1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৭ পূর্বাহ্ন
Title :
নবীনগরে পোস্টার লাগানোকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বাসহ আহত ৫ সিএসআর প্রোগ্রাম এর আওতায় আইসিডিডিআর,বি -কে সহায়তা দিচ্ছে কমিউনিটি ব্যাংক ঢাকার মিরপুরের বড়বাগে আইএফআইসি ব্যাংকের এটিএম বুথের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন টাঙ্গাইলে কামারপাড়া ব্রিজ যেন এক অন্তহীন দুর্ভোগের নাম প্রায় ৭৭ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ: ১৮ জনের বিরুদ্ধে ১৬ মামলা করবে দুদক রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে তারেক রহমানের পাঁচ দফা প্রস্তাব নঈম নিজাম ও সাবেক এমপি ফরিদা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা সিলেটে বাড়ছে ডেঙ্গু, আরও ৮ রোগী শনাক্ত কুমিল্লায় ৬০ হাজার শলাকা সিগারেটসহ যুবক আটক বসুন্ধরা সিটিতে সনির নতুন শোরুম ও দেশের প্রথম অনুমোদিত ক্যামেরা সার্ভিস সেন্টার চালু

প্রতি বছর ৪৪ হাজার সামুদ্রিক কচ্ছপ অবৈধ হত্যার শিকার

  • আপডেট : শনিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ৯.৫৩ পিএম
  • ৩০৫ Time View

অ্যারিজোনা স্টেট ইউনিভার্সিটির এক গবেষণায় দেখা গেছে গত ত্রিশ বছরে বিশ্বজুড়ে অবৈধভাবে ১১ লাখের বেশি সামুদ্রিক কচ্ছপ হত্যা করা হয়েছে।

সম্প্রতি দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন তথ্য ।

গবেষকদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়, বিপন্ন বা ঝুঁকিপূর্ণ প্রজাতি হিসেবে এদের সুরক্ষায় আইন থাকা সত্ত্বেও গত দশকে বিশ্বের ৬৫টি দেশে প্রতি বছর অন্তত ৪৪ হাজার সামুদ্রিক কচ্ছপ অবৈধ শিকারীদের হাতে মারা গেছে বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

অ্যারিজোনা স্টেট ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক ও গবেষণাপত্রের সহ-লেখক জেসি সেনকো বলেন, সংখ্যাটি অনেক বেশি হলেও প্রায় নিশ্চিতভাবেই বলা যায়, এতে প্রকৃত দৃশ্য ফুটে উঠছে না। কারণ যেকোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড মূল্যায়ন করা কঠিন।

সাধারণত খাবার হিসেবে, ঐতিহ্যবাহী ওষুধ তৈরিতে, প্রত্নবস্তু, সাজসজ্জা বা গহনা হিসেবে বিক্রির জন্য সামুদ্রিক কচ্ছপ শিকার করা হয়। জাতিসংঘের তথ্যমতে, কচ্ছপ শিকার ও পাচার একটি বৈশ্বিক অবৈধ বন্যপ্রাণী বাজারের অংশ। প্রতি বছর সেখানে অন্তত ২ হাজার ৩০০ কোটি মার্কিন ডলারের কচ্ছপ বা কচ্ছপ-পণ্য বেচাকেনা হয়।

অবৈধ কচ্ছপ শিকারের মাত্রা বুঝতে গবেষকরা ২০৯টির বেশি বিভিন্ন পিয়ার-রিভিউড জার্নালের নিবন্ধ, মিডিয়া রিপোর্ট, প্রশ্নাবলী এবং সংরক্ষণ সংস্থার প্রতিবেদন পরীক্ষা করেছেন। এতে দেখা গেছে, ১৯৯০ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে অন্তত ৪৩ হাজার কচ্ছপ পাচার করা হয়েছে। তবে এই সংখ্যাটিও ব্যাপকভাবে অবমূল্যায়িত বলে মনে করেন জেসি সেনকো।

সম্প্রতি গ্লোবাল চেঞ্জ বায়োলজি জার্নালে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও মাদাগাস্কার হচ্ছে সামুদ্রিক কচ্ছপ শিকারের হটস্পট। সবচেয়ে বেশি কচ্ছপ পাচার হয় ভিয়েতনাম থেকে এবং চীন-জাপান হলো অবৈধ কচ্ছপ পণ্যের সবচেয়ে বড় বাজার।

জেসি বলেন, উচ্চ আয়ের দেশগুলো বিলাসবহুল পণ্য হিসেবে যতদিন চাইবে, উন্নয়নশীল দেশগুলো ততদিন অবৈধ কচ্ছপ সরবরাহ চালিয়ে যাবে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com