1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৬ পূর্বাহ্ন
Title :
নবীনগরে পোস্টার লাগানোকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বাসহ আহত ৫ সিএসআর প্রোগ্রাম এর আওতায় আইসিডিডিআর,বি -কে সহায়তা দিচ্ছে কমিউনিটি ব্যাংক ঢাকার মিরপুরের বড়বাগে আইএফআইসি ব্যাংকের এটিএম বুথের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন টাঙ্গাইলে কামারপাড়া ব্রিজ যেন এক অন্তহীন দুর্ভোগের নাম প্রায় ৭৭ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ: ১৮ জনের বিরুদ্ধে ১৬ মামলা করবে দুদক রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে তারেক রহমানের পাঁচ দফা প্রস্তাব নঈম নিজাম ও সাবেক এমপি ফরিদা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা সিলেটে বাড়ছে ডেঙ্গু, আরও ৮ রোগী শনাক্ত কুমিল্লায় ৬০ হাজার শলাকা সিগারেটসহ যুবক আটক বসুন্ধরা সিটিতে সনির নতুন শোরুম ও দেশের প্রথম অনুমোদিত ক্যামেরা সার্ভিস সেন্টার চালু

মির্জা আব্বাস ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ মামলার চার্জশিট

  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২২, ৬.১১ পিএম
  • ২৫২ Time View

সাবেক মন্ত্রী ও ঢাকার সাবেক মেয়র বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস ও তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাসের বিরুদ্ধে ২০ কোটি ৭৪ লাখ ৪৭ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদের মামলার চার্জশিট দাখিল করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার (২৭ ডিসেম্বর) তদন্তকারী কর্মকর্তা ও উপপরিচালক মোহা. নুরুল হুদা আদালতে ওই চার্জশিট দাখিল করেছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে দুদক সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, অবৈধ সম্পদ অর্জনের দায়ে আফরোজা আব্বাস ও মির্জা আব্বাসের নামে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে।

এখানে রাজনৈতিক যোগসূত্র আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখানে পলিটিক্যাল কোনো যোগসূত্র নেই। দুদক তার নিজস্ব আইন-বিধি মেনে তদন্তকাজ পরিচালনা করে থাকে।

তদন্ত প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, আফরোজা আব্বাসের নামে ২০ কোটি ৭৪ লাখ ৪৭ হাজার ৮২৮ টাকার সম্পদ প্রকৃত পক্ষে তার স্বামী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদের সহায়তায় অর্জন করেছেন। কেননা আফরোজা আব্বাস একজন গৃহিণী, সে হিসাবে ওই সম্পদ অবৈধ উৎসের আয় থেকে অর্জিত বলে প্রমাণ মিলেছে। মির্জা আব্বাস ১৯৯১ সাল থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত সংসদ সদস্য, মন্ত্রী এবং ঢাকা সিটি করপোরেশনের মেয়র এবং ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ছিলেন। তিনি সংসদ সদস্য, মেয়র ও মন্ত্রী হওয়ার সুবাদে ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ উপায়ে ২০০৭ সালের ১৬ আগস্ট পর্যন্ত আফরোজা আব্বাসের নামে ওই টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন।

দুদক আফরোজা আব্বাসকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি বলেছেন, ব্যবসায়ী এমএনএইচ বুলুর কাছ থেকে ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা ঋণ ও বাবা-মা এবং বোনের কাছ থেকে ১ কোটি ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা দান হিসেবে নিয়েছেন। তবে ওই টাকাসহ মোট সম্পদের হিসাবের স্বপক্ষে কোনো রেকর্ড দেখাতে পারেননি।

অন্যদিকে আফরোজা আব্বাস একজন গৃহিণী। কিন্তু তার স্বামী মির্জা আব্বাস বিভিন্ন খাতের টাকা স্ত্রীর নামে হস্তান্তর করেছেন। আফরোজা আব্বাস নিজেকে একজন হস্তশিল্প ব্যবসায়ী হিসেবে আয়কর নথিতে উল্লেখ করলেও তার নিজের আয়ের কোনো বৈধ উৎস নেই।

দুদকের তদন্তে অবৈধ ওই সম্পদ হস্তান্তর, রূপান্তর ও অবস্থান গোপনকরণে কৌশল অবলম্বন করার অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় তদন্তকারী কর্মকর্তা আফরোজা আব্বাস ও তার স্বামী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারা, দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় এবং সেই সঙ্গে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০০৮; মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০০৯ ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪ ধারায় অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে।

এর আগে ২০১৯ সালের ৭ জুলাই রাজধানীর শাহজাহানপুর (ডিএমপি) থানায় দুদকের সাবেক সহকারী পরিচালক ও অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা মো. সালাহউদ্দিন মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ২০ কোটি ৭৬ লাখ ৯২ হাজার টাকার সম্পদ অভিযোগ আনা হয়েছিল।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com