সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
১৮ দিনে দেশে এলো ১.৯৬ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স ব্যবসাবান্ধব পরিবেশে গতি আনতে ৫ ব্যাংকের সঙ্গে বিডার এমওইউ মাদকের টাকার জন্য বসতঘরে আগুন দিয়ে মাকে হত্যার চেষ্টায় আটক কুলাঙ্গার ছেলে, পুলিশে দিলো জনতা! প্রায় ০৩ লক্ষ টাকা মূল্যমানের ০৯ কেজি গাঁজাসহ ০৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০ ​দিরাইয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে মব কালচারের শিকার সংবাদকর্মী রিফাত: জামায়াত নেতা ইমরানের বিরুদ্ধে অভিযোগ পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্স পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে হাইডলবার্গ মেটেরিয়ালস পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে আনলিমা ইয়ার্ন পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে সিটি ইন্স্যুরেন্স

প্রতি বছর ৪৪ হাজার সামুদ্রিক কচ্ছপ অবৈধ হত্যার শিকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : শনিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ২৫৬ Time View

অ্যারিজোনা স্টেট ইউনিভার্সিটির এক গবেষণায় দেখা গেছে গত ত্রিশ বছরে বিশ্বজুড়ে অবৈধভাবে ১১ লাখের বেশি সামুদ্রিক কচ্ছপ হত্যা করা হয়েছে।

সম্প্রতি দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন তথ্য ।

গবেষকদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়, বিপন্ন বা ঝুঁকিপূর্ণ প্রজাতি হিসেবে এদের সুরক্ষায় আইন থাকা সত্ত্বেও গত দশকে বিশ্বের ৬৫টি দেশে প্রতি বছর অন্তত ৪৪ হাজার সামুদ্রিক কচ্ছপ অবৈধ শিকারীদের হাতে মারা গেছে বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

অ্যারিজোনা স্টেট ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক ও গবেষণাপত্রের সহ-লেখক জেসি সেনকো বলেন, সংখ্যাটি অনেক বেশি হলেও প্রায় নিশ্চিতভাবেই বলা যায়, এতে প্রকৃত দৃশ্য ফুটে উঠছে না। কারণ যেকোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড মূল্যায়ন করা কঠিন।

সাধারণত খাবার হিসেবে, ঐতিহ্যবাহী ওষুধ তৈরিতে, প্রত্নবস্তু, সাজসজ্জা বা গহনা হিসেবে বিক্রির জন্য সামুদ্রিক কচ্ছপ শিকার করা হয়। জাতিসংঘের তথ্যমতে, কচ্ছপ শিকার ও পাচার একটি বৈশ্বিক অবৈধ বন্যপ্রাণী বাজারের অংশ। প্রতি বছর সেখানে অন্তত ২ হাজার ৩০০ কোটি মার্কিন ডলারের কচ্ছপ বা কচ্ছপ-পণ্য বেচাকেনা হয়।

অবৈধ কচ্ছপ শিকারের মাত্রা বুঝতে গবেষকরা ২০৯টির বেশি বিভিন্ন পিয়ার-রিভিউড জার্নালের নিবন্ধ, মিডিয়া রিপোর্ট, প্রশ্নাবলী এবং সংরক্ষণ সংস্থার প্রতিবেদন পরীক্ষা করেছেন। এতে দেখা গেছে, ১৯৯০ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে অন্তত ৪৩ হাজার কচ্ছপ পাচার করা হয়েছে। তবে এই সংখ্যাটিও ব্যাপকভাবে অবমূল্যায়িত বলে মনে করেন জেসি সেনকো।

সম্প্রতি গ্লোবাল চেঞ্জ বায়োলজি জার্নালে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও মাদাগাস্কার হচ্ছে সামুদ্রিক কচ্ছপ শিকারের হটস্পট। সবচেয়ে বেশি কচ্ছপ পাচার হয় ভিয়েতনাম থেকে এবং চীন-জাপান হলো অবৈধ কচ্ছপ পণ্যের সবচেয়ে বড় বাজার।

জেসি বলেন, উচ্চ আয়ের দেশগুলো বিলাসবহুল পণ্য হিসেবে যতদিন চাইবে, উন্নয়নশীল দেশগুলো ততদিন অবৈধ কচ্ছপ সরবরাহ চালিয়ে যাবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS