1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন
Title :
নিহত রাকিব জিপিএ-৫ পেয়েছে; গোপালপুরের বাড়িতে মিষ্টি বিতরণের পরিবর্তে কুলখানি অনুষ্ঠিত এবি ব্যাংকের স্থানান্তরিত অষ্টগ্রাম শাখার উদ্বোধন প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য ট্রাস্ট ব্যাংকের এনআরসিটি হিসাব চালু স্থানীয়ভাবে স্মার্টফোনের মাদারবোর্ড উৎপাদন শুরু স্মার্ট হাইটেকের কর্মসংস্থান ও আত্মনির্ভরতার প্রত্যয়ে চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় যুব দিবস উদযাপন পর্যটন ব্যবস্থাপনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারকে গুরুত্ব দিয়ে শেষ হলো পর্যটন মেলা ২০২৬ কালিয়ায় কুপনভিত্তিক মিড-ডে-মিল কর্মসূচির উদ্বোধন ডিজিটাল ন্যানো ঋণ চালুর লক্ষ্যে ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি ও শেবা.এক্সওয়াইজেড-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ করেছে ইসলামী ইন্স্যুরেন্স

সাত দিনের সময় দিলেন মেয়র আতিক

  • আপডেট : সোমবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২২, ৭.৩৩ পিএম
  • ২৭৯ Time View

রাজধানী ঢাকায় ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন কোনো স্থানে মশার প্রজননক্ষেত্র পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।

সোমবার (১২ ডিসেম্বর) রাজধানীর গুলশান-২ এ নগর ভবন অডিটোরিয়ামে কিউলেক্স মশার প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে করণীয় সম্পর্কে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা জানান তিনি।

মেয়র আতিক বলেন, ঢাকা শহরে মালিকানা ছাড়া কোনো জায়গা নেই। প্রতিটি জায়গা হয় ব্যক্তি মালিকানাধীন অথবা কোনো সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের অধীন। অতএব মালিক বা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিজেদের জায়গা ও জলাশয় পরিষ্কার করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘আমি সবাইকে সাত দিনের সময় দিচ্ছি। সাত দিন পর আমি বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করব। ডিএনসিসির ম্যাজিস্ট্রেট অভিযান চালাবে। কোথাও কচুরিপানা বা মশার প্রজননক্ষেত্র পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। মশার প্রজননক্ষেত্র পেলে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ছাড় দেয়া হবে না। নিয়মিত মামলা দেয়া হবে। সরকারি ও বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা হবে।’

আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমি সরেজমিনে পরিদর্শনে গিয়ে দেখেছি এয়ারপোর্টের পাশের খাল, জলাশয় ও ডোবাগুলোতে মশার চাষ হচ্ছে। এগুলো সিভিল অ্যাভিয়েশন, রাজউক, গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষসহ অন্যান্য সংস্থার অধীন। জলাশয়গুলোতে প্রচুর পরিমাণে কচুরিপানা। এই কচুরিপানা পরিষ্কার না করলে আমরা সিটি করপোরেশন থেকে যতই মশার ওষুধ দেই না কেন, মশা নিধন করা সম্ভব না। সবাইকে নিজেদের খাল, জলাশয় ও ডোবা পরিষ্কার করতে হবে। ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব নিতে হবে।’

এ সময় ডিএনসিসির স্বাস্থ্য বিভাগকে সব সংস্থা ও হাউজিং সোসাইটিগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে ১ জানুয়ারি থেকে এক বছরের কর্মপরিকল্পনা নির্দিষ্ট করে একটি ক্যালেন্ডার তৈরির নির্দেশ দেন তিনি।

ডিএনসিসি মেয়র আরও বলেন, ‘শুধু কিউলেক্স মশা নয়, এডিস মশাও এখনও রয়েছে। আমাদের মশক নিধন অভিযানও চলমান। দুই ভবনের মাঝখানে খালি জায়গায় অনেকে ময়লা ফেলেন। দয়া করে এটি বন্ধ করুন। স্থানীয় জনগণ ও হাউজিং সোসাইটির উদ্যোগে এগুলো বন্ধে কাজ করুন। অনেক হাউজিং সোসাইটি মশার ওষুধ ছিটানোর মেশিন কিনেছেন। আমরা সেসব সোসাইটিকে ডিএনসিসি থেকে বিনামূল্যে মশার ওষুধ সরবরাহ করব।’

বাসাবাড়ির ও অন্যান্য ভবনের পয়ঃবর্জ্যের সংযোগ সরাসরি বৃষ্টির পানি নামার সারফেস ড্রেনের মাধ্যমে গিয়ে শহরের খাল ও জলাশয় দূষণ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা বার বার বলেছি প্রতিটি ভবনে অ্যাট সোর্সে পয়ঃবর্জ্য ব্যবস্থাপনা করতে হবে। গুলশান, বনানী, নিকেতন ও বারিধারা এলাকায় আমাদের বর্জ্যবিভাগ  এরইমধ্যে সমীক্ষার কাজ সম্পন্ন করেছে। আগামী ৪ জানুয়ারি এসব এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হবে। সারফেস ড্রেনে পয়ঃবর্জ্যের সংযোগ পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

মতবিনিময় সভায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক এবং ডিএনসিসি মেয়রের উপদেষ্টা ড. কবিরুল বাশার বলেন, ‘মানুষ এখন অনেক সচেতন। সবাই জানেন কেন এবং কোথায় মশার জন্ম হয়। কিন্তু মানুষ মশা নিয়ন্ত্রণে সম্পৃক্ত হচ্ছেন না। মশা নিয়ন্ত্রণে মানুষকে সচেতনতার পাশাপাশি সম্পৃক্ত হতে হবে। একা কারও পক্ষেই মশা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মশা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হবে।’

ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজার সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জোবায়দুর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহম্মদ আমিরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর এস এম শরিফ-উল ইসলাম, সচিব মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক, ডিএনসিসির মশক নিয়ন্ত্রণ স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও ১১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দেওয়ান আবদুল মান্নান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময় সভায় সিভিল অ্যাভিয়েশন, রাজউক, গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ, স্বাস্থ্য বিভাগসহ অন্যান্য সংস্থার প্রতিনিধি এবং ডিএনসিসির আওতাধীন এলাকার বিভিন্ন হাউজিং সোসাইটির প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com