1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৩ অপরাহ্ন
Title :
চাঁদাবাজির অভিযোগে কুমিল্লার ‘কানা মমিন’ গ্রেপ্তার বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক ফ্রন্টের কর্মপরিষদের সভা: সংবিধান পরিবর্তন ও গণভোটের দাবি মানবাধিকারে বিশেষ অবদানের জন্য শান্তি পদক পেলেন মঞ্জুর হোসেন ঈসা সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের আড়ালে তৃণমূলের উপস্থিতি, টাঙ্গাইলে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মাথাচাড়া তিন মাসে রপ্তানি আয় ১ হাজার ৩০৯ কোটি ডলার, প্রবৃদ্ধি ৬.৩৪% রপ্তানিমুখী শিল্পে প্রি-শিপমেন্ট ঋণের তহবিল বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক সেপ্টেম্বরে রপ্তানি আয় বেড়েছে সাড়ে ৮%, রেমিট্যান্স ৩% ধানমন্ডিতে ২৪ হাজার ৩২১ বর্গফুটের বাণিজ্যিক স্পেস কিনবে ইবনে সিনা পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ রূপগঞ্জে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের ওপর হামলা, রক্তাক্ত জখম ও টাকা ছিনতাই

৯ মাসে সঞ্চয়পত্র বিক্রি সাড়ে ৬২ হাজার কোটি টাকা

  • আপডেট : সোমবার, ৮ মে, ২০২৩, ৮.৩০ এএম
  • ২৬৩ Time View

চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে (জুলাই-মার্চ) সঞ্চয়পত্র থেকে কোন ঋণ নেয়নি সরকার। উল্টো ৪ হাজার ১৬১ কোটি টাকারও বেশি পরিশোধ করেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে (জুলাই-মার্চ) ৬২ হাজার ৬৫৭ কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র বিক্রি করেছে সরকার। আর এই খাতের মোট পরিশোধ করেছে ৬৬ হাজার ৮১৯ কোটি টাকা। অর্থাৎ নয় মাসে ৪ হাজার ১৬১ কোটি টাকা অতিরিক্ত পরিশোধ করতে হয়েছে সরকারকে।

এদিকে গত মার্চ মাসে সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে ৬ হাজার ৭৯৫ কোটি টাকার। তবে মূল ও মুনাফা বাবদ পরিশোধ করতে হয়েছে ৭ হাজার ৪৪৭ কোটি টাকা। সুতরাং বিক্রির চেয়ে পরিশোধের পরিমাণ ৬৫২ কোটি টাকা বেশি। অথচ ২০২২ সালের মার্চেও নিট সঞ্চয়পত্র বিক্রির পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৮১৫ কোটি টাকা।

উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন ব্যয় মেটাতে এবার ব্যাংকব্যবস্থা থেকে ঋণ নেওয়া বাড়িয়েছে সরকার। এরই মধ্যে সাড়ে ৫২ হাজার কোটি টাকার ঋণ নিয়ে ফেলেছে। এর বেশিরভাগই নেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে। বাংলাদেশ ব্যাংক টাকা ছাপিয়ে সরকারকে এই টাকার জোগান দিচ্ছে। এরফলে মূল্যস্ফীতির ওপরও চাপ বেড়েছে ব্যাপকহারে।

তথ্য বলছে, গত সেপ্টেম্বর থেকে সঞ্চয়পত্র বিক্রির চেয়ে বেশি ভাঙানো হয়েছে। গত ফেব্রুয়ারিতে নিট বিক্রির পরিমাণ ঋণাত্মক ছিলো ৩ হাজার ৫০৯ কোটি টাকা। এছাড়া জানুয়ারিতে ৩ হাজার ৬৯ কোটি, ডিসেম্বরে প্রায় ১ হাজার ৪৯১ কোটি, নভেম্বরে ৯৭৮ কোটি ৩৯ লাখ, অক্টোবরে ৯৬৩ কোটি ১৬ লাখ ও সেপ্টেম্বরে প্রায় ৭৩ কোটি টাকা ঋণাত্মক ধারায় ছিল। যদিও অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে সঞ্চয়পত্রের নিট বিনিয়োগের পরিমাণ কিছুটা ইতিবাচক ধারায় ছিল। এর মধ্যে গত আগস্টে সঞ্চয়পত্রের নিট বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল আট কোটি টাকা। আর জুলাইয়ে ছিল ৩৯৩ কোটি টাকা। গত অর্থবছরেও সঞ্চয়পত্র থেকে তুলনামূলক কম ঋণ পেয়েছিল সরকার।

পুরো অর্থবছরে ৩২ হাজার কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে নিট ঋণ আসে ১৯ হাজার ৯১৫ কোটি টাকা। অথচ করোনার পরও ২০২০-২১ অর্থবছরে সঞ্চয়পত্রের নিট বিনিয়োগ হয়েছিল প্রায় ৪২ হাজার কোটি টাকা। এটি তার আগের অর্থবছরে ছিল মাত্র ১৪ হাজার ৪২৮ কোটি টাকা।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com