সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১১:২৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
ঈদ ও স্বাধীনতা দিবসের ছুটিতে ভ্যাট রিটার্ন জমার সময় বৃদ্ধি বিদেশি গ্যারান্টিতে ঋণ দিতে পারবে ব্যাংক, লাগবে না কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমতি কোম্পানি করদাতাদের জন্য রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়ালো এনবিআর পুঁজিবাজার ইস্যুতে বিএসইসি-এডিবির বৈঠক সপ্তাহের প্রথম দিনে ডিএসইতে দরপতনে শীর্ষে আইসিবি ইসলামি ব্যাংক সপ্তাহের প্রথম দিনে দর বৃদ্ধির শীর্ষে মার্কেন্টাইল ব্যাংক সপ্তাহের প্রথম দিনে লেনদেনের শীর্ষে ওরিয়ন ইনফিউশন জমকালো আয়োজনের মধ্যে দিয়ে নিউইয়‌র্কে অবস্থানরত ৮৩ ও ৮৫ গ্রু‌প সা‌র্কেল এর ইফতার মাহফিল অনু‌ষ্ঠিত   হুয়াওয়ের ৮টি গ্লোমো অ্যাওয়ার্ড অর্জন থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত শিশুদের জন্য প্লে-জোন নির্মাণ করল রবি

অতিরিক্ত সচিব তোফাজ্জলের দুর্নীতির মহোৎসব

বাসার বিপুল
  • আপডেট : শনিবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৩৫ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মৎস্য ও প্রানী সম্পদের অতিরিক্ত সচিবের বিরুদ্ধে পাওয়া গেছে পাহাড় সমান অভিযোগ।  পরিকল্পনা অনুবিভাগ,বর্তমানে তোফাজ্জল হোসেন সচিব পদে রুটিন দ্বায়িত্বে আছেন।  বিগত জুন মাসে তিনি বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান হিসেবে তাঁকে বদলী করা হয়। কিন্তু সেখানে টাকা পয়সা কম এবং ইনকাম করা যাবে না বিধায় তিনি এই অধিক লাভজনক পদেই অর্থাৎ  অতিরিক্ত সচিব মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয়ে রয়ে গেছেন। সবই সম্ভব হহেছে  বিগত  শেখ হাসিনা ফ্যাসিস্ট সরকারের আস্থাভাজন একান্ত লোকহিসেবে।  

 মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রনালয়ের প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন(এল ডি ডি পী)প্রকল্পটি ২০১৭ সাল থেকে চলে আসছে,যা আমাদের দেশের প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন, নিরাপদ মাংস,দুধ,ডিম,প্রান্তিক কৃষক ও খামারিদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ব্যপক ভুমিকা পালন করে আসছে। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন জন্য বিশ্বব্যাংক সহজ শর্তে ৩৫০ মিলিয়ন ডলার অধিক ঋণ সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। তিনি কৃষ্ণা সিকিউরিটি সার্ভিসেস লিমিটেড, রেজিষ্ট্রেশন নং-সি-৬৯২৭৯(১৭৮১)/০৭,৯৯,লেক সার্কাস,কলা বাগান, ধানমন্ডি, ঢাকা।এর দূনীতি/অনিয়ম সাথে ওতোপ্রোতোভাবে  জড়িত। কৃষ্ণা সিকিউরিটি সার্ভিসেস লিমিটেডে কাজ দিয়ে তিনি মোটা অংকের টাকা পান ও  নিয়োগ বানিজ্য করেন।

 আউট সোসিং পদ্ধতিতে ভুয়া সাটিফিকেট দিয়ে চাকুরী প্রদান তার নিত্য দিনের সাধারণ ব্যাপার। অভিযোগ আছে,  এই অতিরিক্ত সচিবের দুর্নীতির কারণে  বিশেষ এই  প্রকল্প এলডিডিপি বন্ধ হওয়ার উপক্রম হচ্ছে। একটি টেন্ডারের কেনা কাটা অতিরিক্ত সচিবের সাথে অর্থ লেনদেনে বনিবনা না হওয়ায় শুধু মাত্র ব্যক্তি উদ্দেশ্য হাসিলের পায়তারায় তাঁরা দুর্নীতি, সরকারি অর্থ সাশ্রয় ও নানা অভিযোগের কথা বলে প্রকল্পটি থেকে অনেক অংশ বাদ দেওয়ার চেষ্টা করছেন, যদিও এই বাদ দেওয়া নিয়ে বিশ্বব্যাংকের জোরালো নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তা সত্ত্বেও অতিরিক্ত সচিব এই বিশ্বব্যাংকের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে প্রকল্পটি বাদ দিয়ে দেশের বিশাল ক্ষতি, বিশেষ করে প্রান্তিক খামারীদের ক্ষতির চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। 

আরো জানা যায়, এই কাজের পেছনে মুল হোতা হিসেবে জড়িত আছেন মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা অনুবিভাগ এর অতিরিক্ত সচিব  মোঃ তোফাজ্জল হোসেন। উল্লেখ্য যে উনার বিরুদ্ধে নানা রকম দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে কিন্তু বিগত আওয়ামী ফ্যসিস্ট সরকারের আস্থাভাজন হওয়ায় তিনি সহজেই এসব বিষয় থেকে পার পেয়ে গেছেন, রয়ে গেছে ধরা ছোয়ার বাইরে। 

এই আওয়ামী ফ্যসিস্ট সরকারের আস্থাভাজন সচিব, অতিরিক্ত সচিব ও প্রাক্তন মহাপরিচালকের প্রত্যক্ষ মদদে খামারীদের জন্য বিভিন্ন উপকরণ ক্রয় কাযক্রম বাতিল করা হচ্ছে। যেখানে তাদের রয়েছে স্বেচ্ছাচারিতা যা দেশ ও জাতির আর্থ- সামাজিক ও প্রান্তিক খামারিদের জীবন যাত্রা ঊন্নয়নে মারাত্মক ও অপূরণীয় ক্ষতি সাধন করছে।

একটি প্রতিষ্ঠানের সাথে আমাদের প্রতিনিধি কথা বলে জানতে পারে যে এই প্রকল্পের আওতায় আরও একটি প্যকেজ (G-7) কেনাকাটা নিয়ে সচিবদের রয়েছে স্বেচ্ছাচারিতা ও দুর্নীতির মহাযজ্ঞ্য। উক্ত গং এর কারণে মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশের আলোকে সর্বনিম্ন রেস্পন্সিভ দরদাতা হওয়ার পরে কোন অদৃশ্য কারণে উক্ত প্যাকেজটির কারযাদেশ প্রদান করা হচ্ছেনা।এই আওয়ামী ফ্যসিস্ট সরকারের আস্থাভাজন সচিব, অতিরিক্ত সচিব ও প্রাক্তন মহাপরিচালকের প্রত্যক্ষ মদদে খামারীদের জন্য বিভিন্ন উপকরণ ক্রয় কাযক্রম বাতিল করা হচ্ছে। 

এই বিষয়ে একটি প্রতিষ্ঠানের সাথে কথা বলে জানা যায় যে, এই প্রকল্পের আওতায় দুইটি প্যকেজের (G-97 ও G-100) কেনাকাটা নিয়ে সচিবদের রয়েছে স্বেচ্ছাচারিতা ও দুর্নীতির মহারন।

(G-97 ও G-100) কাজ দুইটির টেন্ডার হয় যথাক্রমে ০২-এপ্রিল-২০২৪ (G-97) ও ০৩-এপ্রিল-২০২৪ (G-100)। কাজ দুইটি আগে পড়ে হলেও মন্ত্রনালয়ের ঐ দুষ্ট চক্র পরের কাজটি (G-100) তাদের মনোনীত কোম্পানিকে আগেই দিয়ে দেয়, কিন্তু আগের কাজটি (G-97) এর ক্ষেত্রে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সাথে আর্থ লেনদেনে সমঝোতা না হওয়ায় প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডাঃ মোহাম্মদ রেয়াজুল হকের সহায়তায় নানা ভাবে দেরি করায় এবং শেষপর্যন্ত কাজটি বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেয়। 

এই প্যকেজটি বাদ দেওয়া নিয়ে বিশ্বব্যাংকের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, এই ব্যাপারে বিশ্বব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সাথে কথা বলে জানা যায় যে এই প্যকেজটি বাদ দিতে হলে বিশ্বব্যাংকের কন্সেন্ট  নিতে হয় যা এই মন্ত্রণালয়ের সচিবরা নেয়নি যা বিশ্বব্যাংকের প্রকিউরমেন্ট রুলের সম্পূর্ণ পরিপন্থি। 

 ফ্যাসিস্ট সরকারের আশির্বাদপুষ্ট এই অতিরিক্ত সচিব তোফাজ্জল হোসেন এখনো বহাল তবিয়তে চালিয়ে যাচ্ছে তার দুর্নীতি সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম।  তার এখনো খুটির জোর কোথায় তা অনেকের প্রশ্ন। কোনোভাবেই কি এই স্বেচ্ছাচারিতা,  লুটপাট এবং দুর্নীতির মহোৎসব বন্ধ হবে না?

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS