মামুন মোল্যা, নড়াইল প্রতিনিধি: নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় কর্মরত ক্রেডিট চেকিং কাম সায়রাত সহকারী সজীব হালদারের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীর দাবি, বিভিন্ন কাজ করে দেওয়ার কথা বলে তিনি মোটা অঙ্কের টাকা নিলেও পরবর্তীতে কাজ সম্পন্ন করেননি এবং বর্তমানে যোগাযোগও এড়িয়ে চলছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, লোহাগড়া উপজেলার রামপুর গ্রামের শেখর চন্দ্র দে (কালা) অভিযোগ করেন, সজীব হালদার নড়াইল কোর্টে কর্মরত থাকাকালে এলএসটি করে দেওয়ার কথা বলে তার কাছ থেকে প্রায় ৬০ হাজার টাকা নেন। এছাড়া লোহাগড়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে কর্মরত অবস্থায় নামপত্তনের কাজ করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে আরও ৮০ হাজার টাকা গ্রহণ করেন।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, দীর্ঘ সময় পার হলেও কোনো কাজ সম্পন্ন হয়নি। পরবর্তীতে সজীব হালদার কালিয়ায় বদলি হলে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করছেন না এবং টাকাও ফেরত দিচ্ছেন না।
ভুক্তভোগী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সজীব হালদার বলেন, লেনদেন হয়েছিল। আমার কাছে এখন সে টাকা পাবে না। আমি আরো তার কাছে টাকা পাবো বলে দাবি করে । এ বিষয়ে তিনার কাছে ভিডিও বক্তব্য চাইলে তিনি দিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করে।