1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৫ অপরাহ্ন
Title :
তিন মাসে রপ্তানি আয় ১ হাজার ৩০৯ কোটি ডলার, প্রবৃদ্ধি ৬.৩৪% রপ্তানিমুখী শিল্পে প্রি-শিপমেন্ট ঋণের তহবিল বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক সেপ্টেম্বরে রপ্তানি আয় বেড়েছে সাড়ে ৮%, রেমিট্যান্স ৩% ধানমন্ডিতে ২৪ হাজার ৩২১ বর্গফুটের বাণিজ্যিক স্পেস কিনবে ইবনে সিনা পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ রূপগঞ্জে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের ওপর হামলা, রক্তাক্ত জখম ও টাকা ছিনতাই মেশিনারিজের আড়ালে অবৈধভাবে এসি আমদানি করছে হায়ার বাংলাদেশ ‎নবীনগর কেন্দ্রীয় মহাশ্মশানে মাদকাসক্ত যুবককে গাঁজা খেতে না দেওয়ায় পূজায় বাধা, ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্সে ৩% প্রবৃদ্ধি, এসেছে ২৭৬.৬ কোটি ডলার জুলাই-আগস্টের অনলাইন ভ্যাট রিটার্নে সময় বাড়ল, শেষ সময় ১৫ অক্টোবর

পদ্মা সেতুতে রেল চলাচল উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৩, ২.০৭ পিএম
  • ৩২২ Time View

পদ্মা সেতু হয়ে রেল চলাচল উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) দুুপুর সাড়ে ১২টার দিকে স্বপ্নের পদ্মা সেতুর রেল সংযোগে ট্রেন চলাচল উদ্বোধন করেন তিনি। এর আগে সকাল ১০টার দিকে গণভবন থেকে মাওয়ার উদ্দেশে যাত্রা করেন প্রধানমন্ত্রী৷

দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের আরেকবার দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান হলো পদ্মা সেতু হয়ে রেল চলাচলে। দক্ষিণের পথে নতুন রেলপথটি ঢাকার গেন্ডারিয়া, কেরানীগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ থেকে পদ্মা সেতু হয়ে মাদারীপুর–ফরিদপুর মিলেছে। আগামী বছর এ রেলপথের বাকি অংশ ভাঙ্গা থেকে যশোর পর্যন্ত চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের তথ্যানুসারে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাওয়া রেলস্টেশন থেকে নতুন এই রেলপথের উদ্বোধন করেন। এরপর মাওয়া স্টেশন থেকে একটি বিশেষ ট্রেনে ফরিদপুরের ভাঙ্গা স্টেশনে উদ্দেশে রওয়ানা হবেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়াও মন্ত্রিপরিষদ সদস্য ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা যাত্রী ট্রেনে পদ্শা পাড়ি দেবেন। চীন থেকে আমদানি করা ১৪টি কোচ দিয়ে সরকারপ্রধানের জন্য ট্রেনটি প্রস্তুত করা হয়।

এরপর বেলা ২টায় ভাঙ্গার ডা. কাজী আবু ইউসুফ স্টেডিয়ামে ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।

বর্ণিল ইতিহাস-

২০২২ সালের ২৫ জুন পদ্মা সেতু চালু হয়। দ্বিতল এ সেতুর ওপর দিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। সেতুর ভেতরে রয়েছে ট্রেন চলাচলের পথ। পদ্মার দুই পাড়ে যোগাযোগ স্থাপন করতে নেয়া হয় আলাদা প্রকল্প, যা পদ্মা সেতু রেল লিংক প্রকল্প নামে পরিচিত।

প্রকল্প পরিচালক আফজাল হোসেন বলেন, উদ্বোধনের পর শিগগিরই এই পথে যাত্রী নিয়ে ট্রেন চলাচল করবে। তবে এখনও দিনক্ষণ ঠিক হয়নি। শুধু আধুনিকই নয়, দৃষ্টিনন্দন এ রেল সংযোগ প্রকল্পটির মাধ্যমে আরও একধাপ এগিয়ে গেছে দেশের রেলখাত।

বর্তমানে দেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে ৪৩ জেলায় রেলপথ রয়েছে। ঢাকা-ভাঙ্গা রেলপথের মাধ্যমে মুন্সিগঞ্জ ও মাদারীপুর রেলপথের সঙ্গে যুক্ত হবে। ঢাকার দক্ষিণের উপজেলা কেরানীগঞ্জে এতদিন রেল যোগাযোগ ছিল না। যশোর পর্যন্ত রেলপথ চালু হলে নড়াইল নতুন করে যুক্ত হবে। ভবিষ্যতে ভাঙ্গা থেকে বরিশাল হয়ে পটুয়াখালী পর্যন্ত রেলপথ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা আছে রেলওয়ের। বর্তমানে বরিশাল বিভাগে কোনো রেলপথ নেই।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ থেকে জানা গেছে, ঢাকা-খুলনা পথের সুন্দরবন ও চিত্রা এক্সপ্রেস এবং ঢাকা-যশোর পথের বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেন ৩টি পদ্মা সেতু হয়ে চালানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। ট্রেনগুলো  বর্তমানে ঢাকা থেকে টঙ্গী-জয়দেবপুর-বঙ্গবন্ধু সেতু-ঈশ্বরদী, হার্ডিঞ্জ ব্রিজ হয়ে চলাচল করছে। একইভাবে রাজশাহী থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত চলাচল করা মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনটি পদ্মা সেতু হয়ে ঢাকা পর্যন্ত চালানোরও পরিকল্পনা আছে। এর বাইরে কমিউটার ট্রেন চালুর বিষয়টিও বিবেচনায় আছে।

তিন অংশে ভাগ করে পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। প্রথম অংশ ঢাকা-মাওয়ার দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৮ কিলোমিটার। এই অংশে কেরানীগঞ্জে একটি নতুন স্টেশন তৈরি হচ্ছে। মাওয়া-ভাঙ্গা অংশের দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৩ কিলোমিটার। এ অংশে নতুন স্টেশন ভবন রয়েছে পাঁচটি। এ দুই অংশ আজ উদ্বোধন হলো।

প্রকল্পের শেষ অংশ ভাঙ্গা থেকে যশোর। এ অংশের দৈর্ঘ্য প্রায় ৮৩ কিলোমিটার। স্টেশনের সংখ্যা ১৪। প্রকল্পের মেয়াদ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুনের মধ্যে ঢাকা থেকে যশোর পর্যন্ত পুরো রেলপথটি চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। মাঠপর্যায়ে প্রকল্পটির কাজ শুরু হয়েছিল ২০১৯ সালে।

রেলওয়ে সূত্রে আরও জানা গেছে, ২০১৬ সালের ৩ মে একনেকে পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়। অনুমোদনের সময় প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয় ৩৪ হাজার ৯৮৮ কোটি টাকা। বর্তমানে এই প্রকল্পের ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৯ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা। প্রকল্পটি সরকারের অগ্রাধিকার তালিকাভুক্ত (ফাস্ট ট্র্যাক)। চীনের অর্থায়নে ওই দেশেরই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রেলপথ নির্মাণের কাজটি করছে।

নির্মাণাধীন পদ্মা সেতুর সংযোগ রেলপথে কী পরিমাণ যাত্রী ও মালামাল পরিবহন হতে পারে, তার একটি বিশ্লেষণ এরই মধ্যে তৈরি করেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে গ্রুপ (সিআরইসি)। স্বল্পমেয়াদি বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ২০৩০ সাল নাগাদ রেলপথটির ঢাকা-ভাঙ্গা অংশে প্রতিদিন ১৩ জোড়া ট্রেন চলবে। একইভাবে ভাঙ্গা-কাশিয়ানী অংশে প্রতিদিন সাত জোড়া ও কাশিয়ানী-যশোর অংশে প্রতিদিন চলবে পাঁচ জোড়া ট্রেন। এই সময়ের মধ্যে ঢাকা-ভাঙ্গা অংশে বছরে ৪০ লাখ, ভাঙ্গা-কাশিয়ানী অংশে বছরে ১৭ লাখ ও কাশিয়ানী-যশোর অংশে বছরে সাড়ে ১৩ লাখ যাত্রী পরিবহন করা হবে। ‘ওয়ান-ডিরেকশন’ বা একমুখী চলাচলের ওপর ভিত্তি করে এই প্রাক্কলন তৈরি করেছে সিআরইসি। আর কাজ তদারকি করছে  বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। ২০২২ সালের ২৫ জুন পদ্মা সেতু চালু হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com