২০২৩ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশের পুরুষ ও নারী জাতীয় দল, ‘এ’ দল ও অনূর্ধ্ব-১৯ দলের স্পন্সর হিসেবে ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম দারাজ চুক্তিবদ্ধ। ২০২১ সালের এপ্রিলে স্পন্সর হিসেবে তাদের নাম ঘোষণা করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
চুক্তি অনুযায়ী তাদের সম্পর্ক থাকবে আরও ১৬ মাস। কিন্তু কয়েকটি সংবাদমাধ্যম জানায়, দারাজ সম্পর্ক ছিন্ন করছে। স্পন্সর হিসেবে থাকছে না তারা। কিন্তু এমন কোনো চিন্তাভাবনাই করেনি প্রতিষ্ঠানটি।
বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) দারাজের চিফ মার্কেটিং অফিসার তাজদীন হাসান মুঠোফোনে রাইজিংবিডিকে নিশ্চিত করেছেন, তারা চুক্তি অনুযায়ী শেষ পর্যন্তই বিসিবির সঙ্গে থাকবে। তিনি জানিয়েছেন, প্রকাশিত সংবাদ সঠিক নয়। তারা শিগগিরই একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিষয়টি ব্যাখ্যা করবে।
তাজদীন বলেন, ‘না, না। একদম ভুয়া খবর এটি (বিসিবি-দারাজ চুক্তিভঙ্গ)। এ ধরনের কোনও কথাই হয়নি। আমরা এটা নিয়ে একটা প্রেস রিলিজ দেবো, এই নিউজটা কীভাবে কেন হলো, আমরা কিছুই জানি না। আমরা বিসিবির সঙ্গে আছি এবং চুক্তি অনুযায়ী ২০২৩ পর্যন্তই আছি।’
‘আসলে এ ধরনের কোনো কিছু না। আমি নিশ্চিত করছি। এই নিউজের (দারাজ থাকছে না) সোর্সটা কী, আমরাও বুঝতে পারছি না। কোথায় থেকে আসলো, আমরা সেটা ভাবছি।’- দৃঢ়কণ্ঠে আরও যোগ করেন দারাজের এই কর্মকর্তা।
চুক্তির পর থেকে জাতীয় দল, ‘এ’ দল ও যুব দলের কিটের ওপর দেখা যাচ্ছে দারাজের লোগো। আর এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান হাংরিনাকি দলের কিটস পার্টনার হিসেবে আছে।
২০১৯ বিশ্বকাপের পর থেকে বাংলাদেশ দলের স্থায়ী কোনও স্পন্সর ছিল না। শেষ সিরিজগুলোতে দীর্ঘ মেয়াদে চুক্তিতে যায়নি বিসিবি। সিরিজ ধরে ধরে স্পন্সর নির্ধারণ করেছিল ক্রিকেট বোর্ড। এরপর গত বছর স্থায়ী স্পন্সর হিসেবে দারাজ যুক্ত হয়।