মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৪১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
উলিপুরে আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত; মাদক, সন্ত্রাস ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা রমজানের ফজিলত; তাছলিমা আক্তার মুক্তা ময়মনসিংহ বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা গনের সাথে মন্ত্রী এম ইকবাল হোসাইন এর মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রাম সংরক্ষিত নারী আসনে মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক “মিলি কায়কোবাদকে” চায় জেলা বাসি ‎শিবচরকে মাদকমুক্ত করতে ঝুঁকি নিতেও প্রস্তুত সংসদ সদস্য সাইদ উদ্দিন আহম্মেদ হানজালা ‎ গোবিন্দগঞ্জে ৬ লাখ টাকার মাদক সহ এক মাদক কারবারি গ্রেফতার উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে এলাহাবাদ ইউনিয়নে ৫০০ অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ তারেক রহমান–এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ইয়াও ওয়েন–এর সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনে লেনদেনের তালিকার শীর্ষে সিটি ব্যাংক ডিএসই লেনদেনে সর্বোচ্চ দর বৃদ্ধি এনার্জিপ্যাকের

সাত দিনের সময় দিলেন মেয়র আতিক

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : সোমবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ২০৫ Time View

রাজধানী ঢাকায় ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন কোনো স্থানে মশার প্রজননক্ষেত্র পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।

সোমবার (১২ ডিসেম্বর) রাজধানীর গুলশান-২ এ নগর ভবন অডিটোরিয়ামে কিউলেক্স মশার প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে করণীয় সম্পর্কে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা জানান তিনি।

মেয়র আতিক বলেন, ঢাকা শহরে মালিকানা ছাড়া কোনো জায়গা নেই। প্রতিটি জায়গা হয় ব্যক্তি মালিকানাধীন অথবা কোনো সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের অধীন। অতএব মালিক বা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিজেদের জায়গা ও জলাশয় পরিষ্কার করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘আমি সবাইকে সাত দিনের সময় দিচ্ছি। সাত দিন পর আমি বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করব। ডিএনসিসির ম্যাজিস্ট্রেট অভিযান চালাবে। কোথাও কচুরিপানা বা মশার প্রজননক্ষেত্র পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। মশার প্রজননক্ষেত্র পেলে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ছাড় দেয়া হবে না। নিয়মিত মামলা দেয়া হবে। সরকারি ও বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা হবে।’

আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমি সরেজমিনে পরিদর্শনে গিয়ে দেখেছি এয়ারপোর্টের পাশের খাল, জলাশয় ও ডোবাগুলোতে মশার চাষ হচ্ছে। এগুলো সিভিল অ্যাভিয়েশন, রাজউক, গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষসহ অন্যান্য সংস্থার অধীন। জলাশয়গুলোতে প্রচুর পরিমাণে কচুরিপানা। এই কচুরিপানা পরিষ্কার না করলে আমরা সিটি করপোরেশন থেকে যতই মশার ওষুধ দেই না কেন, মশা নিধন করা সম্ভব না। সবাইকে নিজেদের খাল, জলাশয় ও ডোবা পরিষ্কার করতে হবে। ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব নিতে হবে।’

এ সময় ডিএনসিসির স্বাস্থ্য বিভাগকে সব সংস্থা ও হাউজিং সোসাইটিগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে ১ জানুয়ারি থেকে এক বছরের কর্মপরিকল্পনা নির্দিষ্ট করে একটি ক্যালেন্ডার তৈরির নির্দেশ দেন তিনি।

ডিএনসিসি মেয়র আরও বলেন, ‘শুধু কিউলেক্স মশা নয়, এডিস মশাও এখনও রয়েছে। আমাদের মশক নিধন অভিযানও চলমান। দুই ভবনের মাঝখানে খালি জায়গায় অনেকে ময়লা ফেলেন। দয়া করে এটি বন্ধ করুন। স্থানীয় জনগণ ও হাউজিং সোসাইটির উদ্যোগে এগুলো বন্ধে কাজ করুন। অনেক হাউজিং সোসাইটি মশার ওষুধ ছিটানোর মেশিন কিনেছেন। আমরা সেসব সোসাইটিকে ডিএনসিসি থেকে বিনামূল্যে মশার ওষুধ সরবরাহ করব।’

বাসাবাড়ির ও অন্যান্য ভবনের পয়ঃবর্জ্যের সংযোগ সরাসরি বৃষ্টির পানি নামার সারফেস ড্রেনের মাধ্যমে গিয়ে শহরের খাল ও জলাশয় দূষণ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা বার বার বলেছি প্রতিটি ভবনে অ্যাট সোর্সে পয়ঃবর্জ্য ব্যবস্থাপনা করতে হবে। গুলশান, বনানী, নিকেতন ও বারিধারা এলাকায় আমাদের বর্জ্যবিভাগ  এরইমধ্যে সমীক্ষার কাজ সম্পন্ন করেছে। আগামী ৪ জানুয়ারি এসব এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হবে। সারফেস ড্রেনে পয়ঃবর্জ্যের সংযোগ পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

মতবিনিময় সভায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক এবং ডিএনসিসি মেয়রের উপদেষ্টা ড. কবিরুল বাশার বলেন, ‘মানুষ এখন অনেক সচেতন। সবাই জানেন কেন এবং কোথায় মশার জন্ম হয়। কিন্তু মানুষ মশা নিয়ন্ত্রণে সম্পৃক্ত হচ্ছেন না। মশা নিয়ন্ত্রণে মানুষকে সচেতনতার পাশাপাশি সম্পৃক্ত হতে হবে। একা কারও পক্ষেই মশা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মশা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হবে।’

ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজার সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জোবায়দুর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহম্মদ আমিরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর এস এম শরিফ-উল ইসলাম, সচিব মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক, ডিএনসিসির মশক নিয়ন্ত্রণ স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও ১১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দেওয়ান আবদুল মান্নান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময় সভায় সিভিল অ্যাভিয়েশন, রাজউক, গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ, স্বাস্থ্য বিভাগসহ অন্যান্য সংস্থার প্রতিনিধি এবং ডিএনসিসির আওতাধীন এলাকার বিভিন্ন হাউজিং সোসাইটির প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS