৬ লাখ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রতি ডলার ১০৮ টাকা ৫০ পয়সা ধরে যার পরিমাণ ৫ হাজার ৫১ কোটি ৭৬