1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১৮ অপরাহ্ন
Title :
নবীনগরের শ্রীরামপুরে সাপের কামড়ে যুবকের মৃত্যু উবারের নতুন সেবায় যুক্ত হলো ‘উবার পার্সেল’ প্রখ্যাত গীতিকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং পরিচালক গাজী মাজহারুল আনোয়ার স্মরণে ‘দি আর্টিস্ট ক্লাব’-এর বিশেষ আয়োজন ‘আইকনিক টিউজডে হরিপুরে পুলিশ বিজিবির অভিযানে মাদকসহ আটক – ৪ জন গ্রাহকসেবার মান উন্নয়নে কমিউনিটি ব্যাংকের প্রশিক্ষণ ২০টিরও বেশি দেশের অংশগ্রহণে আগামী ২৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা বিটিটিএফ ২০২৬ স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয়ে ডাব্লিউএসইউপি’র নারী উদ্যোক্তা তৈরির প্রশিক্ষণ বৈষম্যহীন সমাজ, মর্যাদাবান রাষ্ট্র এবং শ্রেষ্ঠ জাতি গঠনে ‘বৈষম্যহীন মর্যাদা সংলাপ’ অনুষ্ঠিত রপ্তানি বৈচিত্র্যকরণে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৩০ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন স্কিমে ট্রাস্ট ব্যাংকের অংশগ্রহণ রেলওয়ের প্রশাসনিক কাঠামো ধ্বংস নয়, শৃঙ্খলা ও জবাবদিহি চাই রেলওয়ে মহাপরিচালককে ঘিরে অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর প্রচারের প্রতিবাদে, সংবাদ সম্মেলন

মাতৃভাষা এবং এর সার্থকতা- ইমতিয়াজ আহমেদ

  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ৪.১১ পিএম
  • ৩৪৪ Time View

মনের ভাব প্রকাশের প্রধান মাধ্যম হলো ভাষা। প্রতিটি জাতিরই রয়েছে নিজস্ব ভাষা, যা মাতৃভাষা হিসেবে গণ্য। মায়ের গর্ভ থেকে ভুমিষ্ঠ হওয়ার সাথে সাথেই মানব সন্তান তার মাতৃভাষা পেয়ে থাকে। মাতৃভাষাতেই আস্তে আস্তে ভাব প্রকাশ করতে শিখে।

পৃথিবীর অন্যান্য জাতির মত আমাদেরও রয়েছে মাতৃভাষা। আবার অন্যান্য জাতি থেকে মাতৃভাষার বিষয়ে আমাদের আছে ভিন্নতা। কারণ, আমাদের রয়েছে মাতৃভাষা রক্ষার গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস। ১৯৪৭ সালে উদ্ভট দ্বি-জাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে হাজার হাজার মাইল দূরত্বের দুটি ভূখন্ড নিয়ে পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়। ভিন্ন সংস্কৃতি, কৃষ্টি, মানসিকতার জাতির সংমিশ্রনে পাকিস্তানের উদ্ভবের পর হতেই পশ্চিম পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠী জগদ্দল পাথরের মত চেপে বসে বাঙালী জাতির উপর। প্রথমেই আঘাত হানে বাঙালী জাতির মাতৃভাষার উপর। পশ্চিম পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠী উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্র করতে অপচেষ্টা চালিয়েছিল। তাই মাতৃভাষা বাংলাকে রক্ষার জন্য দিতে হয়েছে মূল্যবান প্রাণ। ১৯৫২ সালে রক্তে রঞ্জিত হয় পিচঢালা ঢাকার রাজপথ। প্রাণের বিনিময়ে রচিত হয়েছে মাতৃভাষা রক্ষার ইতিহাস। এখানেই অন্যান্য জাতি থেকে মাতৃভাষার প্রশ্নে আমাদের রয়েছে ভিন্নতা।

মাতৃভাষার অন্তর্নিহিত সার্থকতা কোথায়? সার্থকতা সর্বত্র এর যথাযথ প্রয়োগে। আমাদের মাতৃভাষাকে ব্যক্তিগত ও রাষ্ট্রযন্ত্রের সর্বত্র যথাযথ প্রয়োগেই এর সর্বোচ্চ সার্থকতা নিহিত। নাগরিক হিসেবে প্রাত্যহিক জীবনে ব্যক্তিকেও যেমন মাতৃভাষা চর্চার ক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন করতে হবে তেমনি রাষ্ট্রযন্ত্রকেও পদক্ষেপ নিতে হবে। দপ্তর, আদালত, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ সকল দাপ্তরিক কাজে বাংলার ব্যবহার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। দেশের আভ্যন্তরীণ দাপ্তরিক পত্রালাপ শতভাগ বাংলায় যেন করা হয়। সকল নথিপত্র যেন বাংলায় লিপিবদ্ধ হয়। দাপ্তরিক কার্যক্রমের ক্ষেত্রে শতভাগ বাংলা ব্যবহার করার লক্ষে ১৯৮৭ সালে আইন জারী করা হয়েছে, যা ‘বাংলা ভাষা প্রচলন আইন, ১৯৮৭’ নামে চিহ্নিত। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৩নং অনুচ্ছেদের বিধানকে পূর্ণরূপে কার্যকর করার উদ্দেশ্যে ১৯৮৭ সালের ০৮ মার্চ তারিখে প্রণীত আইনটি ১৯৮৭ সালের ২ং আইন (বাংলাদেশ কোড, ভলিউম ২৭)। এই আইন প্রণয়নের পর থেকে জাতীয় সংসদের সকল আইন বাংলা ভাষায় প্রণীত হচ্ছে। এই আইন অনুযায়ী, বাংলাদেশের সর্বত্র তথা সরকারী অফিস, আদালত, আধা-সরকারী, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নথি ও চিঠিপত্র, আইন-আদালতের সওয়াল জবাব ও অন্যান্য আইনানুগ কার্যাবলী অবশ্যই বাংলায় লিখতে হবে এবং যদি কোন ব্যক্তি বাংলাভাষা ব্যতীত অন্য কোন ভাষায় আবেদন বা আপীল করেন তা হলে সে আবেদন বেআইনি ও অকার্যকর বলে গণ্য হবে। যদি কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারী এই আইন অমান্য করেন তাহলে উক্ত কার্যের জন্য তিনি সরকারী কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপীল বিধির অধীনে অসদাচরণ করেছেন বলে গণ্য হবেন এবং তার বিরুদ্ধে সরকারী কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপীল বিধি অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে। মাতৃভাষা বাংলার সর্বোচ্চ প্রয়োগের নিমিত্তে ১৯৮৭ সালে প্রণীত আইনটির যথাযথ প্রয়োগ করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব ও কর্তব্য। কেবলমাত্র বৈদেশিক যোগাযোগের পত্রালাপে অন্যভাষা ব্যবহার করা যেতে পারে।

নিজ ভাষাকে অবহেলা করে কখনো প্রকৃত অর্থে জাতীয় উৎকর্ষতা লাভ করা যায় না। কারণ, মাতৃভাষা হলো জাতির আত্মপরিচয়ের ঠিকানা। তাই আমাদের আত্মপরিচয়ের ঠিকানা বাংলা ভাষা সর্বক্ষেত্রে সর্বোচ্চ প্রয়োগ অতীব জরুরি।

লেখক পরিচিতি: ইমতিয়াজ আহমেদ; সভাপতি, সমাজ রূপান্তর সাংস্কৃতিক সংঘ, ময়মনসিংহ।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com