চলতি বছরের অক্টোবরে রপ্তানি আয় কমেছে। মাসটিতে ৪৩৫ কোটি ৬৬ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলারের পণ্য অন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি হয়েছে। আগের বছরের অক্টোবরের তুলনায় ৩৭ কোটি ৯ লাখ ১০ হাজার
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নিয়ে উদ্বেগ কমছে-ই না। থামছে না আলোচনা ও বিতর্ক। এর মধ্যেই উদ্বেগ বাড়ানোর নতুন আভাস দিচ্ছে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) সম্ভাব্য পেমেন্ট। ওই পে-মেন্টের পর রিজার্ভ
ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম আবারো বাড়ানো হয়েছে। ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ২৫১ টাকা, যা আগে ছিল ১ হাজার ২০০ টাকা। অর্থাৎ
চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের কাছে ১ হাজার ৮৯৩ কোটি ৪২ লাখ টাকা বিদ্যুৎ বিভাগের পাওনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল
ব্যাংকের আমানতকারীরা খারাপ সময় পার করছেন। আমানত রেখে অনেক কম মুনাফা পাওয়া যাচ্ছে। উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিবেচনায় ব্যাংকে টাকা রেখে লোকসান গুনতে হচ্ছে। গত জুন শেষে আমানতের গড় সুদহার নেমে এসেছে
সেপ্টেম্বরের মতো অক্টোবরেও রেমিট্যান্সে বড় ধাক্কা লেগেছে। অক্টোবরে রেমিট্যান্স এসেছে ১৫২ কোটি ৫৪ লাখ মার্কিন ডলার। যা গত ৮ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। এ ছাড়া এক মাসের ব্যবধানে রেমিট্যান্স কমেছে ১
এখন থেকে সরাসরি ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠালেও প্রতি ডলারে ১০৭ টাকা পাবেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। বর্তমানে যেখানে ৯৯ টাকা ৫০ পয়সা পাচ্ছেন তারা। একই সঙ্গে ব্যাংকগুলো আপাতত রেমিট্যান্স আহরণ বাবদ
উন্নয়নশীল দেশ থেকে অর্থ পাচার হয়, বাংলাদেশ থেকেও অর্থপাচার হয়। এটি ফেরানো সম্ভব নয়। কোনো কোনো পণ্যে ২০০ শতাংশ পর্যন্ত ওভার ইনভয়েসিং করে এ অর্থপাচার করা হয়। তবে কি পরিমাণ
কেন্দ্রীয় ব্যাংক ক্রিপ্টোকারেন্সি নিষিদ্ধ করলেও বাংলাদেশে লেনদেন চলছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। সোমবার (৩১ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকে বিএফআইইউর বার্ষিক প্রতিবেদনে এ সব তথ্য ওঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা
দেশের ব্যাংক খাতে ব্যাপকহারে বাড়ছে বেনামি ঋণ। এতে আর্থিক খাতে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে খাতটির বিপদগ্রস্ত ঋণের পরিমাণ জানতে চেয়েছে আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (আইএমএফ)। সেই সঙ্গে ব্যাংক খাতের