1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:০২ অপরাহ্ন
Title :
আজ বসছে ত্রয়োদশ সংসদের তৃতীয় অধিবেশন নবীনগরে ডিম কম হওয়ায় স্ত্রী-সন্তানদের উপর অভিমান করে স্বামীর আত্মহত্যা ছাতক থেকে সিলেটে পর্যন্ত  রেলপথ সংস্কারের প্রকল্প মেয়াদ শেষ হলেও, কাজ হয়েছে মাত্র ২০ শতাংশ টার্নওভার কর নিয়ে সিদ্ধান্ত বদল, ১ শতাংশ থেকে কমছে দশমিক ৫ শতাংশে সিগারেটে জাল ব্যান্ডরোল, বিউটি টোব্যাকো সিলগালা করল এনবিআর ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: পাঁচ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করল বিএনপি সিলেটে প্রতিনিয়ত বাড়ছে ডেঙ্গুরোগী, বর্তমান রোগীর সংখ্যা- ১৭২ ভাইদের প্রতারনার প্রতিবাদে বোনের সংবাদ সম্মেলন কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়ায় সংঘবদ্ধ মহিলা চোরচক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার, চুরি যাওয়া স্বর্ণের চেইন উদ্ধার কুমিল্লা দাউদকান্দিতে ৭ কেজি গাঁজাসহ দুই নারী গ্রেপ্তার

১৫ বছরে ব্যাংক থেকে লোপাট ৯২,২৬১ কোটি টাকা

  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৪, ৭.৪০ এএম
  • ১৫৯ Time View

২০০৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে গত ১৫ বছরে দেশের ব্যাংকখাত থেকে ৯২ হাজার ২৬১ কোটি টাকা লোপাট হয়েছে। এ অর্থ গত অর্থবছরের বাজেটের ১২ শতাংশ। অন্যদিকে এসময়ে খেলাপি ঋণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৮২ হাজার ২৯৫ কোটি টাকা।

আজ সোমবার (১২ আগস্ট) সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত ‘ব্যাংকিং খাতের সুশাসন ফিরিয়ে আনতে করণীয়’ শীর্ষক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন এ তথ্য তুলে ধরেন। রাজধানীর ধানমণ্ডিতে সিপিডি কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে সংস্থাটির সম্মানীয় ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান ও গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম উপস্থিত ছিলেন।

ফাহমিদা খাতুন আরও বলেন, ২০০৯ সালে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ২২ হাজার ৪৮১ কোটি টাকা, যা চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৮২ হাজার ২৯৫ কোটি টাকায়। ২০১৬ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির বিষয়টির এখনো তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ করার জন্য সিআইডি ৭৯ বার সময় নিয়েছে।

ফাহমিদা খাতুন বলেন, ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতা খর্ব করা, নিয়মনীতি না মেনে বেসরকারি ব্যাংকের লাইসেন্স দেওয়াই ব্যাংকখাতের মূল সমস্যা। এছাড়া ব্যাংকগুলোতে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা, বোর্ডের সদস্য নির্বাচন করা, ব্যাংক ঋণ স্যাংকশন করার প্রক্রিয়া, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড পালনে দুর্বলতা ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক পুরোপুরি স্বাধীনতা হারিয়ে ফেলা সংকটকে ঘনিভূত করেছে।

ফাহমিদা খাতুন বলেন, কয়েকজন মিলে পুরো ব্যাংকখাত নিয়ন্ত্রণ করছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওপর তারা নিয়ন্ত্রণ করছে। নীতিমালা তৈরি করছে। অনেক খেলাপি ঋণের মামলা জমে গেছে। ব্যাংকখাত দুর্বল হচ্ছে, কারণ ব্যাংকিং কোম্পানি অ্যাক্ট পরিবর্তন করা হয়। আইনের ফাঁকফোকরে অনেক ঋণ খেলাপি বের হয়ে যায়। গত ১৫ বছরে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরসহ প্রশাসনিক দায়িত্বপ্রাপ্তরা বিশেষ গোষ্ঠীকে সুবিধা দিতে অনেক নিয়মের ব্যত্যয় ঘটিয়েছেন। এতে একটি বিশেষ গোষ্ঠীকে হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com