1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৪৭ অপরাহ্ন
Title :
গুজবে কান নয়, বিনিয়োগকারীদের সতর্ক করল ডিএসই-বিএসইসি মেঘনা পেট্রোলিয়ামে নতুন চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম. তামিম সারাদিন নিরবচ্ছিন্ন পাওয়ার নিশ্চিতে নতুন সি-সিরিজ স্মার্টফোন নিয়ে আসছে রিয়েলমি বীরগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ২য় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আলোচনা সভা ও গণমিছিল অনুষ্ঠিত ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মরণে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি. -এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে যোগ দিলেন মোহাম্মদ ইমতিয়াজ উদ্দিন ডিএমটিসিএলের বহরে ভেহিকেল টেলিমেটিকস সিস্টেম বাস্তবায়ন করবে কারকোপোলো ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (TOAB)-এর নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির শপথ গ্রহণ বিদেশি ঋণ পরিশোধে নতুন রেকর্ড, এক বছরে ৪৪৯ কোটি ৪০ লাখ ডলার জুলাইয়ে দেশে এলো ২৮৫ কোটি ৯০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স

হবিগঞ্জে উজাড় হচ্ছে বন অবৈধ করাত কল নিয়ে বন বিভাগ ও পল্লী বিদ্যুতের টানাপোড়েন

  • আপডেট : রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ১২.২৫ পিএম
  • ১৮০ Time View

লিটন পাঠান, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি: হবিগঞ্জ জেলার বনাঞ্চলঘেরা এলাকা গুলোতে লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই গড়ে উঠেছে অসংখ্য অবৈধ করাত কল। এসব অবৈধ প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে বন বিভাগ থেকে লিখিত অনুরোধ জানানো হলেও পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ তা আমলে নিচ্ছে না। ফলে এই দুই সরকারি দপ্তরের মধ্যে এক ধরনের স্নায়ুযুদ্ধ শুরু হয়েছে, যার সুযোগ নিয়ে অবাধে বনের কাঠ চেরাই করে বনাঞ্চল উজাড় করছে অসাধু চক্র। বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, জেলার বাহুবল ও নবীগঞ্জ উপজেলায় ৬৬টি করাত কলের মধ্যে মাত্র ৩টির বৈধ লাইসেন্স রয়েছে। আইন অনুযায়ী সংরক্ষিত বনের ১০ কিলোমিটার সীমানার মধ্যে করাত কল স্থাপনের অনুমতি না থাকলেও বাহুবলে ৬৩টি এবং নবীগঞ্জে ৩৪টি অবৈধ করাত কল দাপটের সাথে চলছে। গত ২ ফেব্রুয়ারি শায়েস্তাগঞ্জ বন বিভাগ থেকে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজারকে এই অবৈধ সংযোগগুলো বিচ্ছিন্ন করতে চিঠি দেওয়া হয়।

কিন্তু দুই মাস পেরিয়ে গেলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। উল্টো পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার জিল্লুর রহমান জানিয়েছেন, বন বিভাগের লাইসেন্স দেখে নয়, বরং নিজস্ব আইন মেনে তাঁরা সংযোগ দিয়েছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, পল্লী বিদ্যুতের কিছু অসাধু কর্মকর্তা মাসোহারা নিয়ে এসব অবৈধ সংযোগ বহাল রেখেছেন। পুটিজুরী এলাকার জনৈক আবুল খায়েরের মতো অনেক করাত কল মালিকও স্বীকার করেছেন যে, লাইসেন্স না থাকলেও তাঁরা বিদ্যুৎ সুবিধা পাচ্ছেন।

এদিকে বনাঞ্চলের পাশে করাত কল চলায় সরকারি বনজ সম্পদ লুঠ হওয়ার পাশাপাশি শ্যালো মেশিন ও করাতের শব্দে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এবং কাঠের গুঁড়োয় পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। শায়েস্তাগঞ্জ রেঞ্জার তোফায়েল আহমদ চৌধুরী জানান, রিট মামলার স্থগিতাদেশের অজুহাতে অনেক মালিক করাত কল চালাচ্ছেন। তবে অবৈধ কলগুলোর সংযোগ বিচ্ছিন্নের বিষয়ে পল্লী বিদ্যুৎ কর্ণপাত না করায় তাঁরা এখন উপজেলা প্রশাসনের সহায়তা চেয়েছেন। বনাঞ্চল রক্ষা ও পরিবেশ দূষণ রোধে শিগগিরই জেলা প্রশাসন, বন বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে বন বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com