1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৫ পূর্বাহ্ন
Title :
শেখ হাসিনা ও ১০ শিল্পগোষ্ঠীর ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ: বিএফআইইউ কুমিল্লা মহানগর বিএনপির ১৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা, সভাপতি আবু ও সম্পাদক টিপু কুমিল্লায় র‍্যাবের অভিযানে ১০০ কেজি গাজাসহ আটক-২ কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়ায় ধারাবাহিক চুরির ঘটনায় পুলিশের জালে ৪ আসামি বিদেশি মালিকানাধীন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের বৈদেশিক ঋণ গ্রহণের বিধিমালা শিথিল এক বছরে ৩০ হাজারের বেশি সন্দেহজনক লেনদেনের রিপোর্ট বিএফআইইউতে আইপিও প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ করতে অংশীজনদের সঙ্গে বিএসইসির মতবিনিময় সাতক্ষীরা মেডিকেল হাসপাতালে আউটসোর্সিং কর্মচারীর নিয়োগ বাতিলের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে হামদর্দ ল্যাবরেটরীজ (ওয়াক্ফ) বাংলাদেশ অপোর শপ ম্যানেজার হিসেবে জয়েন করেছে জামাল ভূঁইয়া

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বিশ্ব সম্প্রদায়ের সহায়তা চায় বাংলাদেশ

  • আপডেট : শুক্রবার, ৩ মার্চ, ২০২৩, ১১.৫০ এএম
  • ২১০ Time View

সেনা নিপীড়নের মুখে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে ফেরাতে জি২০ নেতৃবৃন্দসহ বিশ্ব সম্প্রদায়কে সহায়তার আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন।

তিনি বলেছেন, রোহিঙ্গাদের দীর্ঘস্থায়ী অবস্থান গোটা অঞ্চলজুড়ে বিপর্যয়ের পাশাপাশি বিশাল নিরাপত্তা সংকট তৈরি করছে। তারা সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীগুলোর কাছে উগ্রবাদে দীক্ষিত করা এবং তাদের দলে ভেড়ানোর একটি সম্ভাব্য টার্গেট গোষ্ঠী হতে পারে।

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে বিশ্বের বৃহৎ অর্থনীতির দেশগুলোর জোট জি২০’র চলমান সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে তিনি এ আহ্বান জানান। বৃহস্পতিবারের (২ মার্চ) এ বৈঠকে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর সভাপতিত্ব করেন।

বর্তমানে জি২০ জোটের প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে আছে ভারত। গত সপ্তাহে দেশটিতে হয়ে গেলো জি২০ জোটের অর্থমন্ত্রীদের সম্মেলন।

ড. মোমেন বলেন, বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের সহায়তার পাশাপাশি তাদের জীবন বাঁচাতে এবং জনগণকে অমানবিক সংকট থেকে রক্ষা করতে যে কোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে।

তিনি কোভিড-১৯ মহামারিকালে কয়েকটি প্রতিবেশী দেশের প্রতি বাংলাদেশের সমর্থনের কথা উল্লেখ করেন।

ওইদিন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর রেকর্ড করা ভিডিও ভাষণ দিয়ে অধিবেশন শুরু হয়। সন্ধ্যায় আড়ম্বরপূর্ণ নৈশভোজের পর শুরু হওয়া বৈঠকে বাংলাদেশসহ বিশেষভাবে আমন্ত্রিত নয়টি দেশ এবং ১৩টি আন্তর্জাতিক সংস্থাসহ ৪০টিরও বেশি প্রতিনিধিদল যোগ দেয়।

এবারের অধিবেশনের প্রতিপাদ্য হচ্ছে- ‘এক পৃথিবী, এক পরিবার, এক ভবিষ্যৎ’। ভারত গত বছরের ডিসেম্বরে বিশ্বের এই প্রধান অর্থনৈতিক জোটের সভাপতিত্ব পেয়েছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন সন্ত্রাসবাদকে একটি গুরুতর চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে বলেন, চ্যালেঞ্জ শুধু আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য নয়, মানব নিরাপত্তার জন্যও। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকার সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ‘জিরো-টলারেন্স’ নীতি বজায় রেখেছে। আমরা কোনো সন্ত্রাসী সংগঠনকে বাংলাদেশের মাটি অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে দিই না। আমাদের সরকারের সক্রিয় উদ্যোগের কারণে ভারত, বিশেষ করে উত্তর-পূর্ব ভারত বর্তমানে অব্যাহত উন্নয়ন, শান্তি ও নিরাপত্তা সুবিধা ভোগ করছে।

রাশিয়া-ইউক্রেন সংকটের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ সংকট অনেকের জন্য, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের জন্য সমস্যা সৃষ্টি করছে। নিষেধাজ্ঞা ও পাল্টা নিষেধাজ্ঞার কারণে সরবরাহ শৃঙ্খল এবং আর্থিক লেনদেন ব্যবস্থার ব্যাঘাতের কারণে অনেক সরকারই মূল্য ও মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে।

তিনি জি২০ সভাপতি হিসাবে শান্তিপূর্ণ উপায়ে সংকট মোকাবিলা ও সমস্যা সমাধানে জি২০ নেতাদের প্রভাবিত করতে ভারতের প্রতি আহ্বান জানান।

ড. মোমেন বলেন, সংকট বিবেচনা করে জি২০ নেতাদের উচিত যেসব সংস্থা সংকটের কারণে বেশি মুনাফা করছে, তাদের লাভের কমপক্ষে ২০ শতাংশ সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য বরাদ্দ বাধ্যতামূলক করা।

জি২০-এর একটি পৃথক অধিবেশনে বক্তৃতা দেওয়ার সময় মোমেন ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একটি সর্বজনীন, নিয়মভিত্তিক, উন্মুক্ত, স্বচ্ছ, পূর্বাভাসযোগ্য, অন্তর্ভুক্তিমূলক, বৈষম্যহীন ও ন্যায়সঙ্গত বহুপক্ষীয় ব্যবস্থার জন্য বাংলাদেশের আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, কোভিড-১৯ সংকট এরই মধ্যে বহুপক্ষীয় সমাধানের গুরুত্ব প্রমাণ করেছে এবং এ অভিজ্ঞতা মাথায় রেখে আমরা এ লক্ষ্যে আমাদের আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করছি।

বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কথা উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জি২০ সভাপতিকে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক গোষ্ঠীর নেতৃত্বকে প্রভাবিত করতে তাদের প্রতিরক্ষা ব্যয়ের অন্তত ১০ শতাংশ জলবায়ু তহবিলে দেওয়ার অনুরোধ করেন, যেন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এ গ্রহকে রক্ষা করা যায়।

২০৩০ এজেন্ডা বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটি জি২০সহ সব বহুপক্ষীয় উদ্যোগের আলোচ্যসূচির শীর্ষে থাকা উচিত। গ্লোবাল সাউথের একটি প্রধান দেশ হিসাবে এবং জি২০-এর সভাপতি হিসাবে ভারত ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজিস অর্জনে পর্যাপ্ত তহবিল বরাদ্দ এবং বাস্তবায়নের উপায় সংস্থানের জন্য জি২০ নেতাদের অনুরোধ করতে পারে।

ড. মোমেন বৈশ্বিক শান্তি সম্পর্কে বলেন, অর্থবহ বহুপক্ষীয় সহযোগিতার মাধ্যমে উন্নয়ন, শান্তি ও নিরাপত্তা উন্নয়নে বাংলাদেশ এগিয়ে রয়েছে। আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে শান্তিকেন্দ্রিক পররাষ্ট্রনীতি, জি-২০সহ সব বহুপক্ষীয় ফোরাম এবং উদ্যোগের সাথে আমাদের সম্পৃক্ততার ক্ষেত্রে আমাদের পথনির্দেশ করে চলেছে।

মন্ত্রী জি-২০- সম্মেলনে বাংলাদেশকে অতিথি দেশ হিসেবে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য ভারত সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এই দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্টভাবে দুদেশের মধ্যে বিদ্যমান অনন্য দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের গভীরতা ও উষ্ণতা প্রতিফলিত করে।

জি২০ সদস্য দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং বিশেষভাবে আমন্ত্রিত ব্যক্তিরা পৃথক অধিবেশন দুটিতে বক্তব্য রাখেন।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com