আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছ থেকে ৪৫০ কোটি ডলারের ঋণের প্রাপ্তির বিষয়ে সুখবর মিলেছে। কঠিন কোনো শর্ত ছাড়াই বাংলাদেশকে সাত কিস্তিতে এই টাকা দেবে সংস্থাটি। তারমধ্যে প্রথম কিস্তি পাবে আগামী
ঋণের শর্ত নিয়ে টানা ১৫ দিন সরকারি বিভিন্ন দফতর ও সংস্থার সঙ্গে দর-কষাকষির পর বাংলাদেশকে সাড়ে ৪ বিলিয়ন বা ৪৫০ কোটি ডলার ঋণ দিতে সম্মত হয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।
ডলার সংকট কাটানোর জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নিলেও এতে কাজ হচ্ছে না। ধারাবাহিকভাবে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে ডলার বাজারে ছাড়তে হচ্ছে। এতে চাপ বাড়ছে রিজার্ভে। এদিকে গত আট মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের আনুষ্ঠানিক বৈঠক শেষ হয়েছে। আইএমএফের সদস্যরা সুদের হারের সীমা, ঋণ খেলাপি কমাতে ব্যাংক পর্ষদ গঠনে সংস্কার ও রিজার্ভ গণনায় আন্তর্জাতিক পদ্ধতি অনুসরণে জোর
বিশ্ব অর্থনীতির অস্থিরতার প্রভাব পড়েছে দেশের বাজারে। সবশেষ হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩ হাজার ৪৩৩ কোটি ডলার। প্রশ্ন হচ্ছে: বর্তমান রিজার্ভের পরিমাণ বাংলাদেশের জন্য যথেষ্ট কি না। এ
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে। মূলত বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার উদ্বেগ ও চীনে করোনাভাইরাসের প্রকোপ আবার বাড়ায় তেলের বাজারে পতন দেখা যাচ্ছে। মঙ্গলবার (৯ নভেম্বর) রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো
চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে রেমিট্যান্সে সুবাতাস বইছিল। পরবর্তীতে রেমিট্যান্সের নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি রিজার্ভে বড় প্রভাব ফেলে। এদিকে চলতি মাসের প্রথম ৭ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৪ কোটি ৩০ লাখ ডলার। বাংলাদেশ
রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল (ইডিএফ) থেকে ঋণের সুদ হার বাড়িয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ তহবিল থেকে ঋণ নিতে হলে সুদ গুণতে হবে ৪ শতাংশ। আগে তা ছিল ৩ শতাংশ। অর্থাৎ সুদের হার
ডলার সংকট সমাধানে বিভিন্ন উদ্যোগ নিলোও তা কাজে আসছে না। কোনোভাবেই ঠেকানো যাচ্ছে না রিজার্ভের পতন। আকু বিলের ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করার পর রিজার্ভ কমে দাড়িয়েছে ৩৪
রেমিট্যান্স পাঠানোর চার্জ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে অ্যাসোসিয়েশন অফ ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি) ও বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ অথরাইজড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশন (বাফেদা)। রোববার (৬ অক্টোবর) সংস্থা দুটির নিয়মিত নৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।