শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:২৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
ক্ষমতায় যাওয়ার আগে জনগণ যাদের হাতে নিরাপদ নয়, ক্ষমতায় যাওয়ার পর আরো বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়বে : ডা.শফিকুর রহমান ঢাকা রিজেন্সিতে আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কিং বিজনেস ডিনার অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় ধানের শীষ বিজয়ী হলে একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করবো -শিবপুরে জনসভায় আব্দুর রউফ চট্টগ্রাম-১২ আসনে জামায়াত প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে সরে দাঁড়ালেন এলডিপির এয়াকুব আলী ঢাকা-৫ এর ৬৬নং ওয়ার্ডে গণসংযোগে নবী উল্লাহ নবী; জনদুর্ভোগ লাঘব ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার আশ্বাস ভিপি নুরুল হক নূরের পক্ষে ভোট চাইলেন ইশরাক হোসেন মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনে ধানের শীষের প্রচারে বিএনপি নেতা : শহীদ কমিশনার ফুলছড়িতে যৌথ বাহিনীর অভিযানে দেশীয় অস্ত্রসহ ইউনিয়ন বিএনপি নেতা মিলন আটক জলঢাকায় বিয়ের ৪ মাস পর গৃহবধূ আদুরীর রহস্যজনক মৃত্যু গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর থানা মাদক সংক্রান্ত একটি ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে

শেরপুরে বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ৭

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : রবিবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৪
  • ৯৯ Time View

শেরপুরে বৃষ্টিতে পরিস্থিতি ক্রমাগত অবনতি হওয়ায় এবং পাহাড়ি ঢলে বন্যায় দুই শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। বন্যায় এই জেলায় এখন পর্যন্ত ৭ জনের মৃত্যুর খবর জানা গেছে। পানিবন্দি মানুষদের উদ্ধারে কাজ করছে স্থানীয় প্রশাসনসহ সেচ্ছাসেবী সংগঠন, বিজিবি।

শনিবার (৫ অক্টোবর) রাত থেকে নতুন করে শেরপুর সদর এবং নকলা উপজেলার আরও ৭টি ইউনিয়ন পানিতে প্লাবিত হয়েছে। পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকায় শেরপুরের মহারশি, সোমেশ্বরী, চেল্লাখালি, ভোগাই ও মৃগী নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে শেরপুরের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি হয়েছে।

এখন পর্যন্ত শেরপুরের ৫টি উপজেলার ২৮টি ইউনিয়নের দুই শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। আর পানিবন্দী হয়ে পড়েছে দেড় লাখেরও বেশি মানুষ। ঝিনাইগাতী এবং নালিতাবাড়ী উপজেলার সব সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

পানিবন্দী মানুষদের উদ্ধারে কাজ করছে স্থানীয় প্রশাসনসহ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, বিজিবি। এছাড়া গতকাল শনিবার সকাল থেকে সেনাবাহিনীর সদস্যরাও উদ্ধারকাজে যুক্ত হয়েছেন।

নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান বলেন, সবশেষ শনিবার রাতে নকলায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া বন্যায় নালিতাবাড়ী উপজেলায় পাঁচজন ও ঝিনাইগাতীতে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান বলেন, জেলার বেশ কয়েকটি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। দুর্গতদের উদ্ধারে ও শুকনো খাবার পৌঁছে দিতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। একইসঙ্গে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ার খবর পাচ্ছি।

শেরপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা প্রণব কুমার কর্মকারের দেওয়া তথ্যমতে, শুধু ঝিনাইগাতী এবং নালিতাবাড়ী উপজেলায় ২ হাজার ৫৭টি মাছের ঘের ভেসে গেছে। ক্ষতির পরিমাণ প্রাথমিক হিসাবে ১১ কোটি টাকার বেশি।

কৃষি অফিসের তথ্যমতে, জেলার অন্তত ৩০ হাজার হেক্টর আমন আবাদ এবং এক হাজার হেক্টর সবজির আবাদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে অন্তত ৭০ হাজার কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

শনিবার সকাল থেকেই নালিতাবাড়ী উপজেলায় উদ্ধার এবং ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছে সেনাবাহিনী। ৬টি স্পিড বোটের মাধ্যমে ৬০ জন সেনাসদস্য উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল আলম রাসেল বলেন, পানিবন্দী মানুষদের সঠিকভাবে উদ্ধার করতে সফল হয়েছি। অনেককে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাদের জন্য বিশুদ্ধ পানি এবং শুকনো খাবারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। উপজেলার ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুম রানা বলেন, নালিতাবাড়ীতে আশ্রয়কেন্দ্র রয়েছে ১২৩টি। এর মধ্যে ৫৮টি আশ্রয়কেন্দ্রে ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। এর মধ্যে ৫টি ইউনিয়নে বেশি ক্ষতি হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS