রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে ময়মনসিংহ জেলার পুলিশ লাইন্সে প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত কিশোরগঞ্জ-৬ আসনে শরীফুল আলম বিজয় হওয়ায় ভৈরবে মিষ্টি বিতরণ  হবিগঞ্জে সরিষা ক্ষেতে শিশুর মরদেহ রাজনৈতিক সৌন্দর্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত, দাঁড়িপাল্লা বিজয়ের পরেও প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রার্থীর মিষ্টিমুখ কবিতার কাব্যতায় ১৪-ই ফেব্রুয়ারী-“Happy Valentine’s Day” 🌹আজ পহেলা ফাঁল্গুন🌹 ভোলায় ২৯ জনের মধ্যে ২০ জন প্রার্থীই জামানত হারালেন সাতক্ষীরায় বিএনপির ভরাডুবি: জেলা নেতৃত্বের পদত্যাগ ও বহিষ্কারের দাবি তৃণমূলের, Facebook-এ ঝড় গাইবান্ধা-৪ আসনের ছয় কেন্দ্রে ভোট বাতিল ও ফল স্থগিতের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন দায়িত্বশীল বিরোধীদল হিসেবে কাজের ঘোষণা জামায়াত আমিরের

বিএনপি নেতা চাঁদের তিন বছরের কারাদণ্ড!

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : রবিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ১৮৫ Time View

অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার মামলায় রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদকে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন রাজশাহীর জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১।

রোববার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মারুফ আল্লাম এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৪ সালে আসামি আবু সাঈদ চাঁদ, আলিম উদ্দিন এবং ওয়াজনবী রাজশাহীর চারঘাট উপজেলায় বামনদীঘি চরঝিকড়া টেকনিক্যাল স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। পরে ওই স্কুলের বিভিন্ন পদে নিয়োগের আশ্বাস দিয়ে বাদী ও সাক্ষীদের কাছ থেকে চাঁদা দাবি করেন। ২০০৪ সালের ডিসেম্বর মাসের বিভিন্ন তারিখে তাদের কাছ থেকে আসামিরা মোট ১৪ লাখ ৫২ হাজার টাকা নেন। পরে নিয়োগপত্রের ভিত্তিতে তারা ওই স্কুলে যোগদান করেন। এরপর বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করলেও তাদের অনুকূলে কোনো বেতনভাতা পরিশোধ করা হয়নি। এমনকি শিক্ষার্থীদেরও কোনো নিবন্ধন হয়নি।

কিছুদিন পর তারা কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে যোগাযোগ করে জানতে পারেন, স্কুলটির কোনো অনুমোদন না থাকা সত্ত্বেও আসামিরা জেনেশুনে তাদের ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়েছেন। পরে ২০০৭ সালের ২৯ জুলাই মামলাটি করেন ভুক্তভোগীরা।

আসামিপক্ষের আইনজীবী শামসাদ বেগম মিতালী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আবু সাঈদ চাঁদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান থাকাকালীন ১৪ লাখ ৫২ হাজার টাকা নিয়েছিলেন চাকরি দেওয়ার কথা বলে। তিনি ১৩ জনের কাছ থেকে টাকা নিয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ২০০৭ সালে তারা এ নিয়ে মমলা করেন। সেই মামলায় আবু সাঈদ চাঁদকে তিন বছরের কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বাকি দুজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

আইনজীবী আরও বলেন, ‘এ মামলার সঙ্গে আবু সাঈদ চাঁদ কোনোভাবে জড়িত না। এ মামলায় অন্য দুজন শিক্ষকও অভিযুক্ত ছিলেন। এটি একটি ভোকেশনাল স্কুলের নিয়োগের মামলা। এখানে তার কোনো সই-সাক্ষ্য কিছুই ছিল না। তিনি চেয়ারম্যান ছিলেন এটাই তার অপরাধ। এজন্যই তাকে সাজা দেওয়া হয়েছে।’

আবু সাঈদ চাঁদের ছেলে মো. অলিভ বলেন, এ রায় মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS