নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সারাদেশের কবি,সাহিত্যিকদের জন্য ঢাকার যেকোন স্থানে বঙ্গবন্ধু জাতীয় কবি ভবন নির্মাণ করার আহবান জানান।
বক্তারা বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কবি,সাহিত্যিকদের অনেক ভালোবাসতেন, তাদেরকে সন্মান ও মর্যাদা দিতেন, তিঁনি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম কে দেশে এনেছিলেন, তিনি রাস্ট্র নায়ক হিসাবে বিভিন্ন কবিদের শুভেচ্ছা পত্র পাঠাতেন।তাই এই দাবি সময়ের দাবি।
দেশি-বিদেশি কবি,সাহিত্যিকদের নিয়ে ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ শনিবার সকাল ৯ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত
ধানমন্ডি -৩২নং বঙ্গবন্ধু স্মৃতি যাদুঘর চত্তর,ঢাকায় এপার বাংলা ওপার বাংলা কবি দল,আন্তর্জাতিক বাংলা সাহিত্য কাব্য পরিষদ এবং বীর বাঙ্গালী আন্তর্জাতিক সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদের যৌথ আয়োজনে প্রথম বারের মতো অনুষ্ঠিত হয় প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের কবিতায় “বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ ” শীর্ষক আন্তর্জাতিক কবিতা উৎসব -২০২৪।
এপার বাংলা ওপার বাংলা কবি দল এর প্রতিষ্ঠাতা বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম বাঙ্গালীর সভাপতিত্বে প্রথম অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক মন্ত্রী এম নাজিমউদ্দীন আল আজাদ, সকালের অধিবেশনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা বিচারপতি ড. আবু তারিক,বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রাপ্ত কথা সাহিত্যিক সালমা বানী, ছড়াকার আসলাম সানী, পুলিশের ডিআইজি মফিজ উদ্দিন আহমেদ পিপিএম, কবি মাহামুদুল হাসান নিজামী, এডভোকেট আবদুল মালেক (মশিউর মালেক)আমেরিকা থেকে উপস্হিত ছেলেন ধনজয় সাহা,চিন্ময় রায় চৌধুরী, ইউসুফ রেজা,ভারত থেকে উপস্হিত ছেলেন বাউল শিল্পী পরেস সরকার, চয়িনিকা পাল, মৌসুমী মন্ডল, খান আক্তারুজ্জামান, রবিউল আলম রবি, কবি হাসিনা মমতাজ হাসি, বীর মুক্তিযোদ্ধা নাহিদ রোখসানা, ফেনীর কবি জেরিনা সুলতানা নাসরিন, মতিয়ারা মুক্তা,ইলোরা সোমা,আব্দুল গনি ভূইয়া,কবি ও সংগঠক মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, বিশিষ্ট কবি ও লেখক ড. শহীদুল্লাহ্ আনসারী,বিশিষ্ট সাহিত্যানুরাগী শিহাব রিফাত আলম, ভারতের বিশিষ্ট কবি ডাঃ অভিজিৎ পাল ও আল আমিন শাওন।


বিকেলের অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিল অতিরিক্ত সচিব মো.জাকির হোসেন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা বিজ্ঞান বিভাগ এর চেয়ারম্যান ড.আসাদুজ্জামান, অধ্যাপক সামিউল বাশির,ড.রতন কুমার বাড়ুই,ডাঃ শিশির নস্কর, এডভোকেট আদম শফি খান,উপ সচিব আল আমিন।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা এ.টি.এম মমতাজুল করিম।
উপস্থাপনায় ছিলেন জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা ও ভারতের জনপ্রিয় উপস্থাপিকা সর্বানী চ্যার্টাজি এবং নিপা আক্তার।
এছাড়া বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, আমেরিকা,লন্ডন সহ দেশ-বিদেশের তিন শতাধিক কবি,সাহিত্যিক,গবেষক উপস্থিত হয়ে কবিতা আবৃত্তি, গান ও বক্তব্য রাখেন।
সভার শুরুতে সকল কবি ও অতিথিদের লালগালিচা সংবর্ধনা, উত্তরীয় ও মেডেল পড়িয়ে দিয়ে বরণ করা হয়, তারপর বাংলাদেশ, ভারত ও আমেরিকার পতাকা উত্তোলণ এবং স্ব স্ব দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।বঙ্গবন্ধু, ভাষা সৈনিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধা জানিয়ে ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। এরপরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য তিনদেশের গুণী আলোকিত মানবিক কবি ও সংগঠকদের স্মারক সম্মাননা প্রদান করা হয়।