ব্যাংকগুলো চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) কৃষি ও পল্লীঋণ খাতে ৬ হাজার ৫৮৪ কোটি ৩৭ লাখ টাকা ঋণ বিতরণ করেছে। যা লক্ষ্যমাত্রার ২১ দশমিক ৩০ শতাংশ। ঋণ বিতরণের
দেশ থেকে বিভিন্ন দেশে অর্থপাচার করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে অর্থপাচার রোধ ও পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফেরাতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এলক্ষ্যে রিসার্চ সেল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া পররাষ্ট্র
আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসের মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। বিবিএসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আগস্টে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৯ দশমিক ৫২ শতাংশ। সেপ্টেম্বরে তা কিছুটা কমে ৯ দশমিক ১০
প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের আওতায় বাজারে চালু থাকা ইউএস ডলার প্রিমিয়াম বন্ড ও ইউএস ডলার ইনভেস্টমেন্ট বন্ডে বিনিয়োগে বাধ্যতামূলক পরিচয়পত্র প্রত্যাহার করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সোমবার (২৪ অক্টোবর) বাংলাদেশ
প্রবাসী আয়ের নগদায়নের হার আরও কমালো। বাংলাদেশ অথরাইজড ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলারস অ্যাসোসিয়েশন (বাফেদা) ও অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি) রেমিট্যান্সের ডলারের দাম ৫০ পয়সা কমিয়ে ১০৭ টাকা করেছে। এর প্রভাব
সেপ্টম্বরের মতো চলতি মাসেও প্রবাসী আয় কমে গেছে। অক্টোবরের প্রথম ২০ দিনে দেশে রেমিট্যান্স আয় এসেছে ১১০ কোটি মার্কিন ডলার। প্রতি ডলার ১০৩ টাকা হিসাবে বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায়
৫০০ টাকা মূল্যমানের নতুন ব্যাংক নোট বাজারে ছাড়ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদারের স্বাক্ষর করা এ নোট সোমবার (২৪ অক্টোবর) থেকে পাওয়া যাবে। রোববার (২৩ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের
অর্থনৈতিক অঞ্চলে এক সঙ্গে বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাচ্ছে ১৪ শিল্পের কারখানা। একই সঙ্গে আরও ২৯ কারখানার নির্মাণ কাজ শুরু হচ্ছে। বুধবার (২৬ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব ইজেডে শিল্প-কারখানা ও অবকাঠামোর
ডলার সংকটের মধ্যে মরার ওপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দেখা দিয়েছে রেমিট্যান্সের নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি। চলতি অর্থবছরের শুরুতে আশা দেখালেও ধারাবাহিকভাবে কমছে প্রবাসী আয়। গেল সেপ্টেম্বর মাসের ধারাবাহিকতায় চলতি মাসেও প্রবাসী আয়ে
ডলার সংকটে বড় ধরনের শঙ্কার মধ্যে পড়েছে দেশের অর্থনীতি। চাপ সামাল দিতে সরকার আমদানি ব্যয় সংকোচনসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। সংকট সমাধানে বাংলাদেশ ব্যাংকও নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। এরই মধ্যে খোলা বাজারে