1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ০৪:২৩ পূর্বাহ্ন
Title :
রাঙ্গামাটি জেলা আইনজীবী সহকারী সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে -সহ সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ কামাল পাশা কুমিল্লায় লবণবাহী ট্রাকে ইয়াবার বড় চালান, উদ্বার ১ লাখ ৬০ হাজার পিছ  নবীনগরে দুই অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশু নিহত, আহত ৩ সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্স পিএলসি. এর ৩৮তম বার্ষিক সাধারণ সভা সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে লেনদেনের শীর্ষে বেক্সিমকো ফার্মা যুক্তরাষ্ট্রে ওয়ালটন পিসিবিএ রপ্তানি উদ্বোধন করলেন তথ্য প্রযুক্তিমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা আইএফআইসি ব্যাংক ও বেস্ট ওয়েস্টার্ন প্লাস বে হিলস এর মধ্যে সমঝোতা স্বারক স্বাক্ষর স্মার্টফোন বিক্রিতে দারাজ ও পিকাবুতে শীর্ষে রিয়েলমি বিশ্ববিদ্যালয় ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতায় ভিভো ৯.৭ ইঞ্চির নতুন রেডমি প্যাড ২ নিয়ে এলো শাওমি

মাধবপুরে অস্তিত্ব সংকটে ৫টি চা বাগান বিপাকে হাজারো শ্রমিক পরিবার

  • আপডেট : রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ১২.২৩ পিএম
  • ১৭০ Time View

লিটন পাঠান, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী পাঁচটি চা বাগান দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং বাজার সংকটে জর্জরিত হয়ে এখন অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। এক সময় এই অঞ্চলের চা বিদেশে রপ্তানি হয়ে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করলেও বর্তমানে সেই গৌরবময় শিল্পই সংশ্লিষ্টদের জন্য বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। টানা লোকসানের প্রভাবে কয়েক হাজার চা শ্রমিক পরিবারের জীবনযাত্রা এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে। উপজেলার নোয়াপাড়া, বৈকুণ্ঠপুর, জগদীশপুর, সুরমা ও তেলিয়াপাড়া চা বাগান বর্তমানে নানা সমস্যায় ধুঁকছে। বিশেষ করে সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুর্শেদ খানের মালিকানাধীন নোয়াপাড়া চা বাগানের অবস্থা অত্যন্ত নাজুক।

গত তিন বছর ধরে এই বাগানের কারখানাটি বন্ধ থাকায় উৎপাদিত কাঁচা পাতা অন্য বাগানে বিক্রি করতে হচ্ছে। বাগানের ব্যবস্থাপক সোহাগ মাহমুদ জানান, দীর্ঘদিনের লোকসানের কারণে উৎপাদন চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। গ্যাস সংযোগ পুনরায় চালু হলেও পর্যাপ্ত পুঁজির অভাবে কারখানাটি সচল করা যাচ্ছে না। তিনি আরও বলেন, এই শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে হলে এখন সরকারের সরাসরি ও বিশেষ সহযোগিতা প্রয়োজন। এদিকে জগদীশপুর চা বাগানের ব্যবস্থাপক মনির আহমেদ কিছুটা আশার কথা শুনিয়েছেন তিনি জানান।

উৎপাদন বাড়ানোর চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে। তবে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সঠিক পরিকল্পনা ও বড় ধরনের বিনিয়োগ ছাড়া এই সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব নয়। বাগানগুলো পুরোপুরি বন্ধ হওয়ার উপক্রম হলে মালিক-শ্রমিক উভয় পক্ষই অপূরণীয় ক্ষতির শিকার হবে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব ফেলবে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে হাওরাঞ্চলের এই প্রাচীন শিল্পটি বিলুপ্তির পথে ধাবিত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com