পাবনা প্রতিনিধি: পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার কাশীনাথপুর এলাকায় যৌথ পরিমাপ এবং নিয়ম অনুযায়ী নিজস্ব জমিতে ভবন নির্মাণকাজ পরিচালনা করা সত্ত্বেও চক্রান্তের শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মো. শফিকুল আলম খাঁন (টুটুল)। একটি স্বার্থান্বেষী কুচক্রী মহল বিভিন্ন সরকারি দপ্তরকে ভুল তথ্য ও মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে তার বিরুদ্ধে একের পর এক ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
নথিপত্র ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কাশীনাথপুর মৌজার এসএ-১২০৮ এবং আরএস-১৩১৬, ১৩২১, ১৩২২, ১৩২৫ ও ১৩২৬ দাগের জমি ওয়ারিশসূত্রে প্রাপ্ত হয়ে যথাযথ প্রক্রিয়ায় অনুমোদন নিয়ে ভবন নির্মাণ শুরু করেন টুটুল খাঁন। তবে নির্মাণকাজের শুরু থেকেই স্থানীয় একটি চক্র সরকারি জায়গা দখলের মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ এনে জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিতে থাকে।
অভিযোগের প্রেক্ষাপটে পাবনা পানি উন্নয়ন বোর্ড (বাপাউবো), সড়ক বিভাগ এবং স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন যৌথভাবে সরজমিনে সীমানা পরিমাপ করে। যৌথ পরিমাপে টুটুল খাঁনের ক্রয় ও ওয়ারিশসূত্রে পাওয়া সীমানার সঠিকতা প্রমাণিত হয়। পরবর্তীতে পরিমাপ অনুযায়ী স্থায়ী সীমানা নির্ধারণের নির্দেশ পেলেও কুচক্রী মহলটি নতুন করে চক্রান্তে মেতে উঠেছে।
ভুক্তভোগী টুটুল খাঁন জানান, প্রশাসনের যৌথ পরিমাপে তিনি সঠিক জায়গায় কাজ করছেন বলে সত্যতা নিশ্চিত হওয়া সত্ত্বেও কুচক্রী মহলটি থামেনি। তারা কাশীনাথপুর এলাকায় তার সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা ও সার্বিক অগ্রগতিতে ঈর্ষান্বিত হয়ে ভিন্ন ভিন্ন সরকারি দপ্তরে ভুল বুঝিয়ে ভুয়া তথ্য পাঠাচ্ছেন। এর পেছনে তার আর্থিক ক্ষতি সাধন ও সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা কাজ করছে।
এ বিষয়ে শফিকুল আলম খাঁন (টুটুল খাঁন) জেলা প্রশাসক বরাবর দায়ের করা আবেদনে উল্লেখ করেন, প্রশাসনের যৌথ ও নিরপেক্ষ পরিমাপে নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ার পরও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে বারবার কাজ বন্ধের চক্রান্তে পড়তে হচ্ছে। তিনি সরকারি সকল নিয়ম মেনে ব্যবসা ও নির্মাণকাজ পরিচালনা করছেন। মিথ্যা তথ্য প্রদানকারী ওই চক্রের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং স্থায়ী সীমানা পিলারের সঠিক বাস্তবায়নের মাধ্যমে এই অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র বন্ধে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, একটি প্রভাবশালী চক্র ব্যক্তিগত আক্রোশ ও সামাজিক হিংসা থেকে প্রশাসনিক দপ্তরগুলোকে ব্যবহার করে টুটুল খাঁনকে বারবার হয়রানি করছে, যা অত্যন্ত নিন্দনীয়।