কেটে গেছে শৈত্যপ্রবাহ। কমেছে কুয়াশার ঘনত্ব। কাগজে-কলমে বিদয়া নিয়েছে শীত। বাড়তে শুরু করেছে তাপমাত্রাও। তবে বসন্তের হিমেল বাতাসে রাত থেকে সকাল পর্যন্ত এখনো ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে।
এদিকে গত কয়েকদিন বৃষ্টির কথা জানিয়ে এলেও এবার নতুন তথ্য দিল আবহাওয়া অফিস। বৃষ্টির আশঙ্কা কেটে যাবে। রাতের তাপমাত্রা কমলেও বাড়বে দিনের তাপমাত্রা। তবে এখনো কুয়াশা পড়বে।
বৃহস্পতিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে চট্টগ্রামে ৩২ দশমিক ৭ ডিগ্রি। এ সময় ঢাকার সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে যথাক্রমে ১৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি ও ২৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে- লঘুচাপের বর্ধিতাংশ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।
প্রথম দিন নোয়াখালী ও কুমিল্লা অঞ্চলসহ খুলনা, বরিশাল ও ঢাকা বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহবৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্য জায়গায় আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। এ সময় রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমবে। তবে দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকবে।
দ্বিতীয় দিন সারাদেশে আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। এ সময় রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। তবে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়বে।
তৃতীয় দিন সারাদেশে আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। এ সময় রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমলেও দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকবে।
বর্ধিত পাঁচ দিনে তাপমাত্রা বাড়তে থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।