ভারতের রান পাহাড়ে চাপা পড়েছে বাংলাদেশ। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে বড় ব্যবধানে হারের পথে স্বাগতিকরা। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ২৪ ওভার শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৩০ রান করেছে টিম টাইগার্স।
ভারতের দেয়া ৪১০ রানের পাহাড় টপকাতে অসাধ্য সাধন করতে হতো বাংলাদেশকে। রান তাড়ায় শুরুটা অবশ্য খারাপ হয়নি। প্রথম চার ওভারে দুই ওপেনার সংগ্রহ করেছিলেন ৩৩ রান। তবে এরপর ভারতীয় অধিনায়ক কৌশলে বদল এনেই সাফল্য পেলেন। পেসারদের সহজেই খেলছেন দেখেই হয়তো স্পিন আনেন রাহুল। প্রথম বলেই মেলেই উইকেট।
অক্ষর প্যাটেলের বলে ক্যাচ দিয়ে ৭ বলে ৮ রান করে সাজঘরে ফেরেন এনামুল হক। ধারাবাহিকভাবে ব্যর্থ বিজয় আজও হতাশ করলেন। সেই সঙ্গে দলে নিজের জায়গাটাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করলেন।
এর আগে ভারতের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ১৪, দ্বিতীয় ম্যাচে তিনি আউট হয়েছিলেন ১১ রানে। ক্রমাবনতির ধারায় এবার ৮ রানে আউট হলেন তিনি। বিজয়ের পর বেশিক্ষণ টিকলেন না লিটনও। বোলারদের ওপর চড়াও হতে গিয়ে মোহাম্মদ সিরাজের বলে কাটা পড়লেন। শার্দুলের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে ২৯ বলে চারটি ও একটি ছক্কায় ২৯ রান করেন লিটন।
অভিজ্ঞ মিডল অর্ডার ব্যাটার মুশফিকুর রহিম নিজেকে হারিয়ে খুঁজছেন যেন। অক্ষর প্যাটেলের বলে অফ স্টাম্পের বাইরে গিয়ে সুইপ করার মাশুল দিলেন। ১৩ বল খেলে ৭ রান করে আউট হয়ে গেলেন তিনি।
নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানোর পাশাপাশি রান তোলাতেও মন্থর গতি। চারশ ছাড়ানো রান তাড়ায় যে শুরু প্রয়োজন সেটা পায়নি বাংলাদেশ। স্বাগতিকদের রান একশ পেরিয়েছে ১৯তম ওভাবে।
আগের দুই ম্যাচে একাদশে ছিলেন না। ঘরের মাঠ চট্টগ্রামে সুযোগ পেলেন। শুরুটাও ছিল, তবে উমরান মালিকের শিকার হতে হলো শেষমেশ। উমরানের ইনসুইঙ্গার ঠিকঠাক খেলতে পারেননি। এলবিডব্লিউর জোরাল আবেদনে আম্পায়ার সাড়া না দিলে রিভিউ নিয়ে সফল হয় ভারত। ইয়াসির ফিরলেন এক ছক্কা ও দুই চারে ৩০ বলে ২৫ রান করে।
সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মিছিলে এক প্রান্ত আগলে রাখছিলেন সাকিব। সমর্থকদের আশা বাড়ছিল তাকে ঘিরে। তবে কুলদিপ যাদবের শিকার হয়ে ফিরতে হলো তাকেও। ৫০ বরে চারটি চারে ৪৩ রান করেন সাকিব।