1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৮ অপরাহ্ন
Title :
আইএফআইসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান পুনর্নির্বাচিত হলেন মো. মেহমুদ হোসেন অল-রাউন্ড ব্যবহারের উপযোগী নতুন সি-সিরিজ স্মার্টফোন আনছে রিয়েলমি চুয়াডাঙ্গায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত মুক্তচিন্তার দেয়াল ও বুদ্ধিবৃত্তিক দেউলিয়াত্ব: মু. জোবায়েদ মল্লিক বুলবুল যুবদল নেতা শওকত আলী রিয়াজের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল জান্নাতুল টুম্পার নির্দেশনায় প্রথমবার অভিনয়ে তমালিকা ও সাঈদ বাবু জমে উঠেছে গোলাপগঞ্জ প্রেসক্লাব নির্বাচন ফেসবুকে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ে পোস্ট, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকে মারধরের অভিযোগ ইসলামী ব্যাংকে সাইবার সিকিউরিটি সচেতনতা ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক পিএলসি. এর ৪৩৪তম বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত

ডলারের দাম আবার বেড়েছে

  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২৮ জুন, ২০২২, ৭.০৫ পিএম
  • ২৬২ Time View

অব্যাহতভাবে বাড়ছে টাকার বিপরীতে ডলারের দাম। আর দুর্বল হচ্ছে দেশীয় মুদ্রা টাকা। ডলারের দাম আরও ৫০ পয়সা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, মঙ্গলবার (২৮ জুন) প্রতি ডলারের বিনিময় মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৩ টাকা ৪৫ পয়সা, আগে যা ছিল ৯২ টাকা ৯৫ পয়সা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম অর্থসূচককে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বর্তমানে ডলারের দাম বাংলাদেশ ব্যাংক নির্ধারণ করছে না। ব্যাংকগুলো যে দামে লেনদেন করে, তার মধ্যে একটি দর বিবেচনায় নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ ৯৩ টাকা ৪৫ পয়সাকে বিবেচনায় নিয়েছে। এই দামেই ৪ কোটি ২০ লাখ ডলার বিক্রি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এর আগে, মঙ্গলবার (২১ জুন) ডলারের দাম ০.০৫ পয়সা বাড়িয়ে ডলারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ৯২ টাকা ৯৫ পয়সা। এভাবে বাজারের উপর ডলারের দাম ছেড়ে দেওয়ার পর থেকে প্রায় প্রতিদিনই ডলারের দাম বাড়ছে। তবে সেটা খুব সামান্য পরিমাণে। মাঝে শুধুমাত্র একদিন দাম কমেছিল। সব মিলিয়ে গত দুই মাসে ডলারের দাম বেড়েছে ৭ টাকার বেশি।

সর্বশেষ প্রতি ডলারের বিনিময় মূল্য দাঁড়িয়েছে ৯৩ টাকা ৪৫ পয়সা। আজ বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন দামে ৪ কোটি ২০ লাখ ডলার বিক্রি করেছে। সরকারি আমদানি বিল মেটাতে ব্যাংকগুলোর কাছে ডলার বিক্রি করা হয়। ফলে এটাই ডলারের আনুষ্ঠানিক দর। এই দরে সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো ডলারের বিপরীতে টাকার হিসাব করে থাকে। এটাকে বলা হয় আন্তঃব্যাংক রেট।

ডলারের দাম বাড়ায় একদিকে রপ্তানিকারক ও প্রবাসীরা লাভবান হবেন। অন্যদিকে আমদানিকারকদের খরচ বাড়বে।

বাংলাদেশ ব্যাংক ডলারের দাম ৯৩ টাকা ৪৫ পয়সা নির্ধারণ করলেও ব্যাংকগুলো নগদ ডলার বিক্রি করছে এর চেয়ে দুই থেকে তিন টাকা বেশি দরে। অনেক ব্যাংক বাড়তি দামেই প্রবাসী আয় সংগ্রহ করছে ও রপ্তানি বিল নগদায়ন করছে। এতে আমদানিকারকদের বেশি দামে ডলার কিনতে হচ্ছে। ব্যাংকের বাইরে খোলাবাজার ডলার কেনাবেচা হচ্ছে ৯৬ থেকে ৯৭ টাকায়।

অস্থির ডলারের বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রতিনিয়ত ডলারের দাম বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ডলারের চাহিদা বেশি হওয়ায় ধীরে ধীরে দাম বাড়াচ্ছে। সেইসাথে রিজার্ভ থেকেও প্রতিনিয়ত ডলার বিক্রি করছে। এভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তারপরও নিয়ন্ত্রণে আসছে না ডলারের বাজার। এই অবস্থায় ডলারের দাম বাজারের উপর অর্থাৎ চাহিদা-জোগানের ওপর ছেড়ে দেওয়ার পক্ষে মতামত দিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা।

অর্থনীতিবিদদের মতে, দেশে একদিকে ব্যাপক হারে আমদানির চাপ বেড়েছে। ফলে আমদানির দায় পরিশোধে বাড়তি ডলার লাগছে। কিন্তু সেই তুলনায় রেমিট্যান্স ও রফতানি আয় বাড়েনি। ফলে ব্যাংক ব্যবস্থা ও খোলাবাজারে মার্কিন ডলারের ওপর চাপ বাড়ছে। এতে করে বৈদেশিক মুদ্রা সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। যার কারণে টাকার বিপরীতে বাড়ছে ডলারের দাম। বাজার স্থিতিশীল রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংকগুলোর চাহিদার বিপরীতে ডলার বিক্রি করছে। এতে কমছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। কিন্তু তারপরও নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারছে না ডলারের দাম। এ অবস্থায় ডলারের দাম নির্ধারণ না করে চাহিদা-যোগানের উপর ছেড়ে দেওয়ার পরামর্শ দেন তারা।

ব্যাংকাররা বলছেন, চাহিদা বাড়ায় ডলারের দাম বাড়ছে। অনেক বিদেশি ব্যাংক ডলার ৯৪/৯৫ টাকায় কিনছে। এখন দর ঠিক রাখতে হলে বাজারের ওপর ছেড়ে দেওয়া ভালো। কারণ বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারণ করা রেটে কেনাবচা করছে না অধিকাংশ ব্যাংক। ফলে মুদ্রাবাজারে অস্থিরতা বাড়ছে। বিশ্বের বেশিরভাগ দেশেই ডলারের দাম বাজারের ওপর নির্ভয় করে। আমাদেরও সেই দিকেই যাওয়া উচিত।

তাদের মতে, ডলার নিয়ে দেশের মুদ্রাবাজারে এখন অস্থিরতা বিরাজ করছে। শিগগিরই এ সংকট কমার কোনো লক্ষণ নেই। এ সংকটের প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশ ব্যাংকে গচ্ছিত বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে। পাশাপাশি ব্যাংক ব্যবস্থায় নগদ টাকারও সংকট দেখা দিয়েছে। কারণ, বাংলাদেশ ব্যাংক ডলার বিক্রি করে ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নিচ্ছে। এতে চলতি হিসাবে লেনদেন ভারসাম্যেও ঘাটতি তৈরি হচ্ছে।

এই অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে, গত বৃহস্পতিবার (০২ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে ব্যাংকগুলোকে জানিয়ে দেওয়া হয়, বাজারের সঙ্গে সংগতি রেখে ব্যাংকগুলো নিজেরাই ডলারের দাম নির্ধারণ করতে পারবে। তবে হঠাৎ যেন ডলারের দাম বেশি বাড়িয়ে না ফেলা হয়, সেদিকে নজর রাখতে বলা হয়েছে ব্যাংকগুলোকে। পাশাপাশি বিদেশি এক্সচেঞ্জ হাউসগুলো যাতে দাম বেশি বাড়াতে না পারে, সেদিকেও খেয়াল রাখতে বলা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com