1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৭ অপরাহ্ন
Title :
সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্সে ৩% প্রবৃদ্ধি, এসেছে ২৭৬.৬ কোটি ডলার জুলাই-আগস্টের অনলাইন ভ্যাট রিটার্নে সময় বাড়ল, শেষ সময় ১৫ অক্টোবর গোপালগঞ্জ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ‘ফ্যাব্রিক লাইব্রেরি’র যাত্রা শুরু, দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কৃষকের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের উদ্যোগ: ফজলুল হক মিলন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বরণে কুমিল্লার মহাসড়কজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের অডিট কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত আইনজীবী অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফার মৃত্যু, সাওল পরিবারের শোক আইএফআইসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান পুনর্নির্বাচিত হলেন মো. মেহমুদ হোসেন অল-রাউন্ড ব্যবহারের উপযোগী নতুন সি-সিরিজ স্মার্টফোন আনছে রিয়েলমি চুয়াডাঙ্গায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত

প্রতিরক্ষামন্ত্রী: পাকিস্তান দেউলিয়া হয়ে গেছে

  • আপডেট : রবিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩, ১.৫৪ পিএম
  • ৪৭০ Time View

পাকিস্তান ইতিমধ্যে দেউলিয়া হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ। শিয়ালকোটে অনুষ্ঠিত এক সমাবর্তন অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

খাজা আসিফ বলেন, ‘পাকিস্তান ইতিমধ্যে ঋণখেলাপি হয়ে গেছে এবং আমরা এক দেউলিয়া দেশে বাস করছি। দেশের প্রায় সবাই এর জন্য দায়ী—ক্ষমতাচক্র, আমলাতন্ত্র, রাজনীতিবিদ—সবাই। এ সমস্যার সমাধান দেশের ভেতরেই আছে—আইএমএফের কাছে নয়।’

উদাহরণ হিসেবে খাজা আসিফ বলেছেন, পাকিস্তানের দামি সরকারি জমিতে যে দুটি বিলাসবহুল গলফ কোর্স আছে, সে দুটি বিক্রি করলে দেশটির এক-চতুর্থাংশ ঋণ পরিশোধ করা সম্ভব হবে।

চলমান অর্থনৈতিক সংকটের জন্য ক্ষমতাচক্র, আমলাতন্ত্র ও রাজনীতিকদের দায়ী করেন খাজা আসিফ। বলেন, গত ৩৩ বছরের তিনি পাকিস্তানের সংসদ সদস্য, কিন্তু এর মধ্যে ৩২ বছর ধরেই রাজনীতির অবক্ষয় দেখছেন।

এ ছাড়া চলমান অর্থনৈতিক সংকট মেটাতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ সরকারি ব্যয় হ্রাস করে কৃচ্ছ্রসাধনের নীতি ঘোষণা করবেন বলে জানিয়েছেন আসিফ।

ভয়াবহ আর্থিক সংকট মোকাবিলায় ইতিমধ্যে সরকারি কর্মচারীদের বেতন কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পিএমএল-এন ও পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) জোট সরকার। এ পরিস্থিতিতে কেন মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের বেতন ও ভাতা কমবে না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল দেশটির প্রধান বিরোধী দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) ও কয়েকটি সংবাদমাধ্যম।

এ পরিস্থিতিতে গত বুধবার প্রধানমন্ত্রী শাহবাজসহ পিএমএলের (এন) ১২ জন পূর্ণ মন্ত্রী ও তিনজন প্রতিমন্ত্রী বিনা বেতনে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে জোট সরকারের আরেক গুরুত্বপূর্ণ দল পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়নি। প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার থেকেই পাকিস্তানে প্রতি লিটার পেট্রলের দাম ২২ দশমিক ২০ রুপি বেড়ে হয়েছে ২৭২ রুপি, যা সর্বকালীন রেকর্ড।

দ্য ডনের সংবাদে বলা হয়েছে, পাকিস্তানে খোলা দুধের দাম এখন প্রতি লিটার ২১০ রুপি। প্রতিদিনই ৩০ থেকে ৪০ রুপি করে বাড়ছে খাবারের দাম। আটার দামও আকাশছোঁয়া। এ পরিস্থিতিতে মানুষ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে হুড়োহুড়ি করছে। কিন্তু এর মধ্যে ১০ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিক্রয়কেন্দ্র খুলেছে কানাডার নামী কফি ব্র্যান্ড টিম হর্টন। দেশের দুরবস্থার মধ্যেও লাহোরে এই ব্র্যান্ডের দোকার খোলার পর থেকে নাকি সেখানে পা ফেলার জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না। সর্বক্ষণই ক্যাফের বাইরে দেখা যাচ্ছে কফির জন্য অপেক্ষমাণ জনতার দীর্ঘ সারি, যার ছবি ছড়িয়ে পড়েছে ইন্টারনেটে।

পাকিস্তান দেউলিয়া, দুটি গলফ ক্লাব বিক্রি করলে এক-চতুর্থাংশ ঋণ পরিশোধ হবে: প্রতিরক্ষামন্ত্রী
ইকোনমি ডট পিকের তথ্যানুসারে, টিম হর্টন পৃথিবীর অন্যান্য শহরে নতুন দোকান খোলার পর প্রথম দিন যা ব্যবসা করেছে, লাহোরের ওই ক্যাফেতে প্রথম দিন তার চেয়ে অনেক বেশি করেছে।

এ চিত্র দেখে পাকিস্তানের অনেক সচেতন নাগরিক টুইটারে দুই বিপরীতমুখী চিত্র পোস্ট করছেন। একদিকে টিম হর্টনের দোকানে উচ্চবিত্তদের সারি, অন্যদিকে আটা কিনতে আমজনতার হুড়োহুড়ি। খালিদ উমর নামের দেশটির এক নাগরিক টুইট করেছেন, ‘এটাই জিন্নাহর দুই জাতি তত্ত্ব, এটা শুধু হিন্দু-মুসলমানের বিষয় নয়, ধনী গরিবেরও ব্যাপার, শাসক-শাসিত ও রাজা-ভিখারির বিষয়। ভারত সামন্ততন্ত্র থেকে মুক্ত হলেও পাকিস্তানের তার হাজারো রূপ আছে।

চলতি সপ্তাহে পাকিস্তানের মূল্যস্ফীতি রেকর্ড উচ্চতায় উঠেছে—৩৮ দশমিক ৪২ শতাংশ। কয়েক মাস ধরেই মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে পাকিস্তান সরকার নানা চেষ্টা করে গেলেও সফলতা পাচ্ছে না। আইএমএফের শর্ত মেনে নতুন করারোপ ও পেট্রলের মূল্যবৃদ্ধির জেরে মূল্যস্ফীতির সূচক এতটা উঠেছে। আইএমএফের সঙ্গে ৭০০ কোটি ডলার ঋণ চুক্তির শর্ত হিসেবে পাকিস্তানকে এসব করতে হয়েছে। শর্ত পূরণ করে অবশ্য পাকিস্তান ১১০ কোটি ডলার ঋণ পেয়েছে।

সূত্রঃ ইকোনমিক টাইমস

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com