1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ন
Title :
জীবননগর সীমান্ত দিয়ে ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশের সময় ৮ বাংলাদেশি নারী আটক মাধবপুর গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করছে পুলিশ চ্যানেল আইয়ের ‘আমরাই বাংলাদেশ’ টকশোতে সাইফুল ইসলাম সোহেল ও চিত্রনায়ক ডিএ তায়েব টাঙ্গাইলে নিহত বাস মালিকদের পরিবারকে অনুদান ও সম্মাননা প্রদান টাঙ্গাইলে ভাষা কর্মশালা ও পুরষ্কার বিতরণ সড়ক নিরাপত্তায় বিশেষ অবদান রাখায় নিসচা বিশেষ সম্মাননা পেলেন লায়ন গনি মিয়া বাবুল মার্কেন্টাইল ব্যাংকের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান হলেন আনোয়ারুল হক সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে লেনদেনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দরপতনের শীর্ষে সেনা ইন্স্যুরেন্স সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দরবৃদ্ধির শীর্ষে নিটল ইন্স্যুরেন্স

দেশে চলাচলকারী ১৯ শতাংশ বাসের নিবন্ধন নেই

  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৫ মার্চ, ২০২৪, ২.২৪ পিএম
  • ১৬৮ Time View

দেশের বিভিন্ন রুটে চলাচল করা ১৯ শতাংশ বাসের নিবন্ধন নেই বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। একইসাথে ২৪ শতাংশ বাসের ফিটনেস, সাড়ে ১৮ শতাংশ বাসের ট্যাক্স টোকেন ও ২২ শতাংশ বাসের রুট পারমিট নেই বলেও জানায় সংস্থাটি।

মঙ্গলবার (০৫ মার্চ) সকালে ধানমন্ডির টিআইবি কার্যালয়ে ব্যক্তি মালিকানাধীন বাস পরিবহন ব্যবসায় শুদ্ধাচার শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়।

টিআইবির গবেষক মুহা. নূরুজ্জামান ফারহাদ, ফারহানা রহমান ও মোহাম্মদ নূরে আলম গবেষণা প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন।

নিয়মানুযায়ী, দেশের সড়কে বাণিজ্যিকভাবে চলাচলকারী প্রত্যেকটি বাসের জন্য নিবন্ধন ও তিন ধরনের সনদ বাধ্যতামূলক। কিন্তু ৪১ শতাংশ বাসকর্মী ও শ্রমিকদের মতে, সংশ্লিষ্ট কোম্পানির এক বা একাধিক বাসের নিবন্ধনসহ কোনো না কোনো সনদের ঘাটতি রয়েছে।

পাশাপাশি শ্রমিকদের মজুরি নিয়েও চলে নানান বাহানা। গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, বাস শ্রমিকদের প্রতিদিন প্রায় ১১ ঘণ্টা কাজ করতে হয়। আর তাদের মধ্যে ৮২ শতাংশের কোনো নিয়োগপত্র নেই, প্রায় ৭০ শতাংশের নেই নির্ধারিত মজুরি।

যাত্রী সেবা প্রসঙ্গে সংস্থাটির দাবি, জরিপে অংশগ্রহণকারী ৭৫ দশমিক ৮০ শতাংশ যাত্রী, ৪৮ শতাংশ শ্রমিক এবং ৫১ দশমিক ৮০ শতাংশ মালিক বাসের মাত্রাতিরিক্ত গতিকে দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

এর মধ্যে সিটি সার্ভিসের ক্ষেত্রে এ হার ৪৬ শতাংশ এবং আন্তঃজেলার ক্ষেত্রে ১৯ দশমিক ২০ শতাংশ গাড়ি চালক, কন্ডাক্টর/হেলপার/সুপারভাইজার মদ্যপান বা নেশা জাতীয় দ্রব্য সেবন করে বাসে দায়িত্ব পালন করেন।

নির্দেশনার যথাযথ প্রয়োগের অভাবে চলন্ত বাসে চালকরা ফোন ব্যবহার করেন। এর ফলে অনেকসময় প্রাণহানিসহ দুর্ঘটনা ঘটে বলেও জানানো হয়।

তবে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান এবং গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের সঙ্গে বিআরটিএ এর প্রকাশিত তথ্যের গড়মিল হয় বলে দাবি করছে টিআইবি।

বিআরটিএ এর তথ্যানুযায়ী, ২০২৩ সালে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৫ হাজার ২৪ জন এবং যাত্রী কল্যাণ সমিতির তথ্যানুযায়ী এ সংখ্যা ৭ হাজার ৯০২ জন।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com