রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ০৬:৪৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরমান আর চৌধুরী এবং উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ নাদিমসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক ইসলামী ব্যাংকের শরী’আহ সুপারভাইজরি কাউন্সিলের সভা অনুষ্ঠিত মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে কর্মবিরতি খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা, বীরগঞ্জ উপজেলায় অসহায়দের মাঝে খাবার বিতরণ এসএমই খাতে ঋণপ্রবাহ জোরদারে এসএমইডিপি-২ পুনঃঅর্থায়ন স্কিমে যুক্ত হলো কমিউনিটি ব্যাংক ভিভো এক্স৩০০ প্রো-এর সাথে ফটোগ্রাফির ভবিষ্যৎ ট্রাস্ট ব্যাংক এবং র‍্যাংগস লিমিটেডের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় জিয়াউর রহমান সমাজকল্যান ফোরামের দোয়া মাহফিল আগামী ৭২ ঘন্টার মধ্যে লিবিয়া ত্রিপলি বিরগানাম জাওয়াইয়া গুলশাল থানায় আটককৃত ২৬ জনের ব্যাপারে সরকারকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে: ভিকটিম পরিবার এবি ব্যাংকের স্থানান্তরিত সাভার শাখার উদ্বোধন

মাদক ব্যবসায় অর্জিত ১৭৮ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : বুধবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৪
  • ১৪৮ Time View

মাদক ব্যবসার মাধ্যমে অর্জিত ১৭৮ কোটি ৪৪ লাখ টাকার সম্পদ জব্দ করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি’র সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন সংস্থাটির প্রধান মোহাম্মদ আলী মিয়া।

তিনি বলেন, সিআইডি এখন পর্যন্ত ৩৫টি মাদকের টাকা পাচার সংক্রান্ত মামলা তদন্ত করছে। এর মধ্যে ১০টি মামলায় প্রকৃত গডফাদারদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, মাদকের অর্থে করা বাড়ি-গাড়ি ও জমি ক্রোক করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত মাদক মামলায় ১২২ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি। তাদের মধ্যে এজাহারনামীয় ৬৭ জন। এসব মামলায় গডফাদারদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিছু মামলায় চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। ১০টি মামলার মধ্যে তিনটি মামলায় গডফাদারদের ৯.১৪ একর জমি ও দুটি বাড়ি ক্রোক করা হয়েছে। এসবের দাম ৮ কোটি ১১ লাখ টাকা। বিভিন্ন মামলায় ব্যাংকে গচ্ছিত ১ কোটি ২৩ লাখ ২৩ হাজার ৪২৫ টাকা ফ্রিজ করা হয়েছে। আরও ৩৫.১৭৩ একর জমি, ১২টি বাড়ি ও একটি গাড়ি ক্রোক করার প্রক্রিয়া চলছে। এসবের দাম ৩৬ কোটি ৮২ লাখ টাকা।

সিআইডির প্রধান বলেন, মাদক মামলায় সাধারণত সেবনকারী বা বাহক পর্যন্ত তদন্ত করেই চার্জশিট দেওয়া হয়। গডফাদাররা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়। গডফাদারদের আইনের আওতায় আনতে পারলে মাদকের এত ব্যাপকতা থাকত না। সিআইডি প্রথম গডফাদারদের গ্রেপ্তার ও তাদের সম্পদ ক্রোকের কাজে হাত দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সম্পদের তথ্য আমরা আদালতে উপস্থাপন করি। আদালত ক্রোকের নির্দেশ দেন। পরে সম্পদ ক্রোক করে আদালতে জমা দেওয়া হয়। গডফাদাররা এতদিন ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিল। তারা প্রকৃতপক্ষে পেশাগতভাবে মাদক ব্যবসায়ী। মাদক সংশ্লিষ্টতায় সাধারণত প্রথমে বাহক বা সেবনকারীকে ধরা হয়। এর পেছনে কারা আছেন, সে পর্যন্ত যাওয়া হতো না। সিআইডি ভিন্ন আঙ্গিকে পেছনের ব্যক্তিদের খোঁজ নেওয়া শুরু করে। তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট তল্লাশি করা হয়েছে। সন্দেহজনক লেনদেনের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা মাদক ব্যবসার কথা স্বীকার করে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2025 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS