1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন
Title :
প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ করেছে বিএটি প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ করেছে ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ করেছে ইস্টার্ন ব্যাংক প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ করেছে প্রাইম ইন্স্যুরেন্স প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ করেছে বিজিআইসি কক্সবাজারের ব্যবসায়ী ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট পাঁচ সংগঠনের সাথে হামদর্দের মতবিনিময় ও সমঝোতা চুক্তি সম্পন্ন ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল ল্যাবরেটরির উদ্যোগে হামের প্রতিরোধ ও সচেতনতা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের পাবজি দলের জন্য এয়ারটেলের থিম সং সব অপারেটরের গ্রাহকরা স্থানীয় রিটেইলারদের মাধ্যমে নিতে পারবেন টফি সাবস্ক্রিপশন নবযোগদানকারী ইউএনও মো. আব্দুল মালেকের সঙ্গে নালিতাবাড়ী উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা

নড়াইলের নড়াগাতীতে খাস ঘোষণার পরও যোগানিয়া হাটে টোলের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ

  • আপডেট : শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ৯.৪৮ পিএম
  • ১৫২ Time View

মামুন মোল্যা, নড়াইল প্রতিনিধি: নড়াইলের নড়াগাতী থানার যোগানিয়া হাট সরকারিভাবে খাস ঘোষণা করা হলেও সেখানে এখনো টোলের নামে চলছে চাঁদাবাজি —এমন অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত বছর টেন্ডারের মাধ্যমে হাটের ইজারা পান বিএনপি নেতা শরাফত আলী (শবো)। ইজারার মূল্য নির্ধারণ করা হয় ১৭ লাখ ৮০০ টাকা। এর মধ্যে ১০ লাখ টাকা পরিশোধ করলেও বাকি অর্থ পরিশোধ করতে না পারায় উপজেলা প্রশাসন পরবর্তীতে হাটটিকে খাস ঘোষণা করে।

কিন্তু বাস্তবে খাস ঘোষণার কোনো প্রভাব দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন হাটের ব্যবসায়ীরা। সরেজমিন হাটে গিয়ে বিক্রেতা ও দোকানিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা অনেকেই জানেন না যে হাটটি খাস ঘোষণা করা হয়েছে। প্রতি হাটে আগের মতোই অতিরিক্ত হারে টোল আদায় করা হচ্ছে।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, পূর্বের ইজারাদার পক্ষের লোকজন এখনো টোল আদায় করছে। ঈদকে কেন্দ্র করে অতিরিক্ত ‘বোনাস’ নামেও টাকা আদায় করা হচ্ছে বলে জানান তারা।

স্থানীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, শরাফত আলী শবো হাটটি কয়েকটি ভাগে ভাগ করে সাপ্তাহিক দুই দিনের হাট বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে দিয়ে দেন। তাদের মধ্যে হাফিজ, রিপন, মহ্মের, লুৎফার, দেলবার, মন্টু মাস্টার ও পাগলা কুদ্দুসসহ কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে। অভিযোগ রয়েছে, তারা অতিরিক্ত মুনাফার আশায় ক্রেতা-বিক্রেতাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে টোল আদায় করছেন এবং সরকারি কোনো নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা করছেন না।

এ বিষয়ে কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো :- জিন্নাতুল ইসলাম বলেন, “হাটটি খাস ঘোষণার পর কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর মাধ্যমে টোল আদায়ের সুযোগ নেই। এ বিষয়টি আপনাদের মাধ্যমে জানতে পেরেছি, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে অনিয়ম বন্ধের দাবি জানিয়েছেন তারা।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com