1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন
Title :
Financial Statements (Q2) of BANGLADESH NATIONAL INSURANCE COMPANY LIMITED Financial Statements (Q2) of National Bank PLC পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে ইউনাইটেড ফাইন্যান্স নবীনগরে ১৫০ প্রধান শিক্ষক পদ শূন্য, সংকটে শিক্ষা ব্যবস্থা হবিগঞ্জে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার; মৃত্যু নিয়ে রহস্য, পলাতক স্বামী ও স্বজনরা এবি ব্যাংকে নবনিযুক্ত ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি অফিসারদের অভিষেক অনুষ্ঠিত ৭,৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের শক্তিশালী ব্যাটারি ও ২.৩২ দিন পর্যন্ত ব্যাটারি লাইফ নিয়ে আসছে রেডমি ১৭ মুখ থুবরে পড়েছে যমুনা সেতু-ঢাকা মহাসড়কের বিকল্প পথ; ছয় বছরে তিন পিলারে আটকে আছে সেতু নির্মাণ টানা ৬ বছরের পারফরম্যান্স নিশ্চয়তা মিলবে এই স্মার্টফোনে পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স

আমরা ধীরে ধীরে মারা যাচ্ছি

  • আপডেট : শনিবার, ২ আগস্ট, ২০২৫, ৮.২২ পিএম
  • ৭৩ Time View

চলতি সপ্তাহে জাতিসংঘ-সমর্থিত ক্ষুধা বিশেষজ্ঞরা আনুষ্ঠানিক নিশ্চিত করেছেন যে ‘দুর্ভিক্ষের সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি’ গাজায় বিকশিত হচ্ছে। অবশ্য গাজার মানুষদের জন্য এই নিশ্চিতিকরণ প্রয়োজন ছিল না। কারণ কয়েক মাস ধরে তারা তাদের সন্তানদের ক্ষুধার কারণে মরতে দেখেছেন।

মধ্য গাজার মাঘাজির ৩৮ বছর বয়সী জামিল মুগারি বলেন, “আমার সব সন্তানের শরীরের ওজন প্রায় অর্ধেক কমে গেছে। আমার পাঁচ বছর বয়সী মেয়ের ওজন এখন মাত্র ১১ কেজি। আমার ছেলে মোহাম্মদ কেবল চামড়া এবং হাড় হয়ে গেছে। আমার সব সন্তানের অবস্থা এমন। আমার নিজের ওজন আগে ৮৫ কেজি ছিল, এখন আমার বয়স ৫৫-এ নেমে এসেছে।”

পরিবারের জন্য খাবার খুঁজে বের করার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি ধরে রাখতে জামিল লড়াই করছেন।

তিনি বলেন, “মাঝে মাঝে রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে আমার মাথা ঘোরে এবং আমি প্রায় পড়ে যাই। কিন্তু আমি নিজেকে সোজা থাকতে বাধ্য করি। আমি মাঝে মাঝে কাঁপুনি অনুভব করি।”

সপ্তাহের ব্যবধানে, গাজা দুটি ভয়াবহ মাইলফলক অতিক্রম করেছে। আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিনি মৃতের সংখ্যা ৬০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। তবে ইসরায়েলি বিমান হামলায় ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া ব্যক্তিদেরসহ প্রকৃত সংখ্যা আরো অনেক বেশি হতে পারে।

বোমা এবং বন্দুকযুদ্ধের সাথে সাথে দুর্ভিক্ষের কারণে নির্বিচারে হত্যার শিকার মানুষের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। মঙ্গলবার, জাতিসংঘ এবং অন্যান্য সাহায্য সংস্থার বিশেষজ্ঞদের একটি প্যানেল বলেছে, 
“গাজা উপত্যকায় বর্তমানে দুর্ভিক্ষের সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি চলছে।”

ইসরায়েলের বিধিনিষেধের কারণে গাজায় এখন খাবার প্রায় অস্তিত্বহীন উল্লেখ করে জামিল বলেন, “আমরা এক বা দুই সপ্তাহ ধরে কোনো আটা ছাড়াই চলতে পারি। কখনো কখনো আমরা দিনে মাত্র একবারই খাই; ডাল, এবং কখনোা কখনো আমরা খাওয়ার জন্য কিছুই পাই না আমরা কেবল পেট ভরে রাখার জন্য পানি পান করে দিন কাটাই।”

জামিলের ওপেন হার্ট সার্জারি হয়েছে এবং তার সব সন্তানই ১২ বছরের কম বয়সী। খাবারের জন্য তারা জীবনের ঝুঁকি নিতে চাইলেও, তারা তা করতে পারছে না।

তিনি বলেন, “আমি আমার সন্তানদের খাবার সরবরাাহের জন্য অবিচল থাকার চেষ্টা করি। আমরা বিশ্বকে অনেক বার্তা পাঠিয়েছি, কিন্তু কেউ আসেনি। আমরা আর কী বলব জানি না। আমি বিশ্বকে শুধু এটুকুই বলতে পারি যে আমরা ধীরে ধীরে মারা যাচ্ছি, এই ট্র্যাজেডি থেকে আমাদের বাঁচান।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com