1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০৩ পূর্বাহ্ন
Title :
ওবিইউকে সরাসরি বৈদেশিক মুদ্রা কেনাবেচার সুযোগ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক আদালতে অপ্রতিম হত্যার ৪ আসামি, ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক-এর বাংলা কিউআর ও ক্যাশলেস ডিজিটাল ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন উদ্বোধন কমিউনিটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ৮০তম সভা অনুষ্ঠিত নবীনগরের বিদ্যাকুটে নিখোঁজের ২ দিন পর ঝোপঝাড়ে মিললো মাদ্রাসা ছাত্রীর অর্ধগলিত লাশ! বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব শান্তি দিবস ২০২৬ উদযাপন করল জেএমআই গ্রুপ টাঙ্গাইলে ৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যাচ্ছে ইজিবাইকের পেটে; ঘন ঘন লোডশেডিং, কলকারখানা বন্ধের উপক্রম, চাহিদার ঘাটতি ৪১ শতাংশ টাঙ্গাইলে বিএনপি নেতা ফারুক হত্যা মামলা; নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতাসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৪ জনের যাবজ্জীবন আন্তর্জাতিক বাজারে ওয়ালটনের মতো দেশীয় ব্র্যান্ডকে আরও তুলে ধরতে হবে: রাষ্ট্রদূত ‘হজ এজেন্ট কাফেলা কার্ড’ চালু করেছে ইসলামী ব্যাংক

ভোলায় তরুণের আবিষ্কার, শিশু পানিতে পড়লেই বেজে উঠবে সাইরেন, কল যাবে মোবাইল ফোনে…!

  • আপডেট : বুধবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৬, ৫.২১ পিএম
  • ২৭০ Time View

শিশু পানিতে পড়লেই বেজে উঠবে সাইরেন, কল যাবে মোবাইলে। শিশুর পানিতে পড়ে মৃত্যু রোধে নতুন ‘চাইল্ড সেফটি ডিভাইস’ নামের একটি প্রযুক্তির উদ্ভাবন করলেন ভোলার মনপুরার তরুন মো. তাহসিন। তার উদ্ভাবিত লকেট আকৃতির এ ডিভাইসটি থাকবে শিশুর শরীরে। আর রিসিভার থাকবে অভিভাবকদের কাছে। শিশু পানির সংস্পর্শে আসলেই বেজে উঠবে সাইরেন (বিপদ সংকেত)। সর্তকীকরণ কল চলে যাবে অভিভাবকের মোবাইল ফোনে।

জিপিএস-এর মাধ্যমে দুর্ঘটনাস্থলও চিহ্নিত করার সুযোগ থাকবে এ ডিভাইসে। তাহসিনের উদ্ভাবিত ‘চাইল্ড সেফটি ডিভাইস’টির পরীক্ষামূলক প্রদশর্নী অনুষ্ঠিত হয় ভোলা পৌরসভার পুকুরে। সেখানে দেখা যায়, পুকুর ভর্তি পানিতে নেমে পড়ছে সাঁতার না জানা এক শিশু। সাথে সাথেই বেজে উঠলো বিপদ সংকেত (সাইরেন)।  বিপদের আভাস পেয়ে আশপাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করলো। পানিতে ডুবে মৃত্যু থেকে রক্ষা পেল শিশুটি। ভোলা শহরের পৌরসভার পুকুরে পরীক্ষামূলক প্রদশর্নী দেখতে ভিড় করেন অনেক মানুষ। উপস্থিত ছিলেন সিভিল সার্জন ডা. মনিরুল ইসলাম ও সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আরিফুজ্জামানও।

সিভিল সার্জন ডা. মনিরুল ইসলাম জানান, পানিতে পড়ে শিশু মৃত্যুর ঝুঁকিতে থাকা ভোলার মানুষের জন্য এটা সুখবর। এর প্রসার ও প্রচারের জন্য সবধরনের সহায়তা করবেন তিনি।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামান বলেন, এ ডিভাইসটি যদি একজনেরও জীবন রক্ষা করতে পারে তবে এটা সফল। এ উদ্ভাবন প্রশংসনীয়। তাহসিন জানান, পানিতে ডুবে নিজের দুই খালাতো বোনের মৃত্যু ভীষণভাবে নাড়া দেয় তরুন মো. তাহসিনকে। বিজ্ঞান প্রেমি তাহসিনের সেই ভাবনা থেকে উদ্ভাবন করেন লকেট আকৃতির বিশেষ একটি ডিভাইস। যার নাম ‘চাইল্ড সেফটি ডিভাইস’। এ ডিভাইস সাথে থাকা শিশুটি পানির সংস্পর্শে আসলেই বেজে উঠবে সাইরেন। কল চলে যাবে অভিভাবকের মোবাইল ফোনে।

অভিভাবকরা চাইলে জিপিএস-এর মাধ্যমে শিশুটি কোথায় পানিতে পড়েছে তার স্থানও নির্ধারণ করতে পারবে। এ ডিভাইস উদ্ভবানে প্রায় ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। পুরোটাই পরিবারের সহায়তায়। প্রথমদিকে আয়তন ও ওজন বড় ছিল। কিন্তু বর্তমানে শিশুর শরীরে যুক্ত রাখার লকেটটির ওজন মাত্র ২ গ্রাম। অভিভাবকের কাছে থাকবে একটি পোর্টেবল রিসিভার।

ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রতিবছর গড়ে প্রায় ১৪ হাজার শিশু পানিতে ডুবে মারা যায়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঝু*কিতে থাকে উপকূলীয় এলাকার ১ থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুরা। এটি রোধে সচেতনা ও সাঁতার শেখানো ছাড়া বিকল্প কোনো উপায় নেই। তাই এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে প্রযুক্তির ব্যবহার ও ঘরে বসেই দুর্ঘটনা রোধ করা সম্ভ বলে মনে করেন উদ্ভাবক তাহসিন।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com