1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২৬ অপরাহ্ন
Title :
সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দর বৃদ্ধির শীর্ষে উঠে এসেছে ওরিয়ন ইনফিউশন সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দরপতনের শীর্ষে বিডি থাই ফুড ডিজিটাল টিকিটিংয়ে স্বচ্ছতা ও পরিবহন পরিকল্পনায় নতুন সুযোগ ইসলামী ব্যাংকের ৪৩তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত নতুন ব্যবসায় ১০ লাখ ঋণের সঙ্গে ১০ লাখ টাকা অনুদান পাবেন তরুণ উদ্যোক্তারা আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজারে আসতে কোম্পানিগুলোকে বিএসইসির আহ্বান শাওমি নিয়ে এলো রেডমি নোট ১৭ সিরিজ প্রতিদিনের লাইফস্টাইলে পারফেক্ট ফিট ভিভো ভি৮০ লাইট ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়তে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ডাস্টবিন ও গাছের চারা বিতরণ করলেন বরিশাল সদর উপজেলা প্রশাসন নবীনগর বাজার থেকে ইয়াবাসহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার ১

মাধবপুর শাহজিবাজার বিদ্যুৎ কেন্দ্র ৬শ কোটি টাকা পরিশোধের পরও বন্ধ

  • আপডেট : রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ৮.২৫ পিএম
  • ২৩৩ Time View

লিটন পাঠান, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার শাহজিবাজারে নির্মিত ১০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন আধুনিক গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি ছয় বছর পেরিয়েও পুরোপুরি উৎপাদনে যেতে পারেনি। প্রায় ৮৯০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই প্রকল্পে সরকারের বিপুল অর্থ বিনিয়োগ হলেও বারবার যান্ত্রিক ত্রুটি ও প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে কেন্দ্রটি এখনো অচল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এরই মধ্যে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে প্রায় ৬০০ কোটি টাকার বেশি বিল পরিশোধ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ২০১৭ সালে শাহজিবাজারে অত্যাধুনিক গ্যাস টারবাইনভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায় চীনের প্রতিষ্ঠান চায়না ন্যাশনাল ক্যাবল ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন (সিসিসিইসি)। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে যুক্তরারেষ্ট্রর জেনারেল ইলেক্ট্রিক কোম্পানির এলএম-১০০ মডেলের অ্যারো-ডেরিভেটিভ গ্যাস টারবাইন স্থাপন করা হয়। চুক্তি অনুযায়ী ২০২০ সালের জুন মাসে কেন্দ্রটি উৎপাদনে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ২০২০ সালে করোনা ভাইরাস মহামারির প্রভাবে বিদেশি প্রকৌশলীরা বাংলাদেশ ত্যাগ করলে প্রকল্পের কাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। দীর্ঘ বিলম্বের পর ২০২১ সালের জানুয়ারিতে পরীামূলকভাবে কেন্দ্রটি চালু করা হলেও নির্ভরযোগ্যতা পরীার সময় টারবাইনের ব্লেড ভেঙে যায়।

পরে মেরামত শেষে একই বছরের ২৯ অক্টোবর পুনরায় চালু করা হয় কেন্দ্রটি। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই আবারও যান্ত্রিক ক্রুটি দেখা দেয়। পরবর্তীতে নতুন “সুপার কোর মেশিন” স্থাপন করে ২০২৪ সালের ফেব্রয়ারিতে পুনরায় উৎপাদনে যাওয়ার উদ্যোগ নেয় কর্তৃপ। প্রায় দুই মাস স্বাভাবিকভাবে চলার পর ২০২৪ সালের ২৯ এপ্রিল আবারও টারবাইনের ব্লেড ভেঙে যায়। এরপর থেকে কেন্দ্রটির উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। শাহজিবাজার ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক এ কে মফিজউদ্দিন আহমেদ জানান, কেন্দ্রটি চালু করতে একাধিকবার চেষ্টা চালানো হলেও জটিল প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে তা স্থায়ীভাবে উৎপাদনে যেতে পারেনি। বর্তমানে বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এই কেন্দ্র থেকে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২৪ লাখ ইউনিট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ হওয়ার কথা ছিল। যার বাজারমূল্য দৈনিক প্রায় ২ কোটি টাকা। পরিকল্পনা অনুযায়ী কেন্দ্রটি সময়মতো চালু হলে গত ছয় বছরে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকার বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হতো।

অথচ এখন পর্যন্তপরীামূলক উৎপাদন থেকে মাত্র ৩৪ কোটি টাকার বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে। পিডিবির প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আবদুল মান্নান বলেন, “পিডিবি ইতোমধ্যে প্রকল্পে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করেছে এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে প্রায় ৭০ শতাংশ বিল পরিশোধ করা হয়েছে। সে কারণে যেকোনো মূল্যে কেন্দ্রটি চালু করা হবে। প্রয়োজনে সরকারি ব্যবস্থাপনাতেই উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।” তিনি আরও জানান, চুক্তি অনুযায়ী এখনো প্রায় ১০ শতাংশ অর্থ আটকে রাখা হয়েছে, যার পরিমাণ প্রায় ৯০ কোটি টাকা। প্রকল্পের কাজ পুরোপুরি সম্পন্ন হলে এই অর্থ পরিশোধ করা হবে। বর্তমানে প্লান্টটির যন্ত্রাংশ মেরামত ও প্রযুক্তিগত সহায়তার জন্য চীনা ও মার্কিন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা চলছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা করছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সালের জুন নাগাদ শাহজিবাজার বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com