রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
ভেস্তে গেল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনা, তেহরানের কড়া অবস্থান হাম ঠেকাতে ৯৫% শিশুকে টিকার আওতায় আনার আহ্বান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর হবিগঞ্জে উজাড় হচ্ছে বন অবৈধ করাত কল নিয়ে বন বিভাগ ও পল্লী বিদ্যুতের টানাপোড়েন মাধবপুরে অস্তিত্ব সংকটে ৫টি চা বাগান বিপাকে হাজারো শ্রমিক পরিবার ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী পালিত ১২০ সেরা পরিবেশক প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করলো মার্সেল আইএফআইসি ব্যাংক এর “উপশাখা বিজনেস কনফারেন্স ২০২৬-খুলনা অঞ্চল” অনুষ্ঠিত সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন না করা ও শপথ গ্রহণ না করা জাতির সঙ্গে প্রতারণার শামিল সৌদিতে পাঠিয়ে খোঁজ নেই দালালের: ৩ মাসেও ইকামা ও কাজ পাননি প্রবাসী সালেহ আহমেদ ডিএসইতে সূচকের উত্থান, তবুও কমল ৭৩৭ কোটি টাকার বাজার মূলধন

মাধবপুরে অস্তিত্ব সংকটে ৫টি চা বাগান বিপাকে হাজারো শ্রমিক পরিবার

লিটন পাঠান
  • আপডেট : রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৪২ Time View

লিটন পাঠান, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী পাঁচটি চা বাগান দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং বাজার সংকটে জর্জরিত হয়ে এখন অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। এক সময় এই অঞ্চলের চা বিদেশে রপ্তানি হয়ে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করলেও বর্তমানে সেই গৌরবময় শিল্পই সংশ্লিষ্টদের জন্য বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। টানা লোকসানের প্রভাবে কয়েক হাজার চা শ্রমিক পরিবারের জীবনযাত্রা এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে। উপজেলার নোয়াপাড়া, বৈকুণ্ঠপুর, জগদীশপুর, সুরমা ও তেলিয়াপাড়া চা বাগান বর্তমানে নানা সমস্যায় ধুঁকছে। বিশেষ করে সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুর্শেদ খানের মালিকানাধীন নোয়াপাড়া চা বাগানের অবস্থা অত্যন্ত নাজুক।

গত তিন বছর ধরে এই বাগানের কারখানাটি বন্ধ থাকায় উৎপাদিত কাঁচা পাতা অন্য বাগানে বিক্রি করতে হচ্ছে। বাগানের ব্যবস্থাপক সোহাগ মাহমুদ জানান, দীর্ঘদিনের লোকসানের কারণে উৎপাদন চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। গ্যাস সংযোগ পুনরায় চালু হলেও পর্যাপ্ত পুঁজির অভাবে কারখানাটি সচল করা যাচ্ছে না। তিনি আরও বলেন, এই শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে হলে এখন সরকারের সরাসরি ও বিশেষ সহযোগিতা প্রয়োজন। এদিকে জগদীশপুর চা বাগানের ব্যবস্থাপক মনির আহমেদ কিছুটা আশার কথা শুনিয়েছেন তিনি জানান।

উৎপাদন বাড়ানোর চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে। তবে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সঠিক পরিকল্পনা ও বড় ধরনের বিনিয়োগ ছাড়া এই সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব নয়। বাগানগুলো পুরোপুরি বন্ধ হওয়ার উপক্রম হলে মালিক-শ্রমিক উভয় পক্ষই অপূরণীয় ক্ষতির শিকার হবে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব ফেলবে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে হাওরাঞ্চলের এই প্রাচীন শিল্পটি বিলুপ্তির পথে ধাবিত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS