জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অধীন পেট্রোবাংলা জন্য এলএনজি আমদানির লক্ষ্যে তিনটি আলাদা আলাদা প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এর মধ্যে এলএনজি আমদানির জন্য দুটি ড্রাফট এগ্রিমেন্ট
সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত কমিটি ১৪ হাজার ৩৬৪ কোটি ১২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫০ টাকা ব্যয়ে ২৪টি প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে। বুধবার (২৫ অক্টোবর) সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এসব প্রস্তাবের
চলতি অর্থবছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ইক্যুইটি এন্টারপ্রেনারশিপ ফান্ডের (ইইএফ) এক হাজারের বেশি প্রকল্পে ১ হাজার ৬২৪ কোটি টাকা ঋণ সহায়তা দেওয়া হয়েছে। তাতে ঋণের অর্থে প্রায় ৫৬ হাজার জনের স্থায়ী ও
বিশ্বের বেশ কিছু মুদ্রার বিপরীতে মান কমেছে মার্কিন ডলারের। বিপরীতে বেড়েছে বিটকয়েনের দাম। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সর্বশেষ সূচকে শনিবার (২১ অক্টোবর) ডলারের মান ছিল ১০৫ দশমিক ৪৭।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত আগস্টে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে লেনদেন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৪৩৭ কোটি টাকা। যা আগের মাস জুলাইয়ে ছিল ২ হাজার ৩৪১ কোটি টাকা। সে হিসাবে এক
ডলার সংকট কাটাতে ইতিমধ্যে বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এরপরও সংকটের সমাধান হয়নি। সেপ্টেম্বরের মতো চলতি মাসেও রেমিট্যান্সের নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি বজায় রয়েছে। এ মাসের প্রথম ২০ দিনে প্রবাসীরা ১২৫
প্রবাসী বাংলাদেশিদের রেমিট্যান্স আনতে সরকারের ২.৫ শতাংশ প্রণোদনার পাশাপাশি অতিরিক্ত আরও ২.৫ শতাংশ প্রণোদনা দেবে ব্যাংকগুলো। অর্থাৎ বৈধপথে দেশে বৈদেশিক আয় পাঠালে মোট ৫ শতাংশ প্রণোদনা পাবেন তারা। প্রবাসী আয়ে
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বা মজুত প্রতিনিয়ত কমছে। এবারে এক সপ্তাহের ব্যবধানে রিজার্ভ কমেছে প্রায় ১১ কোটি ডলার। এতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে রিজার্ভের পরিমাণ কমে ২১ বিলিয়ন বা ২ হাজার ১০০
দেশের ডলার সংকটের মাঝে দুঃসংবাদ নিয়ে হাজির হয়েছে রিজার্ভের নতুন তথ্য। প্রয়োজনীয় আমদানি ব্যয় মেটাতে রিজার্ভ থেকে নিয়মিত খরচ করায় তা এখন ২০ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত এ
দেশে ডলারের সংকট। এর অন্যতম কারণ- রপ্তানিকারকদের রপ্তানি আয় পুরোপুরি দেশে না আসা। গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৫৫ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। রপ্তানিকারকরা দেশে এনেছে ৪৬ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ এক