1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৭ পূর্বাহ্ন
Title :
ঢাকা দক্ষিণ সিটির রাজস্ব ও সেবা ফি আদায়ে কমিউনিটি ব্যাংকের সঙ্গে সমঝোতা টাঙ্গাইলে ‘জব ফেয়ার’ চমক, একদিনেই ২ হাজার যুবকের ভাগ্যের দুয়ার উন্মোচন! সেমস-গ্লোবালের আয়োজনে শুরু হলো চার দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী ২৫তম টেক্সটাইল সিরিজ অফ এক্সিবিশন্স ২০২৬ বাংলাদেশ ব্যাংকের ৩,০০০ কোটি টাকার কৃষি পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আওতায় ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি’র অংশগ্রহণ চুক্তি স্বাক্ষর বিদ্যুৎ ঘাটতি নিরসনে বাতিলকৃত ৩৭টি নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প চালু করা জনদাবি: সবুজ আন্দোলন আইএফআইসি ব্যাংক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের মধ্যে ৩,০০০ কোটি টাকার পুনঃ অর্থায়ন তহবিলে অংশগ্রহণের চুক্তি স্বাক্ষর জুনে খেলাপি ঋণ বেড়ে ৬ লাখ ৬ হাজার ২৮৪ কোটি টাকা ভর্তুকি মূল্যে বিক্রিতে ২ কোটি লিটার পাম অলিন ও ১০ হাজার টন ডাল কিনবে সরকার কুমিল্লায় একদিনে ৪৩টি অভিযানে ১০ হাজারের বেশি ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার-৪৭ সাড়ে তিন মাস পর ব্যাংক থেকে ৫ কোটি ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক

জুলাইয়ে সঞ্চয়পত্র বিক্রি ৭ হাজার ৮৬০ কোটি টাকা

  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ৪.৪৯ পিএম
  • ৪০৩ Time View

চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে ৭ হাজার ৮৬০ কোটি টাকা। এই অর্থ থেকে আবার মূল ও মুনাফা পরিশোধে ব্যয় হয়েছে ৪ হাজার ৬১০ কোটি টাকা। আর শুধু মুনাফা পরিশোধ করা হয়েছে ১ হাজার ৬২৯ কোটি টাকা। ফলে জুলাই শেষে এই খাতে সরকারের ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ২৫০ কোটি টাকা।

সম্প্রতি জাতীয় সঞ্চয়পত্র অধিদপ্তর প্রকাশিত সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম মাস অর্থাৎ জুলাইয়ে ব্যাংক, ডাকঘর ও সঞ্চয় অধিদপ্তর থেকে গ্রাহকরা বিভিন্ন স্কিমে ৭ হাজার ৮৬০ কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র কিনেছেন। একই সময়ে মূল সঞ্চয়পত্রের অর্থ ও মুনাফা পরিশোধে ব্যয় হয়েছে ৪ হাজার ৬১০ কোটি টাকা। ফলে জুলাই শেষে সরকারের ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ২৫০ কোটি টাকা। ২০২২ সালের জুলাইয়ে সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি হয়েছিল ৩৯৩ কোটি টাকা। অর্থাৎ আগের বছরের একই মাসের তুলনায় খাতটিতে ব্যাপকভাবে বিক্রি বেড়েছে।

সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি বলতে বোঝানো হয়, একটি নির্দিষ্ট সময়ে সঞ্চয়পত্রের বিক্রি ও ভাঙানোর মধ্যকার ব্যবধান। গত অর্থবছরে যে পরিমাণ টাকার সঞ্চয়পত্র বিক্রি হচ্ছিলো, ভাঙানোর পরিমাণ ছিলো তার চেয়ে বেশি। অর্থাৎ প্রবৃদ্ধি ছিলো নেতিবাচক। তবে এই অর্থবছরের প্রথম মাসে ঠিক উল্টো চিত্র দেখা গিয়েছে। জুলাইয়ে মূল ও মুনাফা পরিশোধ করেও এই খাতে সরকারের ঋণ রয়েছে ৩ হাজার ২৫০ কোটি টাকা।

প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গত কয়েক মাসের তুলনায় জুলাইয়ে বড় ধরনের প্রবৃদ্ধি দেখা দিয়েছে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগে। বিদায়ী ২০২২-২৩ অর্থবছরে সঞ্চয়পত্রে নিট বিনিয়োগ ছিলো না। এ সময়ে সঞ্চয়পত্রে মোট বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ৮০ হাজার ৮৫৮ কোটি ৬২ লাখ টাকা। তবে ভাঙানো হয়েছে ৮৪ হাজার ১৫৪ কোটি ৫৬ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র। অর্থাৎ, ঐ অর্থবছরের শুরু জুলাই থেকে গত জুন পযর্ন্ত নতুন বিনিয়োগের চেয়ে ভাঙানোর প্রবণতাই বেশি ছিল।

এদিকে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে প্রজ্ঞাপন জারি করে সঞ্চয়পত্রের সুদহার কমিয়েছিল সরকার। একই প্রজ্ঞাপনে কয়েকটি স্তর করে দিয়েছে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি)। এর পর থেকেই সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ কমতে থাকে।

বিনিয়োগ কমার আরও কারণ রয়েছে। যেমন পাঁচ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র কেনার ক্ষেত্রে প্রত্যেক গ্রাহককে বাধ্যতামূলকভাবে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হয়। সঞ্চয়পত্র ও ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংক হিসাবে পাঁচ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অর্থ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আবার ব্যাংক হিসাবে জমা টাকা ১০ লাখ অতিক্রম করলেও দিতে হয় রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র।

সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগকারীরা মুনাফা পান। কিন্তু এই বিক্রি সরকারের জন্য ঋণ। জনগণের কাছ থেকে এ ঋণ নেওয়ার বিপরীতে সরকারকে উচ্চ হারে সুদ গুনতে হয়।

এদিকে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সঞ্চয়পত্র বিক্রি থেকে ১৮ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার, যা ২০২২-২৩ অর্থবছরের চেয়ে ১৭ হাজার কোটি টাকা বা ৪৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ কম। সদ্য সমাপ্ত ২০২২-২৩ অর্থবছরে সঞ্চয়পত্র থেকে সরকার ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য ঠিক করেছিলো ৩৫ হাজার কোটি টাকা।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com