1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ০১:১৮ পূর্বাহ্ন
Title :
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দরবৃদ্ধির শীর্ষে এমএল ডাইং সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দরপতনের শীর্ষে শ্যামপুর সুগার মিলস সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে লেনদেনের শীর্ষে শার্প ইন্ড্রাস্ট্রিজ ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত বিকাশ পার্টনার এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেল হুয়াওয়ে ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষার্থীসহ অংশীজনদের নিয়ে পুষ্টি সচেতনতা কর্মসূচির আয়োজন কালিয়ায় পৃথক অভিযানে ২৬ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ, মোবাইল কোর্টে জরিমানা ভৈরব স্টেশনে ট্রেন থেকে ১১ কেজি গাঁজা উদ্ধার প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসি ও বিসিএস হেলথ ক্যাডার অ্যাসোসিয়েশনের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর ২০২৬-২৭ করবর্ষের অনলাইন রিটার্ন কার্যক্রম শুরু করল এনবিআর

১৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত নিহত ৬৪০

  • আপডেট : সোমবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ১০.১৯ পিএম
  • ১৩৭ Time View

গত ১৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অন্তত ৬৪০ জন নিহত হয়েছে। আহতের সংখ্যা ১৯ হাজার ২০০ জনেরও বেশি। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সাবেক সিনিয়র সচিব ও আন্দোলনে হতাহতদের পরিপূর্ণ তালিকা তৈরিতে গঠিত কমিটির প্রধান মুহাম্মদ হুমায়ুন কবির বিবিসি বাংলাকে এমন তথ্যের পাশাপাশি বলেছেন, এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। তিনি বলেন, এই আন্দোলনে হতাহতদের পরিপূর্ণ তালিকা তৈরি করতে গত ১৫ আগস্ট স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করে। গত বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ে কমিটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

‘খসড়া তালিকা’র কথা উল্লেখ করে মুহাম্মদ হুমায়ুন কবির বলেন, ‘নিহতের সংখ্যা আরও বাড়বে। কারণ সাভারে যারা মারা গিয়েছিল এবং যাদের কোনো কাগজ ছাড়া দাফন করা হয়েছিল, তাদের রিপোর্টিংয়ের সুযোগ দিতে হবে। ফলে আরও বাড়বে নিহতের সংখ্যা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৪৫০ জনেরও বেশি মানুষকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। এই ২১ দিনের মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮১ জন মারা গেছেন।

সিনিয়র সচিব বলেন, ‘আহত ১৯ হাজারেরও বেশি। এর মধ্যে কিছু ব্যক্তি আছেন গুরুতর আহত। যারা হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। ইনডোরে ভর্তি ছিল সাড়ে সাত হাজারের মতো লোক।’

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, আহতদের মধ্যে ১৬ হাজার জনের বেশি সরকারি হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন। অন্তত তিন হাজার জন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

হুমায়ুন কবির বলেন, ‘এটি একটি খসড়া তালিকা। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এর তথ্য আরও আপডেট করছেন। আরও ডেটা কালেক্ট করতে হবে। যেহেতু লোকগুলো চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল থেকে চলে গেছে তাই তাদের তথ্য কালেক্ট করতে হবে। ৫ তারিখ পর্যন্ত অনেকে কারেক্ট তথ্য দেয়নি।’

সব হাসপাতালে রেজিস্ট্রারও সেইম স্ট্রাকচারে মেইনটেইন করে না। এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করেই এই তথ্যগুলো তৈরি করা হয়েছে। তবে প্রতি মুহূর্তেই এসব তথ্য বদলাবে। কম্পিউটারাইজড ডাটাবেইজের ধর্ম হচ্ছে একটা লাইভ ডাটা যখন ঢুকবে প্রতি মুহূর্তেই তা বদলাবে,’ বলেন তিনি। পূর্ণাঙ্গ তথ্য পেতে আরেও মাসখানেক সময় লাগবে বলে জানান সিনিয়র সচিব। ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ১১ হাজার মানুষ আহত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। চট্টগ্রামে আহতের সংখ্যা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দুই হাজার।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঢাকা বিভাগে নিহতে সংখ্যা সর্বোচ্চ। এ বিভাগে নিহত হয়েছেন ৪৭৭ জন। নিহতের সংখ্যা সবচেয়ে কম বরিশালে একজন। চট্টগ্রাম ও খুলনায় নিহতের সংখ্যা যথাক্রমে ৪৩ ও ৩৯ জন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, হাসপাতালে ভর্তি গুরুতর আহত তিন হাজার ৪৮ জন। আঘাতের কারণে স্থায়ীভাবে শারীরিক অক্ষম হয়ে পড়েছেন অন্তত ৫৩৫ জন। স্বাস্থ্য অধিদফতরের অধীনে ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম আন্দোলনে আহত ও নিহতদের তালিকা তৈরি করছে বলে জানান হুমায়ুন কবির।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com