রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:০৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
ভেস্তে গেল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনা, তেহরানের কড়া অবস্থান হাম ঠেকাতে ৯৫% শিশুকে টিকার আওতায় আনার আহ্বান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর হবিগঞ্জে উজাড় হচ্ছে বন অবৈধ করাত কল নিয়ে বন বিভাগ ও পল্লী বিদ্যুতের টানাপোড়েন মাধবপুরে অস্তিত্ব সংকটে ৫টি চা বাগান বিপাকে হাজারো শ্রমিক পরিবার ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী পালিত ১২০ সেরা পরিবেশক প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করলো মার্সেল আইএফআইসি ব্যাংক এর “উপশাখা বিজনেস কনফারেন্স ২০২৬-খুলনা অঞ্চল” অনুষ্ঠিত সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন না করা ও শপথ গ্রহণ না করা জাতির সঙ্গে প্রতারণার শামিল সৌদিতে পাঠিয়ে খোঁজ নেই দালালের: ৩ মাসেও ইকামা ও কাজ পাননি প্রবাসী সালেহ আহমেদ ডিএসইতে সূচকের উত্থান, তবুও কমল ৭৩৭ কোটি টাকার বাজার মূলধন

হবিগঞ্জে উজাড় হচ্ছে বন অবৈধ করাত কল নিয়ে বন বিভাগ ও পল্লী বিদ্যুতের টানাপোড়েন

লিটন পাঠান
  • আপডেট : রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫১ Time View

লিটন পাঠান, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি: হবিগঞ্জ জেলার বনাঞ্চলঘেরা এলাকা গুলোতে লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই গড়ে উঠেছে অসংখ্য অবৈধ করাত কল। এসব অবৈধ প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে বন বিভাগ থেকে লিখিত অনুরোধ জানানো হলেও পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ তা আমলে নিচ্ছে না। ফলে এই দুই সরকারি দপ্তরের মধ্যে এক ধরনের স্নায়ুযুদ্ধ শুরু হয়েছে, যার সুযোগ নিয়ে অবাধে বনের কাঠ চেরাই করে বনাঞ্চল উজাড় করছে অসাধু চক্র। বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, জেলার বাহুবল ও নবীগঞ্জ উপজেলায় ৬৬টি করাত কলের মধ্যে মাত্র ৩টির বৈধ লাইসেন্স রয়েছে। আইন অনুযায়ী সংরক্ষিত বনের ১০ কিলোমিটার সীমানার মধ্যে করাত কল স্থাপনের অনুমতি না থাকলেও বাহুবলে ৬৩টি এবং নবীগঞ্জে ৩৪টি অবৈধ করাত কল দাপটের সাথে চলছে। গত ২ ফেব্রুয়ারি শায়েস্তাগঞ্জ বন বিভাগ থেকে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজারকে এই অবৈধ সংযোগগুলো বিচ্ছিন্ন করতে চিঠি দেওয়া হয়।

কিন্তু দুই মাস পেরিয়ে গেলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। উল্টো পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার জিল্লুর রহমান জানিয়েছেন, বন বিভাগের লাইসেন্স দেখে নয়, বরং নিজস্ব আইন মেনে তাঁরা সংযোগ দিয়েছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, পল্লী বিদ্যুতের কিছু অসাধু কর্মকর্তা মাসোহারা নিয়ে এসব অবৈধ সংযোগ বহাল রেখেছেন। পুটিজুরী এলাকার জনৈক আবুল খায়েরের মতো অনেক করাত কল মালিকও স্বীকার করেছেন যে, লাইসেন্স না থাকলেও তাঁরা বিদ্যুৎ সুবিধা পাচ্ছেন।

এদিকে বনাঞ্চলের পাশে করাত কল চলায় সরকারি বনজ সম্পদ লুঠ হওয়ার পাশাপাশি শ্যালো মেশিন ও করাতের শব্দে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এবং কাঠের গুঁড়োয় পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। শায়েস্তাগঞ্জ রেঞ্জার তোফায়েল আহমদ চৌধুরী জানান, রিট মামলার স্থগিতাদেশের অজুহাতে অনেক মালিক করাত কল চালাচ্ছেন। তবে অবৈধ কলগুলোর সংযোগ বিচ্ছিন্নের বিষয়ে পল্লী বিদ্যুৎ কর্ণপাত না করায় তাঁরা এখন উপজেলা প্রশাসনের সহায়তা চেয়েছেন। বনাঞ্চল রক্ষা ও পরিবেশ দূষণ রোধে শিগগিরই জেলা প্রশাসন, বন বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে বন বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS