1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:২০ অপরাহ্ন
Title :
কালিয়ায় কুপনভিত্তিক মিড-ডে-মিল কর্মসূচির উদ্বোধন ডিজিটাল ন্যানো ঋণ চালুর লক্ষ্যে ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি ও শেবা.এক্সওয়াইজেড-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ করেছে ইসলামী ইন্স্যুরেন্স তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ করেছে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ করেছে এনআরবি ব্যাংক রিজভীর কথা ও ওয়ালিদের সুরে প্রথমবারের মতো চলচ্চিত্রের গানে অভী প্রেস ক্লাবে হামলা ও ফ্ল্যাট দখলের হীন নীল নকশা: ‘বিজয় রাকিন সিটিতে বহিরাগতদের যোগসাজসে প্রশাসকের ভয়াল সিন্ডিকেট’ কিশোর ফুটবল টুর্নামেন্ট ক্রীড়াঙ্গনে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে-আসাদুল হাবিব দুলু কুমিল্লা বোর্ডে এইচএসসিতে পাসের হার ৪৮.০৪ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১,৩১৩ জন, ফলাফলে এগিয়ে মেয়েরা

রাজস্ব আহরণে বিকল্প উৎস হিসেবে পুঁজিবাজারকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত

  • আপডেট : বুধবার, ২০ আগস্ট, ২০২৫, ৬.০৯ পিএম
  • ৯৪ Time View

রাজস্ব আহরণে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি না হওয়ায় বিকল্প উৎস হিসেবে পুঁজিবাজারকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত। বিদেশি অর্থায়ন শুধু প্রত্যক্ষ বিনিয়োগেই সীমাবদ্ধ নয়, পুঁজিবাজারেও বিদেশি বিনিয়োগ আনার বড় সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর।

বুধবার (২০ আগস্ট) রাজধানীর একটি হোটেলে কেয়ার বাংলাদেশের আয়োজনে ‘দ্য নেক্সট ফ্রন্টিয়ার: ড্রাইভিং ডেভেলপমেন্ট উইথ মার্কেটস, ক্যাপিটাল অ্যান্ড ইনোভেশন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে গভর্নর এসব কথা বলেন।

গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেন, “আমাদের নিজস্ব সম্পদ আহরণের সক্ষমতা বাড়াতে হবে, যা করা পুরোপুরি সম্ভব। বিদেশি সহায়তা একসময় জিডিপির ১২–১৪ শতাংশ থাকলেও বর্তমানে তা অনেক কমে এসেছে। এখন দেশের উন্নয়নে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকেই অর্থ জোগাড় করতে হবে।”

তিনি বলেন, রাজস্ব আহরণে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি না হওয়ায় বিকল্প উৎস হিসেবে পুঁজিবাজারকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত। এ বিষয়ে তিনি বলেন, “বিদেশি অর্থায়ন শুধু প্রত্যক্ষ বিনিয়োগেই সীমাবদ্ধ নয়, পুঁজিবাজারেও বিদেশি বিনিয়োগ আনার বড় সুযোগ রয়েছে।”

গভর্নরের মতে, অর্থনীতির তিনটি বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ধারাবাহিক উদ্যোগ প্রয়োজন— মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা এবং উদ্ভাবন ও আর্থিক শিক্ষা বিস্তার। তিনি বলেন, “আমরা জানি ব্যাংক খাতের কী অবস্থা। একে স্থিতিশীল করতে ধাপে ধাপে পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে, বাস্তবায়নে সময় লাগবে ৩ থেকে ৪ বছর।”

তিনি আরও বলেন, ঋণ গ্রহণে স্বচ্ছতা, ব্যাংকবহির্ভূত জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি এবং গ্রামাঞ্চলে এজেন্ট ব্যাংকিং সম্প্রসারণের মাধ্যমে অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা হচ্ছে।

মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ও ক্ষুদ্র ঋণের প্রসার নিয়ে গভর্নর জানান, “প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ক্ষুদ্র ঋণ দেওয়া হচ্ছে এবং ইতিমধ্যে বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা বিতরণ হয়েছে।”

গভর্নরের মতে, সময় এসেছে উন্নয়ন সহযোগী নয়, নিজস্ব বাজারভিত্তিক অর্থায়ন কাঠামো গড়ে তোলার— যেখানে পুঁজিবাজার হবে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com