1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:০৪ অপরাহ্ন
Title :
নেপালে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রাণহানিতে গভীর শোক ও সমবেদনা তরুণ ক্রিয়েটর, ট্রেন্ডসেটার ও চেঞ্জমেকারদের ক্ষমতারয়নের লক্ষ্যে ১৫ জন ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর অনবোর্ড করেছে অপো টাঙ্গাইলে মাংস বিক্রির উদ্দেশ্যে পরিত্যক্ত বাড়িতে ১০ ঘোড়া জবাই শান্তিতে ঘুমানোর দাবিতে গণবিক্ষোভ ও মানববন্ধন টাঙ্গাইলে মাদকাসক্ত ছেলের হাতে ভ্যান চালক বাবা খুন কুমিল্লায় ঘুরতে বেরিয়ে রাতভর প্রেমিক সহ ৪ বন্ধুর গণধর্ষণের শিকার ১৫ বছরের কিশোরী কুমিল্লায় ডিবি পুলিশের অভিযানে সরকারি শর্টগান ও এলজিসহ যুবক গ্রেপ্তার মার্কিন নির্বাচনে ১৮ মাসে করপোরেট অনুদান ৬৪ কোটি ৬০ লাখ ডলার বাংলাদেশে ৬ লাখ মানুষের চাকরি হারানোর আশঙ্কা বিশ্বব্যাংকের তিন বাণিজ্যিক সম্পদ বিক্রি করবে মাইডাস ফাইন্যান্সিং

মাদক ব্যবসায় অর্জিত ১৭৮ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ

  • আপডেট : বুধবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৪, ৪.২৮ পিএম
  • ২১৯ Time View

মাদক ব্যবসার মাধ্যমে অর্জিত ১৭৮ কোটি ৪৪ লাখ টাকার সম্পদ জব্দ করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি’র সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন সংস্থাটির প্রধান মোহাম্মদ আলী মিয়া।

তিনি বলেন, সিআইডি এখন পর্যন্ত ৩৫টি মাদকের টাকা পাচার সংক্রান্ত মামলা তদন্ত করছে। এর মধ্যে ১০টি মামলায় প্রকৃত গডফাদারদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, মাদকের অর্থে করা বাড়ি-গাড়ি ও জমি ক্রোক করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত মাদক মামলায় ১২২ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি। তাদের মধ্যে এজাহারনামীয় ৬৭ জন। এসব মামলায় গডফাদারদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিছু মামলায় চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। ১০টি মামলার মধ্যে তিনটি মামলায় গডফাদারদের ৯.১৪ একর জমি ও দুটি বাড়ি ক্রোক করা হয়েছে। এসবের দাম ৮ কোটি ১১ লাখ টাকা। বিভিন্ন মামলায় ব্যাংকে গচ্ছিত ১ কোটি ২৩ লাখ ২৩ হাজার ৪২৫ টাকা ফ্রিজ করা হয়েছে। আরও ৩৫.১৭৩ একর জমি, ১২টি বাড়ি ও একটি গাড়ি ক্রোক করার প্রক্রিয়া চলছে। এসবের দাম ৩৬ কোটি ৮২ লাখ টাকা।

সিআইডির প্রধান বলেন, মাদক মামলায় সাধারণত সেবনকারী বা বাহক পর্যন্ত তদন্ত করেই চার্জশিট দেওয়া হয়। গডফাদাররা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়। গডফাদারদের আইনের আওতায় আনতে পারলে মাদকের এত ব্যাপকতা থাকত না। সিআইডি প্রথম গডফাদারদের গ্রেপ্তার ও তাদের সম্পদ ক্রোকের কাজে হাত দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সম্পদের তথ্য আমরা আদালতে উপস্থাপন করি। আদালত ক্রোকের নির্দেশ দেন। পরে সম্পদ ক্রোক করে আদালতে জমা দেওয়া হয়। গডফাদাররা এতদিন ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিল। তারা প্রকৃতপক্ষে পেশাগতভাবে মাদক ব্যবসায়ী। মাদক সংশ্লিষ্টতায় সাধারণত প্রথমে বাহক বা সেবনকারীকে ধরা হয়। এর পেছনে কারা আছেন, সে পর্যন্ত যাওয়া হতো না। সিআইডি ভিন্ন আঙ্গিকে পেছনের ব্যক্তিদের খোঁজ নেওয়া শুরু করে। তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট তল্লাশি করা হয়েছে। সন্দেহজনক লেনদেনের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা মাদক ব্যবসার কথা স্বীকার করে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com