বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:২৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ করেছে জেএমআই হসপিটাল দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ করেছে আমান ফিড দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ করেছে জেএমআই সিরিঞ্জেস দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ করেছে অগ্নি সিস্টেমস দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ করেছে রানার অটোমোবাইলস দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ করেছে মেঘনা পেট্রোলিয়াম পুঁজিবাজার পরিস্থিতি নিয়ে স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে বৈঠকে অর্থ উপদেষ্টা ১০ বছর ধরে অকার্যকর সংযোগ সেতু, দুর্ভোগে হরষপুর–কাশিমনগরের মানুষ গ্রীণ চট্টগ্রাম এ্যালায়েন্সের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা শিশুদের রঙতুলিতে ফুটে উঠল পরিবেশ ও প্রকৃতির অনিন্দ্য রূপ চট্টগ্রামের কর্ণফুলী শাহমীরপুর সার্বজনীন বৌদ্ধ বিহারে গ্রীন চট্টগ্রাম এ্যালায়েন্সের পরিবেশ উন্নয়নে বিশেষ কর্মসূচি

১০ বছর ধরে অকার্যকর সংযোগ সেতু, দুর্ভোগে হরষপুর–কাশিমনগরের মানুষ

ইপাজ খাঁ
  • আপডেট : বুধবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৫২ Time View

ইপাজ খাঁ, মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ২ নম্বর চৌমুহনী ইউনিয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সেতু নির্মাণের প্রায় ১০ বছর পার হলেও আজ পর্যন্ত সেটি কোনো কাজে আসেনি। এই সেতু দিয়ে এখনো কোনো গাড়ি, মানুষ এমনকি গবাদিপশুও চলাচল করেনি। ফলে সেতুটি এলাকার মানুষের জন্য উপকারের বদলে দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

হরষপুর রেলওয়ের ৩২ নম্বর ব্রিজের দুই পাশে প্রায় ৪ কিলোমিটার রাস্তা তৈরি করা হলেও হাসিনাবাদ–জামালপুর সংযোগ সেতুটি সংযোগ না থাকায় চলাচল বন্ধ রয়েছে। রেল ব্রিজের পাশেই থাকা এই কালভার্টটি আজও ব্যবহার করা যাচ্ছে না।

হরষপুর থেকে কাশিমনগর খুব কাছের এলাকা হলেও সেতু না থাকায় স্থানীয় মানুষকে ৪ কিলোমিটারের পথ যেতে ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার ঘুরে যেতে হয়। এতে সময় বেশি লাগে এবং অতিরিক্ত খরচও হচ্ছে।

বর্ষাকালে নালায় পানি বেড়ে গেলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়। তখন অনেক মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রেল ব্রিজের ওপর কাঠের তক্তা চেপে পারাপার হন। প্রায় ১৫০ ফুট লম্বা এই ব্রিজ পার হতে একজন সুস্থ মানুষেরও ৮ থেকে ১০ মিনিট সময় লাগে। এ সময় হঠাৎ ট্রেন চলে এলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। দুর্বল মানুষদের পক্ষে এই পথ পার হওয়া প্রায় অসম্ভব।
স্থানীয়রা বলেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। ২০১০ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর হরষপুর থেকে কাশিমনগর পর্যন্ত আধা-পাকা রাস্তা তৈরি হলেও সংযোগ সেতু না থাকায় সেই রাস্তার পুরো সুবিধা তারা পাচ্ছেন না।

এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা প্রকৌশলী রেজাউন নবী বলেন,
“বিষয়টি আমাদের নজরে আছে। সেতুটি মেরামত করে চালু করার জন্য আমরা কাজ করছি।”

এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত সেতুটি চালু করা হলে দীর্ঘদিনের ভোগান্তি থেকে তারা মুক্তি পাবেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS