সংসদ নির্বাচনের সময় এলে অনেকেই প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন কমিশন থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। প্রার্থী হওয়ার জন্য রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, শিক্ষক, আইনজীবী থেকে শুরু করে কোনো পেশার মানুষই যেন বাদ যান না মনোনয়ন সংগ্রহ করতে। ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ১৪ নম্বর বিধান অনুসারে মনোনয়নপত্র গ্রহণ বা বাছাইয়ের পর সেটি বাতিল বা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন রিটার্নিং অফিসার।
জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারদের প্যানেল যাচাই করে থাকে যে, মনোনয়নপত্রে যেসব তথ্যগুলো চাওয়া হয়েছে প্রার্থীরা সেগুলো যথাযথভাবে দিয়েছেন কি না।
মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ার কিছু কারণ থাকে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে-
১. প্রার্থীর নামে ফৌজদারি মামলা থাকলে বা প্রার্থী যদি কোনো তথ্য গোপন করেন তাহলে তার প্রার্থিতা বাতিল হতে পারে।
২. প্রার্থী অভিযুক্ত আসামি হলে তার মনোনয়ন বাতিল হতে পারে।
৩. প্রার্থী ঋণখেলাপি হলে তার প্রার্থিতা বাতিল হতে পারে।
৪. এমনকি প্রার্থী যদি মনোনয়নপত্রে ভুলবশত: স্বাক্ষরও না করেন, তাহলেও তার বাদ পড়ার সম্ভাবনা থাকে।
৫. মনোনয়নপত্র যদি অসম্পূর্ণ থাকে যেমন হলফনামা কিংবা আয়কর রিটার্নের কপি সংযুক্ত করা না হলে মনোনয়নপত্র বাতিল হতে পারে।
তবে নাম বা ঠিকানায় ভুলের মতো ছোটখাটো ভুলত্রুটিকে সাধারণত উপেক্ষা করা হয়। কিন্তু বড় ধরণের ভুলের ক্ষেত্রে নমনীয় হওয়ার সুযোগ থাকে না।